Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Dalai Lama Succession

দলাই লামার উত্তরসূরি বাছাইয়ে হস্তক্ষেপ নয়! ভারতকে হুঁশিয়ারি চিনের

১৯৫৯ সালে চিনা হানাদার বাহিনীর হাত থেকে বাঁচতে তিব্বত থেকে দলবল সমেত পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন বর্তমান দলাই লামা। তারপর থেকেই তাঁকে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ বলে মনে করে বেজিং। দলাই লামা বহুবার ভারতের সাহায্য নিয়ে চিনের হাত থেকে তিব্বতকে স্বাধীন করার চেষ্টা করেছেন। সেই নেহরুর আমল থেকেই তাঁকে নিয়ে ভারতের সঙ্গে চিনের কূটনৈতিক টানাপোড়েন চলেছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৫, ২০২৬, ১৯:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৫, ২০২৬, ১৯:৫২

options
link
দলাই লামার উত্তরসূরি বাছাইয়ে হস্তক্ষেপ নয়! ভারতকে হুঁশিয়ারি চিনের zoom
দলাই লামাকে নিয়ে ফের সংঘাতে ভারত-চিন।
Advertisement

দলাই লামাকে (Dalai Lama Succession) নিয়ে ফের সংঘাতে ভারত-চিন! বৌদ্ধ ধর্মগুরুর উত্তরসূরি বাছাই নিয়ে নয়াদিল্লিকে হুঁশিয়ারি দিল বেজিং। তারা জানিয়ে দিয়েছে, দলাই লামার উত্তরসূরি বাছাইয়ে কোনও বাহ্যিক হস্তক্ষেপ তারা মেনে নেবে না। কারণ, এটি সম্পূর্ণরূপে চিনের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার শুধু চিনা সরকারেরই রয়েছে।

রবিবার ভারতে চিনা দূতাবাসের মুখপাত্র ইউ জিং সমাজমাধ্যমে বলেন, “দলাই লামার উত্তরসূরি নির্বাচন বহু শতাব্দীর ধর্মীয় রীতি এবং তা ঐতিহাসিক প্রথা অনুযায়ী হয়। গোটা প্রক্রিয়াটি চিন সরকারের অনুমোদনের ভিত্তিতে হয়।” তাঁর দাবি, বর্তমান ১৪তম দলাই লামাকেও একই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, “তথাকথিত সেন্ট্রাল টিবেটান অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কোনও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নেই। তাই তাদের তিব্বতি জনগণের প্রতিনিধিত্ব করার কোনও বৈধতা নেই। ফলে তারা দলাই লামার উত্তরসূরি নির্বাচন নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে পারে না।” উল্লেখ্য, আগামী ২৭ মে ধর্মশালায় সেন্ট্রাল টিবেটান অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রধান পেনপা সেরিং দ্বিতীয়বারের জন্য শপথ নিতে চলেছেন। সেখানে উপস্থিত থাকার কথা বর্তমান দলাই দামার। তার আগে চিনা আধিকারিকের এহেন মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মত বিশ্লেষকদের। চিনা দূতাবাসের তরফে জারি করা একটি বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘আমরা আশা করি, ভারত তার প্রতিশ্রুতিগুলি রক্ষা করবে। তিব্বতের স্বাধীনতা’র পক্ষে প্রচারকারী কোনও কার্যকলাপকে প্রশ্রয় দেবে না এবং দলাই লামার উত্তরসূরি নির্বাচনেও হস্তক্ষেপ করবে না।’

Advertisement

১৯৫৯ সালে চিনা হানাদার বাহিনীর হাত থেকে বাঁচতে তিব্বত থেকে দলবল সমেত পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন বর্তমান দলাই লামা। তারপর থেকেই তাঁকে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ বলে মনে করে বেজিং। দলাই লামা বহুবার ভারতের সাহায্য নিয়ে চিনের হাত থেকে তিব্বতকে স্বাধীন করার চেষ্টা করেছেন। সেই নেহরুর আমল থেকেই তাঁকে নিয়ে ভারতের সঙ্গে চিনের কূটনৈতিক টানাপোড়েন চলেছে। সেই টানাপোড়েনের মাত্রা যে এতটুকু কমেনি তা বারবার প্রমাণ হয়ে গিয়েছে। সেক্ষেত্রে ভারতের প্রতিই কৃতজ্ঞতা প্রদর্শন করেছেন তিনি। তবে মৃত্যুর আগে একবার তিব্বতে ফেরার ইচ্ছের কথাও বলতে গিয়েছে তাঁকে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.