Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
Panama

হোটেলে থেকে ‘আমাকে বাঁচান’ আর্তি! পানামায় বন্দি ভারতীয়দের নিয়ে মুখ খুলল দূতাবাস

পানামার হোটেলে বন্দি রাখা হয়েছে অন্তত ৩০০ জন ‘অনুপ্রবেশকারী’কে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৫, ২০:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৫, ২০:১২

options
link
হোটেলে থেকে ‘আমাকে বাঁচান’ আর্তি! পানামায় বন্দি ভারতীয়দের নিয়ে মুখ খুলল দূতাবাস zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হোটেলে বন্দি থাকা অবস্থাতেই পানামার আমজনতার কাছে সাহায্যের আর্জি জানাচ্ছেন ভারতীয় ‘অনুপ্রবেশকারীরা’! এমন খবর প্রকাশ্যে আসতেই মুখ খুলেছে পানামার ভারতীয় দূতাবাস। এক্স হ্যান্ডেলে দীর্ঘ বিবৃতি জারি করে দূতাবাসের তরফে বলা হয়েছে, বন্দি হলেও হোটেলে নিরাপদে রয়েছেন ভারতীয়রা। তাঁদের জন্য কনসুলার অ্যাক্সেসও পেয়েছে পানামার ভারতীয় দূতাবাস।

আপাতত পানামার হোটেলে বন্দি রাখা হয়েছে অন্তত ৩০০ জন ‘অনুপ্রবেশকারী’কে। এই ৩০০ জন বন্দির মধ্যে রয়েছেন ভারত, ইরান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, চিনের মতো নানা দেশের নাগরিক। পানামার হোটেলে তাঁদের আটকে রাখা হয়েছে। সেখানে প্রয়োজনমতো খাবার ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে তাঁদের জন্য়। কিন্তু ৪০ শতাংশেরও বেশি অনুপ্রবেশকারীরা আর দেশে ফিরতে চান না। কারণ নিজের দেশেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তাঁরা। তাই হোটেলে বন্দি থাকা অবস্থাতেই পানামার আমজনতার কাছে সাহায্যের আর্জি জানাচ্ছেন। হোটেলের জানলার সামনে দাঁড়িয়ে কাগজে লিখে বলছেন, ‘আমাদের বাঁচান।’

Advertisement

এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই মুখ খুলেছে পানামা, নিকারাগুয়া এবং কোস্টারিকার ভারতীয় দূতাবাস। এক্স হ্যান্ডেলে দূতাবাস জানায়, ‘পানামার আধিকারিকরা আমাদের জানিয়েছেন যে আমেরিকা থেকে একদল ভারতীয় সেদেশে পৌঁছেছেন। তাঁরা সকলেই নিরাপদে রয়েছেন। যাবতীয় পরিষেবা দিয়ে হোটেলে রাখা হয়েছে। তাঁদের জন্য কনসুলার অ্যাক্সেসও পেয়েছে দূতাবাসের টিম। পানামা সরকারের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ রাখছি যেন ভারতীয়রা সুরক্ষিত থাকেন।’ পানামা সরকারের তরফে জানানো হয়, ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাউকে হোটেলে আটকে রাখেনি তারা। 

উল্লেখ্য, আমেরিকা থেকে ‘অনুপ্রবেশকারী’দের দেশে ফেরত পাঠাতে বড় ভূমিকা নিচ্ছে পানামা। কারণ আমেরিকা থেকে ‘অনুপ্রবেশকারী’দের সরাসরি কয়েকটি দেশে ফেরানো যাচ্ছে না। তাই পানামা, কোস্টারিকার মতো প্রতিবেশীদের সাহায্য নিচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। ‘অনুপ্রবেশকারী’দের ফেরানোর যাবতীয় খরচ আমেরিকার। মূলত যেসমস্ত ‘অনুপ্রবেশকারী’রা নিজেদের দেশে ফিরতে নারাজ, তাঁদেরই ফেরত পাঠানো হচ্ছে এই তৃতীয় দেশগুলির মাধ্যমে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.