Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৫ জুন ২০২৬
Crude Oil

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ থামার ইঙ্গিত মিলতেই বিশ্ববাজারে হু হু করে পড়ল তেলের দাম, ‘আশার আলো’ দেখছে ভারত

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম 'বিবিসি' জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, "আমরা এইমাত্র ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের একটি চমৎকার সমঝোতা করেছি।” তিনি সাংবাদিকদের বলেন, "যুদ্ধবিরতির খসড়া নথিপত্র চূড়ান্ত। যা আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত হয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানটি সম্ভবত ইউরোপের কোনও দেশে হবে।" সূত্রের দাবি, জেনেভাতে হতে পারে এই চুক্তি স্বাক্ষর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৩, ২০২৬, ১৫:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৩, ২০২৬, ১৫:৩৩

options
link
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ থামার ইঙ্গিত মিলতেই বিশ্ববাজারে হু হু করে পড়ল তেলের দাম, ‘আশার আলো’ দেখছে ভারত zoom
বিশ্ববাজারে এক ধাক্কায় অনেকটা কমল অপরিশোধিত তেলের দাম। প্রতীকী ছবি।

শুক্রবার পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ থামার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, তেহরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির খসড়া চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। এ সপ্তাহের মধ্যেই চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। শুধু তাই নয়, হরমুজ প্রণালীও খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পরই আন্তর্জাতিক বাজারে হু হু করে পড়ল অপরিশোধিত তেলের দাম, যা দু’মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। এরপরই আশার আলো দেখতে শুরু করেছে ভারত।

শুক্রবার বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম এক ধাক্কায় প্রায় ৪ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ব্যারেল প্রতি ৮৫ ডলারের নিচে নেমে যায়। যদিও পরে কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় প্রায় ৮৭.৫০ ডলারে। যুদ্ধ শুরুর আগে অপরিশোধিত তেলের দাম ছিল ব্যারেল প্রতি প্রায় ৭০ ডলার। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তি হলে তার বড় প্রভাব পড়তে পারে ভারতের অর্থনীতিতে। কারণ, ভারত বিশ্বের অন্যতম বড় তেল আমদানিকারক দেশ। হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও এলপিজি ভারতে প্রবেশ করে। সুতরাং এই পথ স্বাভাবিক হলে কমতে পারে ভারতের জ্বালানি আমদানি খরচ। এর ফলে কমবে পেট্রোল-ডিজেলের দাম। পাশাপাশি, অর্থনীতির উপর থেকেও কিছুটা চাপ কমবে। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘বিবিসি’ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, “আমরা এইমাত্র ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের একটি চমৎকার সমঝোতা
করেছি।” তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “যুদ্ধবিরতির খসড়া নথিপত্র চূড়ান্ত। যা আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত হয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানটি সম্ভবত ইউরোপের কোনও দেশে হবে।” সূত্রের দাবি, জেনেভাতে হতে পারে এই চুক্তি স্বাক্ষর। সূত্রের খবর, এই চুক্তি অনুযায়ী, হরমুজ পুরোপুরি খুলে দেওয়া হবে, এই জলপথে আমেরিকা তাদের নৌ-অবরোধ তুলে নেবে। অন্যদিকে, ইরানের তার পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে গুটিয়ে ফেলবে এবং তাদের হাতে থাকা সমস্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।

যদিও ট্রাম্পের এই দাবি খারিজ করে দিয়েছে ইরান। তেহরান জানিয়েছে, চুক্তির খবরটি অনুমানমূলক। কোনও কিছুই চূড়ান্ত হয়নি। আসলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট অতীতেও একই ধরনের দাবি করেছেন। সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর অন্তত ৩৮ বার এমন ঘোষণা করেছেন তিনি, যা তাঁর কৌশল বলেও অনেকে মনে করছেন। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ও যুদ্ধ বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন বারবার চুক্তি নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আসলে ইরানের উপর চাপ তৈরি করতে চাইছেন।

বিশ্লেষকদের একাংশের আশঙ্কা, শান্তি চুক্তি হলেও তা যে কোনও সময়ে ভেঙে যাতে পারে। তাঁদের মতে, জুলাইয়ের শেষ নাগাদ হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১২০ থেকে ১৩০ ডলারে উঠে যেতে পারে। যার ফলে অনিশ্চয়তার মেঘে ভারত-সহ গোটা বিশ্ব ঢেকে যাবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.