Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
America

হরমুজ উদ্ধারে মরিয়া আমেরিকা, ‘বন্ধ তালা’ খুলতে ময়দানে এবার মার্কিন নৌ ড্রোন ‘গার্ক’

যে কোনও মূল্যে হরমুজ খুলতে মরিয়া আমেরিকা এবার পারস্য উপসাগরে নামাল নৌ ড্রোন 'গার্ক'। পেন্টাগনের তরফে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০২৬, ২১:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০২৬, ২১:২৮

options
link
হরমুজ উদ্ধারে মরিয়া আমেরিকা, ‘বন্ধ তালা’ খুলতে ময়দানে এবার মার্কিন নৌ ড্রোন ‘গার্ক’ zoom
পারস্য উপসাগরে মার্কিন নৌ ড্রোন 'গার্ক'।

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের রণকৌশল হিসেবে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করেছে ইরান। বিশ্বের তৈল ধমনী বন্ধ করার এই পদক্ষেপে নাভিশ্বাস উঠেছে আমেরিকার। যে কোনও মূল্যে হরমুজ খুলতে মরিয়া আমেরিকা এবার পারস্য উপসাগরে নামাল নৌ ড্রোন ‘গার্ক’। পেন্টাগনের তরফে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে ভয়ংকর এই ড্রোন ব্যবহারের কথা প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করল আমেরিকা।

পেন্টাগনের তরফে জানানো হয়েছে, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ বা ‘সিংহ গর্জনে’র অংশ হিসেবে এই ড্রোন স্পিডবোটগুলি পারস্য উপসাগরে টহল দিচ্ছে। ওই অঞ্চলে যে কোনওরকম সন্দেহজনক গতিবিধি রুখে দিতে এই ধরনের চালকবিহীন নৌযান অত্যন্ত দক্ষ। এদের কাজ খাঁড়িতে নজরদারি চালানো ও প্রয়োজনে আত্মঘাতী হামলা করা। উল্লেখ্য, আমেরিকা ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে হামলা চালালে গোটা হরমুজে মাইন বিছিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল ইরান। এর আগে এই ধরনের চেষ্টা রুখতে ইরানের নৌযানে হামলাও চালিয়েছিল আমেরিকা। এহেন পরিস্থিতির মাঝে ইরানের এই নৌ ড্রোনকে মাঠে নামানোর ঘটনা তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

‘অপারেশন সিংহ গর্জনে’র অংশ হিসেবে এই ড্রোন ইতিমধ্যেই ৪৫০ ঘণ্টার বেশি সমুদ্রে টহল দিয়েছে। এবং পাড়ি দিয়েছে প্রায় ২ হাজার ২০০ নটিক্যাল মাইল পথ।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র টিম হকিন্স সংবাদ সংস্থা রয়টর্সকে জানান, ম্যারিল্যান্ডের সংস্থা ‘ব্ল্যাক সি’র তৈরি এই অত্যাধুনিক ড্রোন গ্লোবাল অটোনমাস রিকনাইস্যান্স ক্রাফট বা গার্ক নামে পরিচিত। ‘অপারেশন সিংহ গর্জনে’র অংশ হিসেবে এই ড্রোন ইতিমধ্যেই ৪৫০ ঘণ্টার বেশি সমুদ্রে টহল দিয়েছে। এবং পাড়ি দিয়েছে প্রায় ২ হাজার ২০০ নটিক্যাল মাইল পথ। তবে এখনও পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে এই ড্রোন সরাসরি কোনও হামলা চালিয়েছে কিনা তা এখনও স্পষ্ট করেনি পেন্টাগন।

উল্লেখ্য, এর আগে ইউক্রেন যুদ্ধে এই ড্রোনের সফল প্রয়োগ দেখা গিয়েছিল। যেখানে বিস্ফোরকবোঝাই স্পিডবোট ব্যবহার করে রাশিয়ার কৃষ্ণসাগরে নৌবহরের ব্যাপক ক্ষতি করা হয়। তবে ইউক্রেন সাফল্য পেলেও এই ড্রোনের সাফল্য নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে। মূলত প্রশান্ত মহাসাগরে চিনের আগ্রাসন রুখতে সাশ্রয়ী ও বিকল্প হিসেবে এই ড্রোন তৈরির পরিকল্পনা করেছিল চিন। তবে প্রযুক্তিগত সমস্যা ও বিপুল খরচের জন্য তাদের ব্যাপক সমস্যার মুখে পড়তে হয়। এমনকী পরীক্ষামূলক ব্যবহারের সময়েও এই ড্রোনে একাধিকবার দুর্ঘটনা ঘটে। গত সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যে পরীক্ষার সময় একটি গার্ক স্পিডবোট অকেজো হয়ে পড়ে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.