Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
America

এবার যুদ্ধ মহাকাশে! অন্তরীক্ষে অস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার আমেরিকার, নিশানায় কে?

মার্কিন বায়ুসেনা প্রধান বলেন, "পৃথিবীর কক্ষপথে ঘুরে বেড়াচ্ছে আমেরিকার স্পেস কন্ট্রোল সমরাস্ত্র। যা শত্রুর আক্রমণ থেকে আমেরিকাকে রক্ষা করতে সক্ষম।"

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬, ১৭:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬, ১৭:১০

options
link
এবার যুদ্ধ মহাকাশে! অন্তরীক্ষে অস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার আমেরিকার, নিশানায় কে? zoom
মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার আমেরিকার।
Advertisement

জনপ্রিয় হলিউড মুভি ‘স্টার ওয়ারস’ এখন আর কল্পকাহিনি নয়, তা এখন চরম বাস্তব। পৃথিবীর মাটি ছাড়িয়ে মহাকাশকে যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তুলছে বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলি! এক সাক্ষাৎকারে প্রথমবার একথা স্বীকার করে নিলেন মার্কিন বায়ুসেনার সেক্রেটারি ট্রয় মেইঙ্ক। এয়ার, স্পেস অ্যান্ড সাইবার কনফারেন্সে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সোমবার তিনি বলেন, “পৃথিবীর কক্ষপথে ঘুরে বেড়াচ্ছে আমেরিকার স্পেস কন্ট্রোল সমরাস্ত্র। যা শত্রুর আক্রমণ থেকে আমেরিকাকে রক্ষা করতে সক্ষম।” তবে ঠিক কী ধরনের অস্ত্র আমেরিকা মহাকাশে পাঠিয়েছে সে বিষয়ে বিশদে কিছুই জানাননি তিনি।

মহাকাশে অস্ত্র পাঠানোর অভিযোগ অনেক আগেই উঠেছিল আমেরিকার বিরুদ্ধে। যদিও সে কথা কখনও স্বীকার করেনি হোয়াইট হাউস। শূন্যে প্রতিযোগিতা এড়াতে এই অভিযানের কথা গোপন করে এসেছে তারা। এই অবস্থায় ইতিহাসে প্রথমবার পৃথিবীর কক্ষপথে স্পেস কন্ট্রোল যুদ্ধাস্ত্রের কথা স্বীকার করল ওয়াশিংটন। মার্কিন সেনার মতে, মহাকাশে আমেরিকার পাঠানো কিছু উপগ্রহে রয়েছে ইন্টারসেপ্টরের মতো গতিশীল অস্ত্র। যা সরাসরি আক্রমণ করে এবং লেজার, জ্যামার ও তড়িৎচুম্বকীয় লক্ষ্যবস্তুকে। এই অস্ত্রগুলি শত্রুপক্ষের স্যাটেলাইট রাডার নষ্ট করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতে বা যেকোনও হুমকির মোকাবিলায় ব্যবহার করা যায়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ইতিহাসে প্রথমবার পৃথিবীর কক্ষপথে স্পেস কন্ট্রোল যুদ্ধাস্ত্রের কথা স্বীকার করল ওয়াশিংটন। মার্কিন সেনার মতে, মহাকাশে আমেরিকার পাঠানো কিছু উপগ্রহে রয়েছে ইন্টারসেপ্টরের মতো গতিশীল অস্ত্র।

জানা যাচ্ছে, মহাকাশ যুদ্ধে মূলত দুটি দেশকে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করেছে আমেরিকা। একজন চিন ও দ্বিতীয় ভারতের বন্ধু রাশিয়া। আমেরিকা জানিয়েছে, চিন ও রাশিয়া যেভাবে মহাকাশকে যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করার চেষ্টা করছে, তার পালটা হিসেবে আমেরিকার জন্য এই পদক্ষেপ জরুরি। তাদের দাবি, চিন হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে। রাশিয়া মহাকাশে আক্রমণ ও প্রতিরক্ষার মহড়া শুরু করেছে। সেখানে আমেরিকার জন্যও এটা প্রয়োজন ছিল। উল্লেখ্য, ১৯৬৭ সালের ‘আউটার স্পেস ট্রিটি’ (Outer Space Treaty) অনুযায়ী, মহাকাশে পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধ, কিন্তু সাধারণ অস্ত্র নিষিদ্ধ নয়। সেই ফাঁক গলেই এই পদক্ষেপ আমেরিকার।

প্রসঙ্গত, মহাকাশে সামরিক পদক্ষেপ শুরু হয়েছিল ঠান্ডা লড়াইয়ের সময়। ১৯৫৭ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন স্পুটনিক উৎক্ষেপণের পর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন নিজের উপগ্রহ রক্ষায় প্রযুক্তি উদ্ভাবনের কাজ শুরু করে। পরে রাশিয়া, চিন ও ভারতের মতো দেশগুলি এমন ব্যবস্থা তৈরি করেছে যা প্রয়োজনে শত্রুর উপগ্রহ ধ্বংস করতে পারে। তবে আমেরিকার তরফে মহাকাশে অস্ত্র পাঠানোর ঘটনায় মনে করা হচ্ছে এটি ট্রাম্পের ‘গোল্ডেন ডোম’ মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম পরিকল্পনার অংশ। সেই লক্ষ্যে ২০১৯ সালে স্পেস ফোর্স তৈরি করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.