Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৭ জুলাই ২০২৬
Donald Trump

ব্যর্থতা ফাঁস! ইরান হামলার গোপন রিপোর্ট প্রকাশ হতেই তেলেবেগুনে জ্বলে উঠলেন ট্রাম্প

'দেশকে দুর্বল করার ষড়যন্ত্র', তোপ ট্রাম্পের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৫, ২০২৫, ১১:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৫, ২০২৫, ১১:২৩

options
link
ব্যর্থতা ফাঁস! ইরান হামলার গোপন রিপোর্ট প্রকাশ হতেই তেলেবেগুনে জ্বলে উঠলেন ট্রাম্প zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডোনাল্ড ট্রাম্প সাফল্যের বুক বাজালেও বাস্তবে মার্কিন হামলায় ইরানের বিশেষ কোনও ক্ষতিই হয়নি। সম্প্রতি পেন্টাগনের এমনই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম। গোপন এই রিপোর্ট আসতেই তেলেবেগুনে জ্বলে উঠলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এই রিপোর্টকে মিথ্যা ও দেশকে দুর্বল করার ষড়যন্ত্র বলে দাবি করলেন তিনি।

পেন্টাগনের আধিকারিকদের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে সম্প্রতি ইরানে মার্কিন হামলার এক রিপোর্ট তুলে ধরে সংবাদমাধ্যম সিএনএন। যেখানে দাবি করা হয়, মার্কিন বাঙ্কার ব্লাস্টার বোমায় ইরানের পরমাণু ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে ঠিকই, তবে তাতে ইরানের পারমাণবিক প্রকল্প কয়েক মাস পিছিয়ে যাওয়া ছাড়া খুব বিশেষ ক্ষতি হয়নি। এদিকে মার্কিন হামলার আগেই অন্তত ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে ফেলে ইরান। যা দিয়ে তৈরি হতে পারে ১০টি পরমাণু বোমা। এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই প্রশ্ন ওঠে ট্রাম্পের দাবি নিয়ে। এর পালটা সোশাল মিডিয়ায় তোপ দেগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লেখেন, ‘সিএনএন ও নিউইয়র্ক টাইমস শুধু মিথ্যা ছড়াচ্ছে না। এই ধরনের প্রতিবেদন দেশকে দুর্বল করার ষড়যন্ত্র। এই দুই সংবাদমাধ্যম মিলিতভাবে ইতিহাসের সবচেয়ে সফল সামরিক অভিযানকে বদনাম করার চেষ্টা করছে। ইরানের পরমাণু ঘাঁটি পুরোপুরি নষ্ট হয়েছে।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিকে এই হামলার পর মার্কিন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়, হামলার পেন্টাগনের তরফে একাধিক ছবি প্রকাশ করা হয়। সেখানেই স্পষ্ট যে ফরদোতে হামলা চালানো হলেও তাতে বিশেষ ক্ষতি হয়নি। এই কেন্দ্র জাগ্রোস পর্বতমালার ৪৫ থেকে ৯০ মিটার অর্থাৎ ১৫০ থেকে ৩০০ ফুট নিচে অবস্থিত। চলতি বছরের শুরুতেই ফরদোর ভৌগলিক অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল পেন্টাগন। যেখানে দাবি করা হয়, ৩০ হাজার পাউন্ডের GBU-57 বাঙ্কার ব্লাস্টার দিয়েও এই ঘাঁটি ধ্বংস করা যাবে না। একইসঙ্গে পেন্টাগনের দুই আধিকারিকের বয়ান তুলে ধরে সংবাদমাধ্যমের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই হামলায় বড়জোর ইরানের পারমাণবিক প্রকল্প কয়েকমাস পিছিয়ে যাবে তার বেশি কিছু নয়। স্বাভাবিকভাবেই গোটা ঘটনায় বিতর্ক চরম আকার নিয়েছে। এই ডামাডোলের মাঝে মুখ খুলেছে হোয়াইট হাউস।

বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক চরম আকার নিতেই হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়েছে, ‘এই ধরনের বক্তব্যের অর্থ হল রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের অপমান। যে সাহসি পাইলটরা ইরানে ঢুকে হামলা চালাল তাঁদের অপমানের প্রচেষ্টা। এরা সকলেই ইরানের পরমাণু ঘাঁটি পুরোপুরি ধ্বংস করার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছেন।’ পাশাপাশি আরও জানানো হয়েছে, ‘এটা কারও জানতে বাকি নেই যে ৩০ হাজার পাউন্ডের বোমায় যদি কোথাও হামলা চালানো হয় তাহলে সেই জায়গার কী অবস্থা হয়।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.