সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১১ সেপ্টেম্বর ২০০১। আমেরিকার মাটিতে ঘটে সেই দেশের ইতিহাসের বড় সন্ত্রাসবাদী হামলা। ২৪ বছর বাদে ঠিক সেই দিনেই খেলার মাঠে দেখা গেল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। নিউ ইয়র্ক ইয়াঙ্কিসের খেলা দেখতে মাঠে যান তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই পদক্ষেপে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার ঝড় উঠেছে দেশজুড়ে। পাশাপাশি মাঠে উপস্থিত জনতার কট্টাক্ষের মুখেও পড়তে হয় তাঁকে।
বৃহস্পতিবার পেন্টাগনে ৯/১১ হামলায় নিহতদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পরেই মাঠে পৌঁছন ট্রাম্প। নিউ ইয়র্ক ইয়াঙ্কিসের খেলা দেখতে এসে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের স্মৃতি উসকে দেওয়ার চেষ্টা করেন। ২৪ বছর আগে ভয়াবহ সন্ত্রাসবাদী হামলার পরেও ইয়াঙ্কিসের খেলা দেখতে গিয়েছিলেন বুশ। বিরাট ধাক্কা সামলে আমেরিকাও যে ঘুরে দাঁড়াতে পারে, সেই বার্তা দিতেই বুশ গিয়েছিলেন খেলার মাঠে। যদিও বুশকে অনুকরণ করে জনতার সমর্থন পাওয়ার এই চেষ্টা খুব বেশি সফল হয়নি বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।
বৃহস্পতিবার ট্রাম্পের বসার জন্য মাঠ কর্তৃপক্ষ বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা করে। মাঠে পৌঁছে জনতার দিকে কিছুক্ষণ হাত নাড়িয়ে থাম্বস আপ দেখান তিনি। কিছু সেই সময় মাঠে থাকা দর্শকরা তাঁকে লক্ষ করেননি। কারণ তাঁর আসার বিষয়ে কোনও ঘোষণা করা হয়নি কর্তৃপক্ষের তরফে। জাতীয় সঙ্গীত চলাকালীন ট্রাম্পকে স্টেডিয়ামের জাম্বোট্রনে দেখানো হয়। সেই সময় বেশিরভাগ জনতাই তাঁর প্রতি বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখান। বরং ৯/১১কে স্মরণ করেই বেশিরভাগ জনতা ‘ইউএসএ, ইউএসএ’ ধ্বনি দেন। প্রত্যেক বছরের মতই ‘টেক মি আউট টু দ্য বলগেম’ এবং ‘গড ব্লেস আমেরিকা’ গেয়ে দিনটিকে স্মরণ করে ইয়াঙ্কিসরা এবং প্রথম পিচের আগে তারা এক মিনিট নীরবতা পালন করে। ইয়াঙ্কি স্টেডিয়ামের স্কোরবোর্ডে আমেরিকার পতাকার উপরে এমএলবি লোগো এবং ‘১১ সেপ্টেম্বর, ২০০১, আমরা ভুলবো না’ লেখা ভেসে ওঠে।
সর্বশেষ খবর
-
ধার শোধ করতে চুরি! ১০ লাখ হাতিয়ে গ্রেপ্তার এটিএমের নিরাপত্তারক্ষী
-
কলম ক্যামেরায় নার্সদের পোশাক বদলের ভিডিও রেকর্ড! গ্রেপ্তার অভিযুক্ত ডাক্তার, তুমুল উত্তেজনা ইটাহারে
-
আফগানিস্তানের প্রত্যাঘাত, পাকিস্তানে ভয়ংকর এয়ারস্ট্রাইক তালিবানের, ধ্বংস বহু আইএস ঘাঁটি
-
নিজ দেশে বর্ণবিদ্বেষের শিকার! মেক্সিকোর জয়ে নায়ক সেই কুইনোনেস, শেষ ষোলোয় কার বিরুদ্ধে কে?
-
বিশ্ববাজারে দর পড়েছে জ্বালানির, ২ বছরে প্রথমবার দেশে পেট্রল-ডিজেলের দাম কমাল এই সংস্থা