Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
Donald Trump

‘একটা বাচ্চাও বুঝবে’, খুনের হুমকির পোস্ট ঘিরে প্রাক্তন এফবিআই কর্তার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ট্রাম্প

বিতর্কে পড়ে পোস্টটি মুছেও ফেলেছেন অভিযুক্ত জেমস কমির।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৭, ২০২৫, ১০:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৭, ২০২৫, ১০:৪৮

options
link
‘একটা বাচ্চাও বুঝবে’, খুনের হুমকির পোস্ট ঘিরে প্রাক্তন এফবিআই কর্তার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ট্রাম্প zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাদা বালির উপরে হলুদ-কালো পাথর জড়ো করে লেখা ৮৬৪৭। আর এই ছবি ঘিরেই ঘনাচ্ছে রহস্য। বলা হচ্ছে, এটা স্রেফ চারটি সংখ্যামাত্র নয়। এর মধ্যে অন্তর্নিহিত রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুনের হুমকি-বার্তা! যদিও ছবিটি পোস্ট করা প্রাক্তন এফবিআই প্রধানের দাবি, তাঁকে ভুল বোঝা হচ্ছে। এহেন বিতর্কের মাঝেই এবার এই নিয়ে মুখ খুললেন খোদ ট্রাম্প। জানিয়ে দিলেন, তিনি মোটেই এই যুক্তি মানছেন না। তাঁর স্পষ্টই ইঙ্গিত, ওই ব্যক্তি ক্ষমা চাইছেন, কেননা তিনি জানেন তিনি দোষী।

শুক্রবার ফক্স নিউজকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ট্রাম্প। আর সেই সময়ই তাঁকে ওই পোস্ট নিয়ে বলতে শোনা যায়, ”উনি ভালো করেই জানেন কী বলতে চাইছেন। একটা বাচ্চাও বুঝবে। আর এফবিআই কর্তা হিসেবে যদি আপনি বলেন বুঝতে পারেননি, তার মানেই হল খুন! যাক, উনি ক্ষমা চেয়েছেন কারণ ধরা পড়ে গিয়েছেন। খুব খারাপ একজন মানুষ!” প্রসঙ্গত, ট্রাম্পের কড়া সমালোচক হিসেবেই পরিচিত জেমস কমির। এবার তাঁর বিরুদ্ধেই বিতর্ক গড়াতে শুরু করেছে।

Advertisement

কী অর্থ ওই রহস্যসংখ্যার? আসলে আমেরিকায় ৮৬ সংখ্যাটি সাধারণ ভাবে ব্যবহৃত হয় অশ্লীল ভাবে কাউকে সরিয়ে দেওয়া বা তার থেকে রেহাই পাওয়ার কথা বলতে। অন্যদিকে ৪৭ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য প্রযোজ্য সাংকেতিক কোড। কেননা তিনি আমেরিকার ৪৭তম প্রেসিডেন্ট। ফলে এই দুই সংখ্যার জোড়কে পাশাপাশি বসিয়ে ট্রাম্প অনুরাগীদের দাবি, এখানে ট্রাম্পকে হিংস্রতার সঙ্গে মসনদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। অর্থাৎ খুন করার কথাই বলা হয়েছে।

জেমস আত্মপক্ষ সমর্থনে বলেছেন, ”আমি একটা ছবি শেয়ার করেছিলাম। সৈকতে হাঁটতে বেরিয়ে পাথরগুলোকে আমি দেখেছিলাম। মনে হয়েছিল এটা কোনও রাজনৈতিক বার্তা। ভাবতে পারিনি কেউ কেউ একে হিংসার সঙ্গে জড়িয়ে ফেলবেন। আমি হিংসার বিরোধী। তাই পোস্টটি সরিয়ে নিয়েছি।” এবার এই বিতর্কে মুখ খুললেন ট্রাম্পও। এখন দেখার মার্কিন প্রশাসনের তরফে জেমস কমিরের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হয় কিনা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.