Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Bilawal Bhutto

‘পাকিস্তানের সন্ত্রাস যোগ কোনও গোপন বিষয়ই নয়’, বিস্ফোরক দাবি বিলাওয়াল ভুট্টোর

ঠিক কী দাবি প্রাক্তন পাক বিদেশমন্ত্রীর?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২, ২০২৫, ১৫:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২, ২০২৫, ১৫:২৮

options
link
‘পাকিস্তানের সন্ত্রাস যোগ কোনও গোপন বিষয়ই নয়’, বিস্ফোরক দাবি বিলাওয়াল ভুট্টোর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তান ও সন্ত্রাসবাদ হাত ধরাধরি করে চলে। বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীকে আর্থিক মদত দেয় ইসলামাবাদ। এই অভিযোগ আজকের নয়। কিন্তু এবার প্রাক্তন পাক বিদেশমন্ত্রী তথা পাকিস্তান পিপলস পার্টির প্রধান বিলাওয়াল ভুট্টো সরাসরি মেনেই নিলেন এই অভিযোগ। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানালেন, পাকিস্তানের এই অতীত কোনও ‘সিক্রেট’ তথা গোপন বিষয়ই নয়।

তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”প্রতিরক্ষামন্ত্রী যা বলেছেন, আমি মনে করি না পাকিস্তানের অতীতের কোনও গোপনীয়তা আছে। এরই ফলস্বরূপ আমরা কষ্ট পেয়েছি। পাকিস্তানকে ভুগতে হয়েছে। আমরা চরমপন্থার একের পর এক ঢেউয়ের মধ্য দিয়ে গেছি। কিন্তু আমরা যা ভোগ করেছি তার ফলে আমরা শিক্ষাও পেয়েছি। এই সমস্যা মোকাবিলায় আমরা অভ্যন্তরীণ সংস্কারের মধ্য দিয়ে গিয়েছি।” তবে এখনও যে পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদের মদতদাতা, সেকথা মানতে চাননি তিনি। ভুট্টো বলছেন, ”এটা ইতিহাস। আর ইতিহাস অর্থে এটা বোঝায় না যে আমরা আজও এটা করে চলেছি। তবে এটা যে আমাদের ইতিহাসের একটা দুর্ভাগ্যজনক অংশ সেটা মানতেই হবে।”

Advertisement

উল্লেখ্য, পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা আসিফকে প্রশ্ন করা হয়, পাকিস্তান যে দীর্ঘ সময় ধরে সন্ত্রাসকে মদত দিয়ে চলেছে তা কী তিনি অস্বীকার করতে পারেন। খাজা তখন জানিয়েছিলেন, “সন্ত্রাসবাদকে অর্থ ও মদত দেওয়ার মতো ঘৃণ্য কাজ গত তিন দশক ধরে করে এসেছি আমরা।” একইসঙ্গে তিনি বলেন, “এই কাজ পাকিস্তান করেছে, আমেরিকা, ব্রিটেন-সহ পশ্চিমের দেশগুলির জন্য। এটা আমাদের ভুল ছিল। যার ফল আমাদের ভুগতে হচ্ছে।” এইদিন সেই কথারই অনুরণন শোনা গেল ভুট্টোর কণ্ঠেও।

প্রসঙ্গত, গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় মৃত্যু হয়েছে ২৫ পর্যটক-সহ এক স্থানীয় নাগরিকের। জানা গিয়েছে, সেনার পোশাকে এসে ধর্ম জিজ্ঞাসা করে বেছে বেছে খুন করা হয় ওই পর্যটকদের। প্রথমে এই হামলার দায় স্বীকার করেও পরে তা অস্বীকার করে লস্কর ই তইবার ছায়া সংগঠন টিআরএফ। কাশ্মীরের মাটিতে সন্ত্রাস চালাতে এই সংগঠনকে জল-সার দিয়ে মহীরুহ করে তুলেছে পাক সেনা ও আইএসআই। এই হামলার নেপথ্যেও প্রকাশ্যে এসেছে পাক যোগ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.