Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
BBC

ক্ষমা চেয়েও মাথানত নয়, ভাষণ সম্পাদনা বিতর্কে ট্রাম্পকে ক্ষতিপূরণ দিতে নারাজ BBC

এই ঘটনায় আগেই বিবিসি-র দুই শীর্ষকর্তা পদত্যাগ করেছেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৪, ২০২৫, ১৮:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৪, ২০২৫, ১৮:৩০

options
link
ক্ষমা চেয়েও মাথানত নয়, ভাষণ সম্পাদনা বিতর্কে ট্রাম্পকে ক্ষতিপূরণ দিতে নারাজ BBC zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষণ সম্পাদনা বিতর্কে এবার ক্ষমা চাইল বিশ্বের পয়লা নম্বর সংবাদ সংস্থা বিবিসি। বিতর্কিত অংশ বাদ দিয়ে নতুন করে সম্পাদনাও করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে সংস্থা সূত্রে। বিবৃতি দিয়ে ক্ষমাপ্রার্থনার পাশাপাশি সংস্থার চেয়ারম্যান সমীর শাহ আলাদাভাবে হোয়াইট হাউসে চিঠি পাঠিয়ে জানিয়েছেন যে, বিবিসি ট্রাম্পের ভাষণ সম্পাদনা নিয়ে আন্তরিকভাবে দুঃখিত। একইসঙ্গে বিবিসি এও জানিয়েছে যে এর জন্য ট্রাম্প ১০০ কোটি ডলার যে ক্ষতিপূরণের দাবি করেছেন, তাতে অরাজি ব্রিটিশ ব্রডকাস্ট কর্পোরেশন।

ঘটনার সূত্রপাত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক তথ্যচিত্র ঘিরে। তাতে দেখা গিয়েছে, ২০২১ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল হিলে হামলা হয়। অভিযোগ, উত্তেজিত জনতা হামলা চালিয়েছিল। তবে আঙুল ওঠে সে বছর নির্বাচনে সদ্য পরাজিত তথা প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দিকে। বিবিসির ট্রাম্পকে যে তথ্যচিত্র সম্প্রচার করেছে, তাতে ক্যাপিটল হিলে হামলার ঘটনায় ট্রাম্পকে কার্যত ‘ভিলেন’ প্রতিপন্ন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সেসময় ট্রাম্পের ভাষণ এমনভাবেই সম্পাদনা করা হয়েছিল যাতে মনে হয়, ওই হামলায় প্রত্যক্ষ উসকানি ছিল তাঁর। আর এখানেই আপত্তি হোয়াইট হাউসের। প্রেস সচিবের দাবি ছিল, এভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত করা হয়েছে।

Advertisement

বিবিসির ওই অনুষ্ঠান বিশ্বজুড়ে সম্প্রচার হতেই প্রবল বিতর্কের মুখে পড়ে সংবাদসংস্থা। নিজেদের ঘাড়ে দায় নিয়ে সপ্তাহের প্রথমেই ইস্তফা দেন সংস্থার ডিরেক্টর জেনারেল টিম ডেভি ও খবর সম্প্রচার বিভাগের প্রধান ডেবোনার টারনেস। এরপর ওয়াশিংটনের চাপে পড়ে দফায় দফায় ক্ষমা চাইল বিবিসি। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ”মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভাষণ অনিচ্ছাকৃত সম্পাদনার পর তা সম্প্রচার করা হয়েছে। তাঁর ভাষণের কিছু কিছু অংশ সম্প্রচার করায় ভুল বার্তা গিয়েছে। এর জন্য প্রেসিডেন্ট আমাদের সরাসরি ফোন করে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন। আমরা এর জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত, তবে মানহানির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণের শর্ত মানতে আমরা একেবারেই নারাজ।” এখন এই জল সর্বোচ্চ প্রশাসনিক স্তর পর্যন্ত গড়ায় কি না, তা দেখার। কারণ, ইতিমধ্যে ইংল্যান্ডের ডেমোক্র্যাট নেতা প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মারের কাছে অনুরোধ করেছেন, বিবিসি-র সম্মান রক্ষার্থে ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলুন তিনি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.