Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Donald Trump

রুশ তেল কেনায় ৫০০ শতাংশ শুল্কের খাঁড়া! ভারতের উপর চাপ বাড়িয়ে নয়া বিলে অনুমোদন ট্রাম্পের

এই বিল পাশ হলে ধাক্কা খাবে চিনও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ১৪:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ১৪:৩০

options
link
রুশ তেল কেনায় ৫০০ শতাংশ শুল্কের খাঁড়া! ভারতের উপর চাপ বাড়িয়ে নয়া বিলে অনুমোদন ট্রাম্পের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জট না কাটায় হয়নি বাণিজ্যচুক্তি। তার উপর রশিয়া থেকে তেল কেনায় ভারতের উপর চড়া হারে শুল্ক চাপিয়েছে আমেরিকা। এই পরিস্থিতিতে রুশ তেল নিয়ে আরও কড়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলির উপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে হোয়াইট হাউস! সম্প্রতি এই সংক্রান্ত একটি বিল পাশের কথা চলছিল আমেরিকায়। এবার সেই বিলে অনুমোদন দিলেন ট্রাম্প। এই বিল পাশ হলে ভারত ও চিনের বাণিজ্যে বিরাট ধাক্কা খাবে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, বর্তমানে নিজ দেশের চাহিদা মেটাতে রাশিয়া থেকে ৭০ শতাংশ জ্বালানি তেল কেনে ভারত ও চিন।

রিপাকলিকান সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম জানিয়েছেন, বেশ কয়েকমাস ধরেই বিলটি নিয়ে আলোচনা চলছিল। বুধবার এই নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকও হয়। সেই বৈঠকেই তিনি বিলটি পাশের আনুমোদন দিয়েছেন। বিল পাশের এটিই আদর্শ সময়। ইউক্রেন শান্তিচুক্তির পক্ষে। কিন্তু রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মুখে যুদ্ধবিরতির কথা বললেও নিরীহদের হত্যা করছেন। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া থেকে বহু দেশ কম পয়সায় তেল কিনে পুতিনের যুদ্ধের মেশিনে তেল যোগাচ্ছে। এই বিলটি পাশ হলে সেই দেশগুলিকে শাস্তির মুখে পড়তে হবে। আগামী সপ্তাহেই মার্কিন সেনেটে বিলটি নিয়ে ভোটাভুটি হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।

Advertisement

বর্তমানে নিজ দেশের চাহিদা মেটাতে রাশিয়ার ৭০ শতাংশ জ্বালানি তেল কেনে ভারত ও চিন। এই জ্বালানি তেল ও গ্যাসের বড় গ্রাহক ব্রাজিল-সহ আরও একাধিক দেশ। মার্কিন নেতারা মনে করছেন, ভারত ও চিনের এই জ্বালানি তেল কেনা রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধে পুতিনের ‘ব্যাক বোন’ হিসেবে কাজ করছে। ফলে ইউক্রেনের পাশে দাঁড়াতে গেলে এদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা জরুরি। 

উল্লেখ্য, আমেরিকায় ক্ষমতায় আসার পরই রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে তৎপর হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পুতিনের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা হলেও এ বিষয়ে খুব একটা সাফল্য মেলেনি আমেরিকার। নিজেকে ‘শান্তির দূত’ হিসাবে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে এই যুদ্ধ থামানোই ট্রাম্পের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তাই যে কোনওভাবে রুশ প্রেসিডেন্টকে আলোচনার টেবিলে আনতেই কোমর বেঁধে নেমেছে আমেরিকা। সেই লক্ষ্যে রাশিয়ার ব্যবসা বন্ধ করে আর্থিকভাবে পুতিনের উপর চাপ সৃষ্টি করতেই ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.