Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
Donald Trump

‘পাকিস্তানের চাটুকারিতায় ভারত-আমেরিকার…’, ট্রাম্পকে কটাক্ষ প্রাক্তন মার্কিন কর্তার

আর কী বললেন তিনি?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০২৫, ১১:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০২৫, ১১:৪৫

options
link
‘পাকিস্তানের চাটুকারিতায় ভারত-আমেরিকার…’, ট্রাম্পকে কটাক্ষ প্রাক্তন মার্কিন কর্তার zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তানের চাটুকারিতাতেই মজে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর জন্যই ভারত-আমেরিকার সম্পর্কে ফাটল ধরেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টকে কটাক্ষ করে এমনটাই বললেন পেন্টাগনের প্রাক্তন আধিকারিক মাইকেল রুবিন। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, ট্রাম্পের চরম অযোগ্যতার কারণেই ভারত-রাশিয়া ঘনিষ্ঠ হয়েছে।

সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে রুবিন বলেন, “ট্রাম্প যেভাবে ভারত-আমেরিকার সম্পর্ক পালটে দিয়েছেন, তাতে আমরা হতবাক। অনেকেরই প্রশ্ন, কোন অনুপ্রেরণায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট একাজ করলেন? সম্ভবত পাকিস্তানের চাটুকারিতায় মজেই এমন কাজ করেছেন ট্রাম্প। শুধু তাই নয়, অনেকের বক্তব্য, পাক-বন্ধু তুরস্ক এবং কাতারের তরফ থেকে ট্রাম্পকে ঘুষও দেওয়া হয়েছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট যে বিপর্যয় ঘটিয়েছেন, তাতে আগামী কয়েক দশক ধরে আমেরিকাকে কৌশলগত ঘাটতির সম্মুখীন হতে হবে।” ভারতের রুশ তেল কেনা নিয়েও মুখ খুলেছেন তিনি। তাঁর কথা, “ওয়াশিংটন দ্বিচারিতা করছে।আমেরিকা নিজে মস্কোর সঙ্গে বাণিজ্য করে। এদিনে ট্রাম্প রুশ তেল কেনা নিয়ে ভারত জ্ঞান দিচ্ছেন।” রুবিন আরও বলেন, “ভারতীয়রা দেশের স্বার্থে নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচিত করেছে। ভারত সবচেয়ে জনবহুল দেশ। শীঘ্রই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে। এক্ষেত্রে আমেরিকা দ্বিচারিতা করছে। আমরাও রাশিয়া থেকে বিভিন্ন জিনিস আমদানি করি। কারণ, সেগুলির বিকল্প বাজার নেই।”

Advertisement

উল্লেখ্য, ট্রাম্পের অন্যায্য দাবির কাছে মাথানত না করায় বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হয়নি দুই দেশের। তার উপর রুশ তেল কেনায় ভারতকে রীতিমতো শাসানি দেয় আমেরিকা। চাপানো হয় ৫০ শতাংশ শুল্ক। বাণিজ্যচুক্তির কোনও অগ্রগতি না-হলে শুল্ক নিয়ে ভারতের সঙ্গে কোনও আলোচনা করবেন না বলে জানায় হোয়াইট হাউস। তারপর ক্ষণে ক্ষণে সুর নরম করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। কিন্তু বিশেষ অগ্রগতি কিছুই হয়নি। এই পরিস্থিতি দু’দেশের সম্পর্কের জটিলতা কি কাটবে? উত্তর দেবে সময়। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.