Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৬ জুলাই ২০২৬
Donald Trump

‘পানামা, গ্রিনল্যান্ডের দখল নিয়ে তবে থামব’, চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন ট্রাম্প

'যে কোনও উপায়ে হোক দখল আমরা নেবই', হুঁশিয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্টের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৫, ২০২৫, ১৩:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৫, ২০২৫, ১৩:৩৮

options
link
‘পানামা, গ্রিনল্যান্ডের দখল নিয়ে তবে থামব’, চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন ট্রাম্প zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আর নরম সুরে বার্তা নয়, এবার সরাসরি চ্যালেঞ্জ মার্কিন প্রেসিডেন্টের। মঙ্গলবার মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়ে দিলেন, ‘যে কোনও উপায়ে হোক পানামা, গ্রিনল্যান্ডের দখল নিয়ে তবে থামব আমরা।’ ট্রাম্পের এহেন হুঁশিয়ারিতে নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথ পানামা ক্যানেলে চিনা আধিপত্য বাড়ছে বলে আগেই অভিযোগ করেছিলেন ট্রাম্প! হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন প্রশান্ত এবং অতলান্তিক মহাসাগরকে যুক্ত করা এই খাল পরিচালনায় চিনের খবরদারি বরদাস্ত করা হবে না। যদি পানামা প্রশাসন সঠিকভাবে এই খাল পরিচালনা করতে না পারে সেক্ষেত্রে আমেরিকা সেটি ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি জানাবে। তবে ট্রাম্পের সেই প্রস্তাব খারিজ করেছিল পানামা সরকার। এবার মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে কড়া সুরে ট্রাম্প বললেন, “আমাদের নিরাপত্তার খাতিরেই আমরা পানামা খাল পুনরুদ্ধার করব। এবং সেই কাজ আমরা ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

একইসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, “এই খাল মার্কিন প্রশাসন কানাডা সরকারকে মাত্র ১ ডলারে দিয়েছিল। তবে সেই চুক্তি লঙ্ঘন করা হয়েছে। আমরা ওই খাল চিনকে দেইনি। আমরা পানামাকে দিয়েছিলাম। তাই এই খাল আবার ফেরত নিতে চলেছি আমরা।” উল্লেখ্য, ১৯১৪ সালে আমেরিকা এই খাল নির্মাণের পর দীর্ঘ বছর পানামা ও আমেরিকা যৌথভাবে খালটি পরিচালনা করে পরে ১৯৯৯ সালে খালটি পুরোপুরি পানামা সরকারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্য দিয়ে নির্মিত দুই মহাসাগরের সংযোগ পথ পানামা খাল বিশ্ব বাণিজ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

পানামা খালের পাশাপাশি গ্রিনল্যান্ড সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, “যে কোনও উপায়েই হোক গ্রিনল্যান্ড আমরা পাবই।” গ্রিনল্যান্ডের জনগণের উদ্দেশে ট্রাম্পের বার্তা, “আপনাদের সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্নকে আমরা সমর্থন করি। যার জন্যই আপনাদের আমেরিকায় স্বাগত জানাচ্ছি আমরা। জাতীয় নিরাপত্তা এমনকি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার স্বার্থে গ্রিনল্যান্ড আমাদের প্রয়োজন। এবং যে কোনও উপায়েই হোক গ্রিনল্যান্ড আমরা নেবই। এখানকার নাগরিকদের আমরা নিরাপদে রাখব ও আমাদের দেশের নাগরিক হওয়ার পর আপনারা আরও ধনী হয়ে উঠবেন। আমরা গ্রিনল্যান্ডকে এমন উচ্চতায় নিয়ে যাব যা আপনারা আগে কখনও কল্পনাও করেননি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.