Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Harvard University

‘ক্যাম্পাসে চিনা কমিউনিস্ট পার্টি চলছে’, হার্ভার্ডে বিদেশিদের ভর্তি বন্ধ করলেন ট্রাম্প

'দেশের নিরাপত্তা নিয়ে তদন্তকারীদের সিদ্ধান্তেই কোপ বসানো হয়েছে হার্ভার্ডের উপর', সাফাই ট্রাম্প প্রশাসনের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২৫, ১০:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২৫, ১০:০১

options
link
‘ক্যাম্পাসে চিনা কমিউনিস্ট পার্টি চলছে’, হার্ভার্ডে বিদেশিদের ভর্তি বন্ধ করলেন ট্রাম্প zoom
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঐতিহ্যবাহী হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর ফের বড়সড় আঘাত হানল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। বিদেশি পড়ুয়াদের জন্য হার্ভার্ডের দরজা বন্ধ করে দিল আমেরিকা। সেদেশের প্রশাসনের কথায়, হার্ভার্ডের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিয়োরিটি। সেই তদন্তকারীদের নির্দেশেই নাকি বিদেশি পড়ুয়াদের হার্ভার্ডে প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে আপাতত যেসব পড়ুয়া হার্ভার্ডে পড়াশোনা করছেন তাঁদের অন্যত্র চলে যেতে হবে।

প্যালেস্টাইনে হামলার প্রতিবাদে আমেরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইজরায়েল-বিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়–সহ্য হয়নি ইজরায়েল-বান্ধব ডোনাল্ড ট্রাম্পের। ইহুদি বিদ্বেষের অভিযোগ তুলে প্রশাসন বেশ কিছু কঠোর নির্দেশ জারি করে। একই সঙ্গে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে দশ দফা নির্দেশনামা পাঠানো হয়। যা পত্রপাঠ খারিজ করেছে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই ধরনের সরকারি হস্তক্ষেপ তারা মানতে নারাজ। তারপরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০ কোটির অনুদান বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। শুধু তা-ই নয়, শিক্ষা দপ্তরের তরফে নোটিস দিয়ে বহু বিজ্ঞানী ও গবেষককে প্রকল্পের কাজ বন্ধ করতে বলা হয়েছে। তুলে নেওয়া হয় করছাড়ের মর্যাদাও।

Advertisement

এবার সরাসরি ‘দেশদ্রোহী’ আখ্যা দেওয়া হল হার্ভার্ডকে। ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিয়োরিটির সচিব ক্রিস্টি নোয়েম এক্স হ্যান্ডেল লেখেন, ‘হিংসায় মদত দেওয়া, ইহুদি বিদ্বেষ ছড়ানোর মতো অভিযোগ রয়েছে হার্ভার্ডের বিরুদ্ধে। ক্যাম্পাসে চিনের কমিউনিস্ট পার্টির কার্যকলাপ চলছে। সঠিক কাজ করার বহু সুযোগ ছিল হার্ভার্ডের কাছে। কিন্তু সেটা তারা করেনি। যেহেতু আইন মেনে চলছে না হার্ভার্ড, তাই বিদেশি পড়ুয়াদের ভর্তি করা এবং স্টুডেন্টস এক্সচেঞ্জের অধিকার হারাল তারা।’ তবে হোমল্যান্ড সিকিয়োরিটির তরফে জানানো হয়েছে, বিদেশিদের ভর্তি করার অধিকার ফিরে পেতে হলে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে দিতে হবে প্রশাসনের হাতে। 

মার্কিন প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, হার্ভার্ডের এই দশা থেকে যেন দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি সাবধান হতে পারে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের পর প্রশ্ন উঠছে, বর্তমানে যেসব বিদেশি পড়ুয়া হার্ভার্ডে রয়েছেন তাঁদের কী হবে? তাঁদের হয়তো মাঝপথে পড়াশোনা বন্ধ করে দেশে ফিরে আসতে হবে। অথবা আমেরিকার অন্য কোনও প্রতিষ্ঠানে চলে যেতে হবে। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে আগেই আদালতে গিয়েছিল হার্ভার্ড কর্তৃপক্ষ। বিদেশি পড়ুয়াদের ভর্তি বন্ধ করে দেওয়ার পরেও ট্রাম্প প্রশাসনকে তুলোধোনা করেছে হার্ভার্ড।

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.