Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
Mojtaba Khamenei

কোনও হদিশ নেই! মোসাদ, সিআইএ-র বাঘা বাঘা গোয়েন্দাদের ঘোল খাইয়ে কোথায় লুকিয়ে মোজতবা?

কখনও শোনা গিয়েছে ইরানের গোপন আস্থানায় গা ঢাকা দিয়ে রয়েছেন। আবার দাবি করা হয়েছে, ইরান ছেড়ে অন্যত্র চলে গিয়েছেন। গত ৫ মাস ধরে ইরানের সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনেই কার্যত ঘোল খাইয়ে ছেড়েছেন মোসাদ, সিআইএ-র মতো সংস্থার বাঘা বাঘা গোয়েন্দাদের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩১, ২০২৬, ১৯:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩১, ২০২৬, ১৯:৪৬

options
link
কোনও হদিশ নেই! মোসাদ, সিআইএ-র বাঘা বাঘা গোয়েন্দাদের ঘোল খাইয়ে কোথায় লুকিয়ে মোজতবা? zoom
মোজতবা খামেনেইকে খোঁজে হন্যে হয়ে খুঁজছে সিআইএ, মোসাদ ।
Advertisement

কখনও শোনা গিয়েছে ইরানের গোপন আস্থানায় গা ঢাকা দিয়ে রয়েছেন। আবার দাবি করা হয়েছে, ইরান ছেড়ে অন্যত্র চলে গিয়েছেন। গত ৫ মাস ধরে ইরানের সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনেই কার্যত ঘোল খাইয়ে ছেড়েছেন মোসাদ, সিআইএ-র মতো সংস্থার বাঘা বাঘা গোয়েন্দাদের। মোজতবার অবস্থান জানতে দুই গোয়েন্দা সংস্থা উঠেপড়ে লাগলেও কোনও হদিশ মেলেনি তাঁর। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে তবে কি হাওয়ায় মিলিয়ে গেলেন মোজতবা?

আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় পিতা আয়াতোল্লা আলি খামানেইয়ের মৃত্যুর পর ইরানের সুপ্রিম লিডারের দায়িত্ব নেন ৫৬ বছরের মোজতবা। তবে পদে বসার পর থেকে গত ৫ মাসে একবারও জনসমক্ষে দেখা যায়নি তাঁকে। কোথায় তিনি রয়েছেন সে বিষয়েও স্পষ্ট কোনও তথ্য নেই। এই পরিস্থিতিতে মোজতবাকে খুঁজতে গোপনে উচ্চপর্যায়ের অভিযান শুরু করেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ ও ইজরায়েলের মোসাদ। দাবি করা হচ্ছে, মোজতবা সম্পর্কে শেষ যে তথ্য সামনে এসেছিল তা হল, ফেব্রুয়ারি মাসের সেই হামলায় তিনি গুরুতরভাবে আহত। ব্যাস এইটুকুই। তাঁর কোনও ডিজিটাল পদচিহ্ন পর্যন্ত নেই। যার জেরে তাঁকে খুঁজে পাওয়া কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

Advertisement

খামেনেইয়ের কড়া নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল মাধ্যম থেকে নিজেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় সিআইএ ও মোসাদ তাঁকে ট্র্যাক করতে পারছে না।

রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, খামেনেইয়ের কড়া নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল মাধ্যম থেকে নিজেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় সিআইএ ও মোসাদ তাঁকে ট্র্যাক করতে পারছে না। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, ‘এই ৫ মাস ধরে কোনও ফোন নেই, ল্যাপটপ নেই এবং কোনও ডিজিটাল চিহ্নটুকুও নেই।’ তবে এই সময়কালে মধ্যে বেশ কয়েকটি লিখিত বিভ্রিতি দিয়েছেন মোজতবা। আইআরজিসি-তে নিজের বিশ্বস্ত সহযোগীদের মাধ্যমে শুধুমাত্র হাতে লেখা নোট শেয়ার করছেন তিনি। এর ফলে তাঁর অবস্থান শনাক্ত করা অসম্ভব হয়ে উঠেছে। মাঝে অবশ্য একটি জল্পনা শুরু হয়েছিল মোজতবাকে ইরান থেকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যদিও তার সত্যতা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে।

এই অবস্থায় গোয়েন্দাদের অনুমান, হতে পারে মোজতবা তেহরানের অত্যন্ত সুরক্ষিত কোনও গোপন বাঙ্কারে লুকিয়ে রয়েছেন। এমনও দাবি করা হচ্ছে, ইরানের পবিত্র শহর কোমের কাছে কোনও সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নিজের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। আমেরিকার নজর যে তাঁর উপর রয়েছে তা বেশ জানেন মোজতবা। যার জেরে পিতার শেষকৃত্যেও যোগ দেননি তিনি। কিন্তু তিনি যে ইরানেই কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে রয়েছেন তা কার্যত নিশ্চিত গোয়েন্দা বিভাগ। এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেস্কিয়ান সম্প্রতি সুপ্রিম লিডারের সঙ্গে সাক্ষাতের দাবি করেছেন। যদিও তাঁর দাবির সমর্থনে কোনও অকাট্য প্রমাণ নেই।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.