Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Ganga Aarti

হর হর গঙ্গে! এবার টেমস তীরে ‘গঙ্গা আরতি’, শতশত প্রদীপে মুখরিত ব্রিটেন

London: এদিন সূর্যাস্তের সময় টেমস নদীর তীরে জড়ো হয়েছিলেন বহু মানুষ। শতশত প্রদীপে সেজে উঠেছিল গোটা চত্বর। বার্ষিক ‘টোটালি টেমস’ উৎসবের সঙ্গেই যৌথভাবে আয়োজিত হয়েছিল 'গঙ্গা আরতি'। ‘চিন্ময় মিশন ইউকে’-এর ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই কর্মসূচিটি নেওয়া হয়েছিল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬, ১৭:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬, ১৭:৪০

options
link
হর হর গঙ্গে! এবার টেমস তীরে ‘গঙ্গা আরতি’, শতশত প্রদীপে মুখরিত ব্রিটেন zoom
লন্ডনে টেমস নদীর তীরে প্রথমবার 'গঙ্গা আরতি'। ছবি: পিটিআই।
Advertisement

ঐতিহাসিক! বারাণসীর ঐতিহ্য এবার পৌঁছল সুদূর ব্রিটেনে। রবিবার লন্ডনে (London) টেমস নদীর তীরে প্রথমবার অনুষ্ঠিত হল ‘গঙ্গা আরতি’ (Ganga Aarti)। বিশেষ এই অনুষ্ঠানটির নাম ছিল ‘টেমস নদীতে গঙ্গা আরতি: আলোর এক অনুষ্ঠান’। এটির আয়োজনে ছিল ‘চিন্ময় মিশন ইউকে’ নামে একটি সংস্থা।  

এদিন সূর্যাস্তের সময় টেমস নদীর তীরে জড়ো হয়েছিলেন বহু মানুষ। শতশত প্রদীপে সেজে উঠেছিল গোটা চত্বর। বার্ষিক ‘টোটালি টেমস’ উৎসবের সঙ্গেই যৌথভাবে আয়োজিত হয়েছিল ‘গঙ্গা আরতি’। ‘চিন্ময় মিশন ইউকে’-এর ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই কর্মসূচিটি নেওয়া হয়েছিল। বারাণসী, হরিদ্বারের চেনা ছবিই যেন এদিন ফুটে উঠল টেমসের তীরে। প্রকৃতি, জ্ঞান ও চেতনার জীবনদায়ী প্রবাহের প্রতীক হিসাবেই আয়োজন করা হয়েছিল বিশেষ এই ‘গঙ্গা আরতি’। ‘চিন্ময় মিশন ইউকে’-এর আবাসিক শিক্ষিকা ব্রহ্মচারিণী শ্রীপ্রিয়া চৈতন্য বলেন, “বহু প্রজন্ম ধরে মানুষ গঙ্গার তীরে সমবেত হয়ে নদী, প্রকৃতি এবং জীবন ধারণের সহায় সকল কিছুর প্রতি কৃতজ্ঞতাস্বরূপ প্রদীপ নিবেদন করে আসছে। টেমস নদীর তীরে আয়োজিত গঙ্গা আরতিও সেই একই ভাবনার প্রতিফলন ঘটায়। এটি কৃতজ্ঞতা, আশা ও ঐক্যের এক যৌথ মুহূর্তে মানুষকে একত্রিত করে।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শ্রীপ্রিয়া ব্যাখ্যা করেন যে, চিন্ময় মিশনের কাছে গঙ্গা নদী জ্ঞানের প্রবাহেরও প্রতীক। তাঁর কথায়, “সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা স্বামী চিন্ময়ানন্দ তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছিলেন বেদান্তের জন্য। এটি হিন্দুধর্মের অন্যতম মহান দার্শনিক ঐতিহ্য – চিরন্তন জ্ঞানকে হিমালয় থেকে মানুষের প্রাত্যহিক জীবনে নিয়ে আসার জন্য। চিন্ময় মিশনের ৭৫ বছর পূর্তি উদযাপনের পাশাপাশি এই অনুষ্ঠানটি সেই ঐতিহ্যেরও উদযাপন।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.