সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১২ জুন ২০১৮। একটি সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল। সিঙ্গাপুরে এক ঐতিহাসিক বৈঠকে হাত মিলিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান কিম জং উন। এবার মসনদে ফিরেই ‘বন্ধু’র খবর নিলেন বর্ষীয়ান রিপাবলিকান নেতা।
শপথ নেওয়ার পরই দক্ষিণ কোরিয়ায় মোতায়েন মার্কিন সেনাদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা গিয়েছে ট্রাম্পকে। আর সেই সময়ই ভিডিও কনফারেন্সে তিনি যা বলেন তা শুনে হাসিতে গড়িয়ে পড়েন অনেকে। ট্রাম্পকে বলতে শোনা যায়, ”কিম জং উন কেমন আছেন? কী চলছে ওখানে? আমার সঙ্গে অবশ্য ওঁর সম্পর্ক খুবই ভালো। কিন্তু মানুষটা কড়া ধাতের।”
এমন মন্তব্য ঘিরে শোরগোল নেট ভুবনে। এই ধরনের প্রশ্ন ‘পাগলামির শামিল’ বলে মন্তব্য করেছেন কোনও কোনও নেটিজেন। আবার কেউ লিখেছেন, ‘কোনটা বেশি চমকপ্রদ, প্রশ্নটা নাকি উনি এমন প্রশ্ন করাটা সঠিক বলে মনে করছেন সেটা? কূটনৈতিক জিনিয়াস!’
বলে রাখা ভালো, প্রথম জমানায় বহুল সমালোচিত মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিদেশনীতির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হয় কিম-ট্রাম্প সাক্ষাৎকে। সেই বৈঠকে পারস্পারিক সহযোগিতার বার্তা দেন দুই রাষ্ট্রপ্রধানই। দুই দেশের প্রধানের মধ্যে একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে তার মধ্যে প্রধান ছিল পারমাণবিক শক্তি। বৈঠক শেষে কিম পরমাণু পরীক্ষা বন্ধ করা নিয়ে আলোচনায় রাজিও হন। যদিও সব মিলিয়ে ২০২১ সাল পর্যন্ত হওয়া তিনটি বৈঠকের পরও দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনও স্থায়ী পরিবর্তন দেখা যায়নি। তবু কিমের সঙ্গে ট্রাম্পের বন্ধুত্বের সম্পর্ক মজবুত হয়েছিল। ট্রাম্প ২.০-তে কি সেই বন্ধুত্ব কোনও নতুন মোড় নেবে? এই জল্পনার মাঝেই এমন মন্তব্য শোনা গেল বিতর্কিত রিপাবলিকান নেতার মুখে?
সর্বশেষ খবর
-
একশোর বদলে পাঁচশোর নোটের টোপ! কমিশনের লোভে ব্যবসায়ী পেলেন সাদা কাগজের টুকরো
-
তৃণমূল জমানায় অবহেলা! দুর্যোগ-বিধ্বস্ত উত্তরবঙ্গকে স্বমহিমায় ফেরাতে আড়াইশো কোটি বরাদ্দ শুভেন্দুর
-
নিজের গড় রেজিনগরেই হারের ভয়! উপনির্বাচনে বাম-কংগ্রেস-তৃণমূল মহাজোট চাইছেন হুমায়ুন
-
আপত্তি শুধু ‘সেক্যুলার’ কংগ্রেসের! নিয়ম মেনে বন্দে মাতরম পুরোটা দাঁড়িয়ে সম্মান আবদুল্লাদের
-
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রার্থীই দিতে পারবে না তৃণমূল? সর্বদলীয় বৈঠকে গড়হাজিরায় উঠছে প্রশ্ন