একে খালিস্তানি কাঁটায় ভারতকে বিদ্ধ করে রেখেছিল কানাডা। এবার মার্ক কার্নির দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিল বেজিং। জোড়া ফলায় বিদ্ধ হতে চলেছে ভারত। সম্প্রতি কানাডার (Canada) প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির চিন (China) সফরের সময় দুই দেশের বাড়তে থাকা বন্ধুত্ব চিন্তার ভাঁজ ফেলে নয়া দিল্লির কপালে।
কানাডা-চিন-ভারত এই তিন দেশকে এক সুতোয় বেঁধেছে আমেরিকা। তিন দেশই আমেরিকার শুল্ক যুদ্ধে জেরবার। এমনকি কানাডাকে আমেরিকার ৫১তম প্রদেশ হিসেবে অধিগ্রহণের হুঙ্কার দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই অবস্থায় মার্কিন বাজার ছাড়াও অন্যান্য বাজার খোঁজার চেষ্টা করছে কানাডা। এই কারণেই কার্নির চিন সফর অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শি জিনপিং কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিকে জানিয়েছেন তিনি দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতিতে কাজ চালিয়ে যেতে চান।
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে, কানাডা-চিন সম্পর্কের উষ্ণতা চাপ বাড়াচ্ছে ভারতের উপর। কানাডায় এক বড় অংশের শিখ নাগরিক রয়েছে। তাদের ভোট নিশ্চিত করতেই কানাডার বেশিরভাগ সরকার খালিস্তানি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করেনি। এই অবস্থায় ভারতের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাত চলতে থাকা চিনের সঙ্গে কানাডার এই নতুন বন্ধুত্ব ভারতের জন্য অর্থনৈতিক এবং ভূরাজনৈতিক পরিসরে কোন নতুন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেবে সেদিকে নজর রেখেছে নয়াদিল্লি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
রাশিয়ার মারে নাজেহাল! যুদ্ধের মাঝেই সেনাপ্রধানকে বরখাস্ত ক্ষুব্ধ জেলেনস্কির
-
ইস্টবেঙ্গলে হাবাস, মোহনবাগানে প্যানোস, দুই নতুন হেডস্যরের অধীনে ডার্বির প্রস্তুতিতে দুই প্রধান
-
‘আমি নিজেই অপরাধী,’ তসলিমার প্রত্যাবর্তনে অকপট ‘স্বীকারোক্তি’ জয় গোস্বামীর, কেন?
-
‘চাইলে জামাকাপড় খুলে রাস্তায় মারতে পারি’, রাখঢাক না করেই অভিষেককে আক্রমণ দিলীপের
-
‘তুলে দেওয়া হোক নিট, চিকিৎসা-শিক্ষায় রাজ্যকে দেওয়া হোক পূর্ণ ক্ষমতা’, দাবি বিজয়ের