Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Nicolas Maduro

নিখুঁত পরিকল্পনা, রেপ্লিকা বানিয়ে মহড়া! কীভাবে মাদুরোর বেডরুমে ঢুকে পড়ল মার্কিন কমান্ডোরা?

অপারেশন 'অ্যাবসলুট রিজলভ'-এর নেপথ্য কাহিনী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৮:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৮:১১

options
link
নিখুঁত পরিকল্পনা, রেপ্লিকা বানিয়ে মহড়া! কীভাবে মাদুরোর বেডরুমে ঢুকে পড়ল মার্কিন কমান্ডোরা? zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সর্বোচ্চ নিরাপত্তার বেষ্টনীতে থাকা ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টের নিকোলাস মাদুরো (Nicolas Maduro) ও তাঁর স্ত্রীকে তুলে নিয়ে গিয়েছে আমেরিকা। মার্কিন সেনার নিখুঁত ও দুঃসাহসিক এই অভিযান দেখে বিস্মিত গোটা বিশ্ব। তবে মাত্র ৩০ মিনিটের এই অভিযানের ব্লুপ্রিন্ট সাজানো হয়েছিল গত প্রায় এক বছর ধরে।

মার্কিন প্রশাসন সূত্রে জানা যাচ্ছে, সাম্প্রতিক কালের মধ্যে সবচেয়ে দুঃসাহসিক অভিযান ছিল এই অপারেশন ‘অ্যাবসলুট রিজলভ’। যার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়েছিল বেশ কয়েক বছর আগে। ২০২০ সালে আমেরিকার এক আদালত মাদুরর বিরুদ্ধে মাদক সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছিল। এরপরই মাদুরোর মাথার দাম ৫ কোটি ডলার ঘোষণা করে ট্রাম্প প্রশাসন। এর পরই শুরু হয় মাদুরো গ্রেপ্তারের প্রস্তুতি। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, কীভাবে হামলা চলবে তার পরিকল্পনায় অল্প কয়েকজনকে নিয়ে একটি ছোট দল তৈরি করে সিআইএ। তাঁদের কাজ ছিল মাদুরোর ডেরার খবর সংগ্রহ। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে মিশে গিয়ে মাদুরোর প্রতিটি পদক্ষেপ জেনে নিয়েছিল তাঁরা। মাদুরোর নিরাপত্তা, জীবনযাপন, খাওয়া দাওয়ার সব তথ্য পাঠানো হয় সিআইএ দপ্তরে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সেই সব তথ্য খতিয়ে দেখে মাদুরোর সেফ হাউসে ঢোকার ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করে ফেলে মার্কিন ডেল্টা ফোর্স। দুর্ভেদ্য সেই সেফ হাউসের নিরাপত্তাকে তছনছ করতে আমেরিকায় বানানো হয় সেফ হাউসের প্রতিকৃতি। সেখানে মাদুরো কোথায় থাকেন, সেই ঘরে কীভাবে ঢুকতে হবে, সেখানে তাঁকে বন্দি করার পর কোন পথে বেরিয়ে আসতে হবে সবটাই ছিল নিখুঁতভাবে সাজানো। শুক্রবার রাতে অপারেশন ‘অ্যাবসলুট রিজলভ’-এর গ্রিন সিগন্যাল আসতেই মাঠে নেমে পড়ে ডেল্টা বাহিনী। প্রথম ধাপে পুরো কারাকাসকে অন্ধকার করে দেওয়া হয়। প্রস্তুত হয়ে যায় ১৫০টি সামরিক বিমান। যার মধ্যে ছিল এফ-১৮, এফ-২২, এফ-৩৫, ইএ-১৮, ই-২ এবং বি-১ বম্বার। আমেরিকার জয়েন্ট চিফ অফ স্টাফ ড্যান কেন বলেন, প্রস্তুত ছিল বিপুল সংখ্যায় ড্রোন।

ওই আধিকারিক জানান, স্থানীয় সময় রাত ১.০১টায় শুরু হয় অভিযান। মাদুরোর সেফ হাউসে ঢোকা থেকে তাঁকে ও তাঁর স্ত্রীকে বের করে নিয়ে আসা, গোটা প্রক্রিয়া ৩০ মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে শেষ করা হয়। একটি দল মাদুরোর শোয়ার ঘরে ঢুকে ঘুম ভাঙিয়ে তাঁদের তুলে নিয়ে আসে। দুঃসাহসিক এই অভিযানের পর সাংবাদিক বৈঠক করে ট্রাম্প জানান, “গতকাল আমেরিকা যা অর্জন করেছে, বিশ্বের কোনও দেশ তা পারেনি। সত্যি বলতে, অল্প সময়ের মধ্যেই ভেনেজুয়েলার সমস্ত সামরিক ক্ষমতা মাটিতে মিশে যায়। আমাদের সেনাবাহিনী রাতের অন্ধকারে ৩০ মিনিটেরও কম সময়ে মাদুরোকে পাকড়াও করে। ভয়ঙ্কর অভিযান ছিল এটি।’’

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.