গত মাসে ন্যাটোর সম্মেলন চলাকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুনের ছক (Donald Trump Assassination Plot) করেছিল ইরান। এমনই একটি খবরকে কেন্দ্র বেশ কয়েকদিন ধরেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রাণ বাঁচাতে খাবারের গাড়িতে লুকিয়ে, অন্য বিমানে করে তুরস্কের আঙ্কারা থেকে তিনি ওয়াশিংটন ফেরেন। তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ট্রাম্পের তুরস্ক সফরের সময়ই আমেরিকার প্রেসিডেন্টকে সতর্ক করে ইজরায়েল। তারা জানায়, বিমানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে ট্রাম্পকে খুনের ছক কষেছে তেহরান।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন-ইজরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয় সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের। তাঁকে হত্যার নিখুঁত পরিকল্পনা করে ইজরায়েলি গুপ্তচর সংস্থা মোসাদ। পাঁচ মাস পর এই মোসাদই ইরানের পরিকল্পনা ভন্ডুল করল। কিন্তু কীভাবে তেহরানের ষড়যন্ত্রের কথা জানতে পারল ইজরায়েলি গুপ্তচর সংস্থা? একটি সূত্রের দাবি, , ইরান সরকারের ভিতর থেকেই কেউ বা কারা ট্রাম্পকে খুনের নীলনকশা মোসাদকে পাঠিয়ে দিয়েছিল। তারপরই কেল্লাফতে। মোসাদ সেই গোপন খবর পৌঁছে দেয় মার্কিন সিক্রেট সার্ভিসের আধিকারিকদের কাছে। এর জেরেই প্রাণে বাঁচেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, কাতারের রাজপরিবারের উপহার দেওয়া বিমানে করে ন্যাটো সম্মেলন থেকে ফেরার কথা ছিল ট্রাম্পের। কিন্তু শেষ মুহূর্তে দেখা যায়, পুরনো এয়ার ফোর্স ওয়ানে চেপেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যদিও শেষ পর্যন্ত ওই বিমানেও যাত্রা করেননি ট্রাম্প। ক্যামেরার সামনে দেখা যায়, এয়ার ফোর্স ওয়ানে উঠছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেখান থেকেই নাটকীয়তার শুরু। একেবারে গোপনে এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকে নামিয়ে আনা হয় ট্রাম্পকে। চুপিসারে একটি খাবারের গাড়িতে বসিয়ে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বিমানবন্দরের অন্যদিকে। সেখানে অপেক্ষা করছিল অপেক্ষাকৃত ছোট সি-৩২এ সামরিক বিমান। শেষ পর্যন্ত ওই বিমানে চেপে তুরস্ক ছাড়েন ট্রাম্প।
সর্বশেষ খবর
-
‘উন্নতি করো, নয়তো বাদ পড়তে হবে’, উইকেটরক্ষককে সোজা বলে দিলেন গিল-গম্ভীররা
-
‘যদি কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকি…’, নেতাজি প্রসঙ্গে কুমন্তব্য নিয়ে ‘সুরবদল’ অনন্ত মহারাজের
-
সিদ্ধার্থ নন, গর্ভবতী কিয়ারার ‘রক্ষাকবচ’ জনপ্রিয় অভিনেতা! প্রকাশ্যে কোন সত্যি?
-
ভারত বধে ওঁত পেতে রয়েছেন কিংস অফ গল, জোড়া স্পিনারের সামনে গুরু গম্ভীরের কঠিন পরীক্ষা
-
চিনকে শুল্ক ফাঁকি দিতে ‘ছায়া-বাণিজ্য’, ভারত-সহ ৪০ দেশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ট্রাম্প প্রশাসন