Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
China

সমুদ্র পাহারা দেবে মাছের ঝাঁক! শত্রুকে সমঝে দিতে অত্যাধুনিক ‘ড্রাগন ফিশ’ তৈরি চিনের

এই ধরনের একাধিক রোবট জলের নিচে একসঙ্গে কাজ করতে পারে। নিজেদের কাজ ভাগ করে নিতে পারে এবং একে অপরকে সংকেত পাঠাতে পারে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬, ১৮:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬, ১৮:৩২

options
link
সমুদ্র পাহারা দেবে মাছের ঝাঁক! শত্রুকে সমঝে দিতে অত্যাধুনিক ‘ড্রাগন ফিশ’ তৈরি চিনের zoom
এআই ছবি।
Advertisement

প্রথম দর্শনে আর পাঁচটা সাধারণ মাছের সঙ্গে এর বিশেষ ফারাক নেই। ভালো করে খুঁটিয়ে দেখলে তবেই নজরে আসতে পারে সামান্য পার্থক্য। সমুদ্র শাসনের লক্ষ্যে সম্প্রতি এমনই এক অদ্ভুত মাছ তৈরি করেছে চিন (China)। সম্প্রতি বেজিংয়ের এক অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত হয়েছে চিনের এই ‘রোবটিক বিস্ময়’। দূর নিয়ন্ত্রিত এই মাছের নাম রাখা হয়েছে ‘বিজি-৫ গোল্ডেন ড্রাগন ফিশ’। সূত্রের খবর, সমুদ্রে প্রতিরক্ষা খাতে ব্যবহৃত হতে পারে এই মাছ।

বোয়াগংদাও মেরিন টেকনোলজি গ্রুপ নামে এক চিনা সংস্থা তৈরি করে এই মাছরূপী রোবট। গোল্ডেন অ্যারোয়ানা ফিশের অনুকরণে তৈরি এই রোবটকে ডুবো ড্রোনও বলা যেতে পারে। তবে জলে ব্যবহৃত অন্যান্য ড্রোনের মতো এর কোনও প্রপেলার নেই, রয়েছে মাছের মতো নমনীয় লেজ। যা দিয়ে জলকে পিছনে ঠেলে এরা সামনে এগিয়ে যায়। পূর্ব নির্ধারিত পথ ছাড়া মাছের মতোই এরা পথ তৈরি করে নেয়। দাবি করা হচ্ছে, পূর্ব নির্ধারিত পথ অনুসরণের পাশাপাশি এরা নিজেরা পথ খুঁজে নিতে পারে। এতে থাকা উন্নত সেন্সর স্বয়ংক্রিয়ভাবে সামনে থাকা যে কোনও বাধা শনাক্ত করতে পারে। পাথর থাকলে তা টপকে যেতে সক্ষম। বাধার সম্মুখীন হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই রোবট সমুদ্রে ৫ মিটার গভীরে গিয়ে প্রতি সেকেন্ডে ০.৬ মিটার গতিতে সাঁতার কাটতে পারে। সংস্থার তরফে এই রোবটের আরও একটি উন্নত সংস্করণ সামনে এনেছে। যাতে রয়েছে মাল্টি রোবট কোঅপারেশন প্রযুক্তি।

সংস্থার তরফে জানা যাচ্ছে, মাছটির লেজ তিনভাগে বিভক্ত এবং মোট ৭ভাগে বিভক্ত। যা জলে ঢেউ তৈরি করতে সক্ষম। এবং এই রোবট সমুদ্রে ৫ মিটার গভীরে গিয়ে প্রতি সেকেন্ডে ০.৬ মিটার গতিতে সাঁতার কাটতে পারে। সংস্থার তরফে এই রোবটের আরও একটি উন্নত সংস্করণ সামনে এনেছে। যাতে রয়েছে মাল্টি রোবট কোঅপারেশন প্রযুক্তি। যার অর্থ, এই ধরনের একাধিক রোবট জলের নিচে একসঙ্গে কাজ করতে পারে। নিজেদের কাজ ভাগ করে নিতে পারে এবং একে অপরকে সংকেত পাঠাতে পারে। সবচেয়ে বড় বিষয় সমুদ্রে বিস্তীর্ণ এলাকা পর্যবেক্ষণ করতে সক্ষম এই কৃত্রিম মাছ। শত্রুর রাডারে এর অস্তিত্ব ধরা পড়ে না।

ফলে বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই মাছ শুধু মানুষের বিনোদনের জন্য নয়, বরং চিনের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এর ব্যাপক প্রয়োগ হবে। ছোট আকারের হওয়ায় এটি শত্রুর চোখ এড়িয়ে থাকতে সক্ষম। একইসঙ্গে সরু প্রবাল প্রাচীরের মধ্যে দিয়ে সহজে চলাচল করতে সক্ষম। ফলে চিনা নৌবাহিনীর গুপ্তচরবৃত্তিতে এর কোনও বিকল্প নেই। উল্লেখ্য, বোয়াগংদাও নামের এই সংস্থা সরাসরি চিনের প্রতিরক্ষা বিভাগের সঙ্গে জন্য। অতীতেও এরা চিনের সেনার জন্য অভিনব সব প্রযুক্তি তৈরি করেছে। অতীতে চিনা সেনার সঙ্গে মিলে এরা তৈরি করেছিল ‘রোবো শার্ক’ নামের এক রোবট। যে শত্রুর উপর হামলা চালাতেও সক্ষম।

China has developed a distinctive underwater robot known as the "Golden Dragon Fish
চিনের তৈরি বিস্ময়কর সেই রোবট।
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.