Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Asim Munir In Iran

ট্রাম্পের নয়া প্রস্তাব নিয়ে এবার ইরানে হাজির ‘শান্তির দূত’ মুনির! থামবে যুদ্ধ?

বুধবার সকালেই বিশেষ বিমানে করে ইরানে পৌঁছে যান মুনির। তাঁর সঙ্গে ছিলেন পাক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি। তাঁদের স্বাগত জানান ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। এই সংক্রান্ত একটি ছবি ইতিমধ্যেই পাক সেনার তরফে প্রকাশ করা হয়েছে। অন্যদিকে, মঙ্গলবার পাকিস্তানের ভূয়সী প্রশংসা করে ওয়াশিংটন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ১৫:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ১৫:৫২

options
link
ট্রাম্পের নয়া প্রস্তাব নিয়ে এবার ইরানে হাজির ‘শান্তির দূত’ মুনির! থামবে যুদ্ধ? zoom
ইরানের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ মুনিরের। ছবি: সংগৃহীত।

যুদ্ধজট কাটাতে ইসলামাবাদে বৈঠকে বসেছিল ইরান-আমেরিকা। কিন্তু দীর্ঘ আলোচনার পরও সেই বৈঠক ব্যর্থ হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, দ্বিতীয় দফার আলোচনায় বসতে ইতিমধ্যেই দু’পক্ষ রাজি হয়েছে। ইসলামাবাদেই ফের বসবে বৈঠক। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নয়া প্রস্তাব নিয়ে এবার ইরানে হাজির হলেন পাক সেনা সর্বাধিনায়ক আসিম মুনির।

বুধবার সকালেই বিশেষ বিমানে করে ইরানে পৌঁছে যান মুনির (Asim Munir In Iran)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন পাক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি। তাঁদের স্বাগত জানান ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। এই সংক্রান্ত একটি ছবি ইতিমধ্যেই পাক সেনার তরফে প্রকাশ করা হয়েছে। অন্যদিকে, মঙ্গলবার পাকিস্তানের ভূয়সী প্রশংসা করে ওয়াশিংটন। হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট বলেন, “পাকিস্তান অসাধারণ মধ্যস্থতাকারী হিসাবে কাজ করেছে। ইরান-আমেরিকা চুক্তি সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে তাদের প্রচেষ্টা সত্যিই প্রশংসানীয়।” সূত্রের খবর, আগামী ২-৩ দিনের মধ্যেই ইসলামাবাদে ফের আলোচনার টেবিলে বসবে দুই দেশ। সেই বৈঠকে আদৌ কোনও রফাসূত্র মেলে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে সকলে।

Advertisement

এদিকে সম্প্রতি একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, দ্বিতীয় দফার বৈঠকের আগেই হরমুজের একাংশ খুলে দিতে পারে ইরান। তেহরানের একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, দীর্ঘ এই যুদ্ধে ইতি টানতে আগ্রহী ইরানও। তাই ওমানের দিকে হরমুজের যে অংশ রয়েছে, তা মুক্ত করে দিতে পারে তেহরান। যদি তা বাস্তবায়িত হয়, তাহলে সেখানে জাহাজ চলাচলে আর কোনও বাধা থাকবে না। তবে কয়েকটি বিষয় এখনও স্পষ্ট নয়। প্রথমত, ওই জলপথে ইরান যে সমস্ত মাইন পেতে রেখেছিল, সেগুলি কি তারা সরিয়ে নেবে? দ্বিতীয়ত, ইজরায়েলি এবং মার্কিন জাহাজগুলিকে সেখানে অবাধে চলতে দেওয়া হবে কি না?

বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার দেওয়া প্রধান শর্তগুলির মধ্যে অন্যতম ছিল হরমুজের মুক্তি। আর যদি তাতে সত্যিই রাজি হয় ইরান, তাহলে দ্বিতীয় দফার বৈঠকে মিলতে পারে কোনও রফাসূত্র। যদিও এই রিপোর্ট নিয়ে এখনও মুখ খোলেনি ওয়াশিংটন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.