Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Ayatollah Ali Khamenei

বিশ্বাসঘাতকতার শিকার খামেনেই! মোসাদের কোন ‘ব্লুপ্রিন্টে’ খতম ইরানের সুপ্রিম লিডার?

বিশেষজ্ঞদের একটি অংশের বক্তব্য, সাধারণত এধরনের হামলা রাতের অন্ধকারে চালানো হয়। কিন্তু খামেনেইয়ের অবস্থান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পেতেই আর দেরি করেনি মোসাদ। তৎক্ষণাৎ ইরানের সুপ্রিম লিডারকে হত্যা করতে তৎপর হয় ইজরায়েল এবং আমেরিকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২, ২০২৬, ১০:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২, ২০২৬, ১০:২৩

options
link
বিশ্বাসঘাতকতার শিকার খামেনেই! মোসাদের কোন ‘ব্লুপ্রিন্টে’ খতম ইরানের সুপ্রিম লিডার? zoom
ইরানের নিহত সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা আলি খামেনেই।

‘বিশ্বের সবচেয়ে কুখ্যাত ব্যক্তি আয়তোল্লা আলি খামেনেইয়ের (Ayatollah Ali Khamenei) মৃত্যু হয়েছে।’ ইরানের সুপ্রিম লিডারকে খতম করে এমনটাই বলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইজারায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর গলাতেও শান্তির সুর শোনা গিয়েছে। কিন্তু ইরানের সুপ্রিম লিডারকে কীভাবে খতম করল আমেরিকা এবং ইজরায়েল? বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হয়েছিলেন খামেনেই?

সূত্রের খবর, বেশ কয়েকমাস আগে থেকেই খামেনেইকে হত্যার নিখুঁত পরিকল্পনা করে ইজরায়েলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদ এবং এবং মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (সিআইএ)। সেই মতো খামেনেইয়ের ঘনিষ্ঠদের উপর গোপনে শুরু হয় নজরদারি। তাঁদের মাধ্যমেই প্রাথমিকভাবে ইরানের সুপ্রিম লিডারের অবস্থান সম্পর্কে অবগত হন গোয়েন্দারা। শুধু তা-ই নয়, খামেনেইয়ের কার্যালয়ের আশপাশে থাকা বেশ কিছু সিকিউরিটি ক্যামেরাও নাকি হ্যাক করা হয় বলে সূত্রের খবর।

Advertisement

তবে এর পাশাপাশি অন্তর্ঘাত তত্ত্বও প্রকট হচ্ছে। জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে কয়েকজন উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে নিজের কার্যালয়ে একটি গোপন বৈঠকে বসেছিলেন খামেনেই। সূত্রের খবর, ইরান সরকারের ভিতর থেকেই কেউ বা কারা সেই খবর মোসাদকে জানিয়েছিলেন। কোথায়, কখন বৈঠকটি চলছিল তার সমস্ত খুঁটিনাটি তথ্যই জেনে গিয়েছিল ইজরায়েলের গুপ্তচর সংস্থা। তারপরই মারণ হামলা।

বিশেষজ্ঞদের একটি অংশের বক্তব্য, সাধারণত এধরনের হামলা রাতের অন্ধকারে চালানো হয়। কিন্তু খামেনেইয়ের অবস্থান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পেতেই আর দেরি করেনি মোসাদ। তৎক্ষণাৎ ইরানের সুপ্রিম লিডারকে হত্যা করতে তৎপর হয় ইজরায়েল এবং আমেরিকা।

শনিবার মধ্যরাতে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানে হামলায় মৃত্যু হয়েছে খামেনেইয়ের। তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘ইতিহাসের পাতায় সবচেয়ে খারাপ ব্যক্তি খামেনেই। তাঁর মৃত্যু হয়েছে। ইরান এবং আমেরিকার জনগণ ন্যায়বিচার পেল।’ ট্রাম্পের এই দাবির পরই রবিবার ভোরে মুখ খোলে ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যম। তারা জানায়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা শহিদ হয়েছেন। শনিবার তিনি তাঁর কার্যালয়ে কাজ করছিলেন। সেই সময়েই আমেরিকা-ইজরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হানায় মৃত্যু হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার। তিনি দেশের জনগণের জন্য নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবর অনুযায়ী, তেহরানে খামেনেইর অফিস কার্যত ধুলিসাৎ। উপগ্রহ চিত্র এই ধ্বংসের প্রমাণ।

গত বছরের শেষ থেকে ইরানে মোল্লাতন্ত্রের বিরুদ্ধে পথে নেমেছিলেন হাজার হাজার মানুষ। খামেনেইয়ের মৃত্যুও চেয়েছিলেন তারা। তাঁদেরকে সমর্থন করেছিলেন ট্রাম্প। একাধিকবার হুঁশিয়ারিও দিয়েছিলেন। এই পরিস্থিতিতে নিজের লক্ষ্য পূরণ করেছে আমেরিকা। কিন্তু ইরানের মোল্লাতন্ত্রের কি অবসান ঘটবে? সেটাই এখন প্রশ্ন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.