Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Galwan Clash

গালওয়ান সংঘর্ষের এক সপ্তাহ পর গোপনে পরমাণু বোমা পরীক্ষা চিনের! বিস্ফোরক দাবি আমেরিকার

২০২০ সালের ১৫ জুন গালওয়ান উপত্যকায়মুখোমুখি হয় ভারত ও চিনের ফৌজ। দু’পক্ষের জওয়ানরাই লোহার রড ও কাঁটাতার জড়ানো হাতিয়ার নিয়ে বেশ কয়েক ঘণ্টা লড়াই করে। রক্তক্ষয়ী সেই সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় জওয়ান শহিদ হন। ১৯৭৫ সালে পর এই প্রথম প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ১৩:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ১৩:৪৩

options
link
গালওয়ান সংঘর্ষের এক সপ্তাহ পর গোপনে পরমাণু বোমা পরীক্ষা চিনের!  বিস্ফোরক দাবি আমেরিকার zoom
গালওয়ান সংঘর্ষের এক সপ্তাহ পর গোপনে পরমাণু বোমা পরীক্ষা করেছিল চিন।

গালওয়ান সংঘর্ষের এক সপ্তাহ পর গোপনে পরমাণু বোমা পরীক্ষা করেছিল চিন! এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন আমেরিকার বিদেশ দপ্তরের আন্ডার সেক্রেটারি থমাস ডিনান্নো। শুধু তা-ই নয়, এই পরীক্ষায় একটি বিশেষ প্রযুক্তিও ব্যবহার করেছিল বেজিং, যাতে বিস্ফোরণের সময় সৃষ্ট কম্পন বা সিসমিক সিগন্যাল অনেকটাই দুর্বল হয়ে যায় এবং এই পরীক্ষা গোপন থাকে। এমটাও দাবি করেছেন ওই মার্কিন আধিকারিক।

শুক্রবার জেনেভায় রাষ্ট্রসংঘের একটি সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন ডিনান্নো। সেখানেই তিনি এই বিস্ফোরক দাবি করেন। তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘২০২০ সালের ২২ জুন গালওয়ান সংঘর্ষের আট দিনের মাথায় চিন পরমাণু বোমা পরীক্ষা করে। গোটা পরীক্ষাটি যাতে গোপন থাকে, সেই জন্য তারা ডিকাপলিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে।’

Advertisement

২০২০ সালের ২২ জুন গালওয়ান সংঘর্ষের আট দিনের মাথায় চিন পরমাণু বোমা পরীক্ষা করে। গোটা পরীক্ষাটি যাতে গোপন থাকে, সেই জন্য তারা ডিকাপলিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে।

কিন্তু কী এই ডিকাপলিং প্রযুক্তি? এটি হল এমন একটি কৌশল, যেখানে কোনও বোমাকে মাটির অনেক গভীরে রেখে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ফলে বিস্ফোরণের তরঙ্গ অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়ে এবং গোটা বিষয়টি গোপন থাকে। দীর্ঘদিন ধরেই এই কৌশলকে কাজে লাগিয়ে গোপনে পারমাণবিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চিন যদি সত্যিই এই ধরনের কোনও পারমাণবিক পরীক্ষা করে থাকে, তাহলে সেটির নেপথ্যে দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ছিল। গালওয়ান সংঘর্ষের পর গোটা বিশ্বজুড়ে আলোড়ন পড়ে গিয়েছিল। এই সীমান্ত সংঘর্ষ চিনের জন্য ঢাল হিসাবে কাজ করেছে। কারণ, সেই সময়ে গোটা বিশ্বের সংবাদমাধ্যমের নজর ছিল গালওয়ানের উপরেই।

২০২০ সালের ১৫ জুন গালওয়ান উপত্যকায়মুখোমুখি হয় ভারত ও চিনের ফৌজ। দু’পক্ষের জওয়ানরাই লোহার রড ও কাঁটাতার জড়ানো হাতিয়ার নিয়ে বেশ কয়েক ঘণ্টা লড়াই করে। রক্তক্ষয়ী সেই সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় জওয়ান শহিদ হন।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ১৫ জুন গালওয়ান উপত্যকায়মুখোমুখি হয় ভারত ও চিনের ফৌজ। দু’পক্ষের জওয়ানরাই লোহার রড ও কাঁটাতার জড়ানো হাতিয়ার নিয়ে বেশ কয়েক ঘণ্টা লড়াই করে। রক্তক্ষয়ী সেই সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় জওয়ান শহিদ হন। ১৯৭৫ সালে পর এই প্রথম প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের পরেই সীমান্তে কার্যত যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়। অবশেষে পরিস্থিতি শান্ত করতে কয়েক দফা আলোচনায় বসে দুই দেশের সেনাবাহিনী।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.