Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Canada Khalistan

‘ভারতের নয়, খলিস্তানি সমস্যা কানাডারই’, স্পষ্ট দাবি ওটোয়ায় নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনারের

'খলিস্তানিরা কানাডায় বসে কার্যকলাপ চালাচ্ছে', বলছেন নতুন দায়িত্ব নেওয়া হাই কমিশনার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২০, ২০২৫, ১৮:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২০, ২০২৫, ১৮:৩৫

options
link
‘ভারতের নয়, খলিস্তানি সমস্যা কানাডারই’, স্পষ্ট দাবি ওটোয়ায় নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনারের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খলিস্তানি উগ্রপন্থার সমস্যা কেবল ভারতের একার নয়। এটা কানাডারও সমস্যা। খলিস্তানিদের বাড়বাড়ন্তে কানাডারও ভূমিকা রয়েছে। দায়িত্ব নিয়েই সাফ একথা জানিয়ে দিলেন কানাডায় নিযুক্ত ভারতের নতুন হাই কমিশনার দীনেশ পট্টনায়ক। তাঁর মতে, খলিস্তানিরা কানাডায় বসে কার্যকলাপ চালাচ্ছে। সেটা কানাডার অভ্যন্তরীণ সমস্যা।

২০২৩ সাল থেকে খলিস্তানি ইস্যুতে বারবার ধাক্কা খেয়েছে ভারত-কানাডার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক। সেবছর ১৮ জুন কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়ার সারের একটি গুরুদ্বারের সামনে খলিস্তানি নেতা নিজ্জরকে হত্যা করা হয়। এই ঘটনার মাসতিনেক পরে কানাডার পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো দাবি করেন, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে রয়েছে ভারত। এমন বিস্ফোরক মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করে নয়াদিল্লি। দুদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ব্যাপক অবনতি হয়। ভারতের তরফে বারবার প্রমাণ চাওয়া হলেও ট্রুডোর মন্তব্যের সপক্ষে কোনও প্রমাণ দিতে পারেনি কানাডা।

Advertisement

তবে পরবর্তী দু’বছরে বদলে গিয়েছে অনেক কিছু। প্রবল জনরোষের মধ্যে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন ট্রুডো। নির্বাচনী রাজনীতি থেকেও সরে দাঁড়ান তিনি। কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন মার্ক কারনি। ভারতের সঙ্গে কানাডার সম্পর্কের খানিকটা উন্নতি করেন তিনি। এহেন পরিস্থিতিতে কানাডার নতুন ভারতীয় হাই কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব নিয়েছেন দীনেশ। সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ভারতীয় আধিকারিকরা কখনই কোনও বিদেশি নাগরিকের হত্যার ছক কষতে পারেন না।

বরং খলিস্তানি ইস্যুতে কানাডার উপরেই পালটা চাপ দিয়েছেন দীনেশ। একটি সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, “খলিস্তানি সমস্যাকে কেবল ভারতের ইস্যু হিসাবে দেখা উচিত নয় কানাডার। এটা কানাডারও সমস্যা কারণ কানাডার নাগরিকদের হাত ধরেই এই সমস্যা তৈরি হচ্ছে।” যদিও কানাডার পুলিশ বা সরকারের তরফে ভারতীয় হাই কমিশনারের বক্তব্য নিয়ে কিছু বলা হয়নি।

ট্রুডোর আমলে আরও দাবি করা হয়েছিল, কানাডায় নিযুক্ত ভারতীয় আধিকারিকদের ষড়যন্ত্রেই নাকি নিজ্জরকে খুন করা হয়। সেই অভিযোগে ৬জন ভারতীয় কূটনীতিককে বহিষ্কারও করে কানাডা। যদিও পরে সেই অভিযোগ খারিজ করে কানাডার গোয়েন্দা বিভাগই। সেই অভিযোগকে একেবারে নস্যাৎ করে দিয়েছেন নতুন হাই কমিশনার।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.