Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
PoK

মৃতের সংখ্যার সঙ্গে পিওকে নিয়ে বাড়ন্ত অস্বস্তি! ‘বিক্ষোভকারীরা জঙ্গি নয়’, বোধোদয় শাহবাজের দলের

এক বছরেরও বেশি সময় ধরে উত্তপ্ত পাক-অধিকৃত কাশ্মীর। নিজেদের অধিকারের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে অধিকৃত কাশ্মীরের নাগরিক সমাজ। অর্থনৈতিক সঙ্কট, সাধারণ নাগরিকদের প্রতি বঞ্চনা, একের পর এক বিধিনিষেধ চাপানোর জেরে পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষোভ জমছিল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২৬, ১৮:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২৬, ১৮:১১

options
link
মৃতের সংখ্যার সঙ্গে পিওকে নিয়ে বাড়ন্ত অস্বস্তি! ‘বিক্ষোভকারীরা জঙ্গি নয়’, বোধোদয় শাহবাজের দলের zoom
উত্তাল অধিকৃত কাশ্মীর। ফাইল ছবি।
Advertisement

অধিকৃত কাশ্মীরে পাক সেনার বর্বরতা! সরকার-বিরোধী আন্দোলন দমাতে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে প্রতিবাদীদের হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতনের জেরে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা, যা নিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে অস্বস্তিতে পাকিস্তান। এই পরিস্থিতিতে অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে সুর নরম করল পাক সরকার। বিক্ষোভকারীদের ‘দেশপ্রেমিক’ আখ্যা দিল শাহবাজ শরিফের দল।

শনিবার পাক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রানা সানাউল্লা বলেন, “বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা জঙ্গি নয়। ৯৯ শতাংশই দেশপ্রেমিক।” পাশাপাশি, অধিকৃত কাশ্মীরের নাগরিক সমাজের জোট ‘জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি’ (জেএএসি)-র সদস্যদের সঙ্গে পাক সরকার বৈঠক করবে বলেও জানিয়েছেন সানাউল্লা। তাঁর কথায়, “অধিকৃত কাশ্মীরে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পিএমএল-এন সরকার গঠিত হওয়ার পরই জেএএসি প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসবে সরকার।” শুধু তাই নয়, অধিকৃত কাশ্মীরের সমস্ত সমস্যা সমাধান করারও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

Advertisement

প্রসঙ্গত, এক বছরেরও বেশি সময় ধরে উত্তপ্ত পাক-অধিকৃত কাশ্মীর। নিজেদের অধিকারের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে অধিকৃত কাশ্মীরের নাগরিক সমাজ। অর্থনৈতিক সঙ্কট, সাধারণ নাগরিকদের প্রতি বঞ্চনা, একের পর এক বিধিনিষেধ চাপানোর জেরে পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষোভ জমছিল। তার উপরে স্থানীয় প্রশাসনের ব্যর্থতা এই বিক্ষোভকে আরও বাড়িয়ে তোলে। এরই মধ্যে ভোট হয়েছে অধিকৃত কাশ্মীরে। তাতেও অশান্তি অব্যাহত।

সংরক্ষিত ১২টি আসন পাক অধিকৃত কাশ্মীরে সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন সংগঠনের যৌথমঞ্চ, জেএএসি ওই ১২টি সংরক্ষিত আসন তুলে দেওয়ার দাবি তুলেছে। পাক সরকারের ভূমিকা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। এদিকে বিক্ষোভকে সামাল দেওয়ার বদলে দমন-পীড়ন চালানোর অভিযোগ উঠছে শাহবাজ সরকারের বিরুদ্ধে। গত সপ্তাহে নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে অন্তত ২০ জন প্রতিবাদী নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ। এই অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, দাবি না মানলে ভারতের কাছে সাহায্য চাইবেন। গোটা বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে মুখ পুড়েছে পাকিস্তানের।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.