Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
DR Congo

আফ্রিকায় ইবোলা ভাইরাসের তাণ্ডব! কঙ্গোয় মৃত্যু ৬৫ জনের, আক্রান্ত দু’শোর বেশি

রিপোর্ট বলছে, দেশজুড়ে ব্যাপক পরিসরে ইবোলা টেস্ট শুরু হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, প্রতি ২০ জনের মধ্যে আক্রান্ত অন্তত ১৩ জন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৬, ১৯:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৬, ১৯:০২

options
link
আফ্রিকায় ইবোলা ভাইরাসের তাণ্ডব! কঙ্গোয় মৃত্যু ৬৫ জনের, আক্রান্ত দু’শোর বেশি zoom
কঙ্গোয় ইবোলা ভাইরাসে মৃত্যু ৬৫ জনের।
Advertisement

আফ্রিকায় ফের মারণ ইবোলা ভাইরাসের তাণ্ডব। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের জেরে মধ্য আফ্রিকার দেশ ডিআর কঙ্গোতে মৃত্যু হল ৬৫ জনের। পাশাপাশি আক্রান্ত হয়েছেন ২০০-র বেশি মানুষ। যার মধ্যে ১০০ জনের বেশি হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। এই ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে। রিপোর্ট বলছে, দেশজুড়ে ব্যাপক পরিসরে পরীক্ষা শুরু হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, প্রতি ২০ জনের মধ্যে আক্রান্ত অন্তত ১৩ জন।

জানা যাচ্ছে, সাম্প্রতিক সময়ে দু’বার ইবোলা ভাইরাসের কোপে পড়েছে কঙ্গো। প্রথমে ২০১৮ সাল, এরপর ২০২০ সাল। এই দুই দফায় অন্তত ৩ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল কঙ্গোতে। পাশাপাশি এই সময়কালে গোটা দেশে আরও অন্তত ২ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। মারণ এই ভাইরাসকে বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক ভাইরাস হিসেবে গণ্য করা হয়। ইবোলায় আক্রান্তের ক্ষেত্রে ৯০ শতাংশ মানুষের মৃত্যু হয়। এই অসুখের প্রাথমিক লক্ষ্মণ হল ডায়েরিয়া ও রক্তপাত। জানা যায়, পূর্ব আফ্রিকায় ১৯৬৭ সালে এই ভাইরাস থাবা বসিয়েছিল। প্রাণ হারিয়েছিলেন বহু মানুষ। এরপর পশ্চিম আফ্রিকা হয়ে মধ্য আফ্রিকায় ফের নতুন করে এই ভাইরাসের হদিশ মেলায় বাড়ছে উদ্বেগ।

Advertisement

ইবোলায় আক্রান্তের ক্ষেত্রে ৯০ শতাংশ মানুষের মৃত্যু হয়। এই অসুখের প্রাথমিক লক্ষ্মণ হল ডায়েরিয়া ও রক্তপাত।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ভাইরাসে কেউ আক্রান্ত হলে মাত্র তিন দিনে রোগীর মৃত্যু হয়। স্পর্শের মাধ্যমে বা মানুষের আশেপাশে থাকার ফলেও ছড়াতে পারে ভাইরাসটি। হাঁচি, কাশি, সংক্রামিত প্রাণী খাওয়ার মাধ্যমেও ইবোলা হতে পারে। কোনও ক্ষতস্থান অথবা চোখ, নাক বা মুখ স্পর্শ করার মাধ্যমে ব্যক্তিকে সংক্রমিত করে। এটি অর্থোবোলাভাইরাস গোত্রের অন্তর্গত। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে এবং দ্রুত চিকিৎসা না করালে মৃত্যুর সম্ভাবনা ব্যাপক বেড়ে যায়।

এই ভাইরাসে আক্রান্তদের শরীরে কী কী লক্ষণ দেখা গিয়েছে? স্বাস্থ্য দপ্তর জানাচ্ছে, ডাইরিয়া, জ্বর, বমিভাব নিয়ে হাসপাতালে ভরতি করা হয় তাঁদের। হু’এর তরফে জানানো হয়েছে, ফলখেকো বাদুরের থেকে মানুষের দেহে সংক্রমিত হয় এই ভাইরাস। এরপর আক্রান্তের শারীরিক সংস্পর্শে তা দ্রুত সংক্রমিত হয়। শুধু তাই নয়, আক্রান্তের ব্যবহৃত জিনিসপত্র, মেঝে থেকেও ছড়াতে পারে সংক্রমণ!

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.