Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Donald Trump

বিরল খনিজে আঁতে ঘা! চিনের উপর ১৫৫ শতাংশ শুল্ক চাপানোর হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে নয়া এই শুল্ক হার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২১, ২০২৫, ২২:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২১, ২০২৫, ২২:১৭

options
link
বিরল খনিজে আঁতে ঘা! চিনের উপর ১৫৫ শতাংশ শুল্ক চাপানোর হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আঁতে ঘা লাগতেই চিনের বিরুদ্ধে ফের দাঁত-নখ বের করল আমেরিকা। আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি না হলে ‘ড্রাগনের’ উপর ১৫৫ শতাংশ শুল্ক চাপানোর হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চুক্তি সম্পন্ন না হলে ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে নয়া এই শুল্ক হার। সবমিলিয়ে বিরল খনিজকে কেন্দ্র করে আমেরিকা ও চিনের সংঘাত এবার চরম আকার নিল।

সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের সঙ্গে খনিজ চুক্তি সাক্ষর করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এরপরই চিন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বর্তমানে চিন শুল্ক বাবদ আমেরিকাকে বিপুল পরিমাণ অর্থ দিচ্ছে।  তাদের উপর শুল্কের হার ৫৫ শতাংশ। তবে এটাই শেষ নয়, দুই দেশের মধ্যে যদি বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন না হয় সেক্ষেত্রে নভেম্বর থেকে ওদের ১৫৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে।” একইসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, “আশা করব আমাদের এই কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে না। তার আগেই প্রেসিডেন্ট জিনপিংয়ের সঙ্গে ভালো বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করতে পারব।”

Advertisement

 সাংবাদিক বৈঠকে থেকে ট্রাম্প বলেন, “চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আমাদের ভালো সম্পর্ক রয়েছে। আবার কিছু বিষয়ে মতবিরোধও রয়েছে। বর্তমানে শুল্ক বাবদ ওরা বিপুল অর্থ ব্যয় করছে। কিন্তু এটা কমানোরও সুযোগ রয়েছে। সেক্ষেত্রে তাদের তরফে আমাদেরও কিছু দিতে হবে। এটা কোনওভাবেই একমুখী হতে পারে না। অন্যথায় যে পরিমাণ শুল্ক চাপবে তাতে ওরা (চিন) আর আমেরিকায় ব্যবসা করতে পারবে না।”

উল্লেখ্য, চিনের সঙ্গে আমেরিকার এই দ্বন্দ্বের মূল কারণ হল বিরল খনিজ। এই খনিজ রপ্তানির উপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে চিন। ৯ অক্টোবর চিনের তরফে জারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, ০.১ শতাংশের বেশি বিরল খনিজ পদার্থ রয়েছে এমন পণ্য রপ্তানি করতে গেলে সরকারের অনুমতি নিতে হবে। বিদেশি সামরিক ব্যবহারের জন্য বিরল খনিজ রপ্তানি করা যাবে না। নতুন কিছু খনিজও যুক্ত হয়েছে নিষেধাজ্ঞা তালিকায়। এতেই বিপাকে পড়েছে আমেরিকা। কারণ আধুনিক পৃথিবীর মূল চালিকাশক্তি হল বিরল খনিজ। প্রযুক্তি ক্ষেত্রকে এই খনিজ ছাড়া ভাবা যায় না। অত্যাধুনিক সামরিক অস্ত্রের ভুল ভিত্তি এই খনিজ। এদিকে বর্তমানে বিরল খনিজে বিশ্বের একচ্ছত্র অধিপতি হয়ে উঠেছে চিন। ২০২৫ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বিরল খনিজ মজুত রয়েছে চিনে। ৪৪ মিলিয়ন মেট্রিক টন, দ্বিতীয় স্থানে ব্রাজিলে রয়েছে ২১ মিলিয়ন মেট্রিক টন, তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারতে ৬.৯ মিলিয়ন মেট্রিক টন। তবে চিন বিশ্বের ৭০% বিরল খনিজ খনন এবং ৯০ শতাংশের বেশি প্রক্রিয়াকরণ নিয়ন্ত্রণ করে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.