জাপানজুড়ে বিভিন্ন মন্দির ও তীর্থস্থানে ধারাবাহিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এর মধ্যে এই সপ্তাহে দু’দিনের ব্যবধানের দুই ঘটনায় আরও বেশি উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। যার অন্যতম ৫৭০ বছরের পুরনো এক শিন্তো মন্দির। মন্দিরটি পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। দাবি, এই সব অগ্নিকাণ্ড এত ঘনঘন ঘটেছে যে একে স্রেফ কাকতালীয় বলা ঠিক নয়। অভিযোগ, শরণার্থীরাই আগুন লাগাচ্ছে।
জানা গিয়েছে, গত ৩১ আগস্ট জাপানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিন্তো তীর্থস্থান ‘ইসে জিঙ্গু’-র বাইরে মন্দিরের মাত্র ৭০০ মিটার দূরে প্রধান ‘শপিং আর্কেড’-এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। পরদিন সকালে সানিও-ওনোদা শহরের সেইয়ানজি মন্দিরে আগুন লাগে। এতে মন্দিরটি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে যায়। আর সমস্ত ক্ষেত্রেই অভিযোগের তির শরণার্থীদের দিকে। যদিও জাপান প্রশাসনের দাবি, শরণার্থীদের সঙ্গে এই অগ্নিকাণ্ডগুলির কোনও যোগসূত্র থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বরং সরকারি পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছে, গত এক দশকে মন্দির ও উপাসনালয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা কমেছে। তবে প্রশাসন এমন দাবি করলেও জাপানের সোশাল মিডিয়ায় অনেকেই শরণার্থীদের দায়ী করে পোস্ট করছেন।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, জাপানের প্রধান ধর্ম হল শিন্তো। দেশের ৮০ শতাংশ বাসিন্দাই এই ধর্মটিকে মেনে চলেন। সেই ধর্মীয় উপাসনাস্থলে এমন অগ্নিকাণ্ড ঘিরে চাঞ্চল্য বাড়ছে। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসে জাপানের আরও অন্তত ন’টি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান ও মন্দিরে আগুন লেগে ধ্বংস হয়েছে। দাবি, এতগুলি ঘটনা স্রেফ সমাপতন হিসেবে দেগে দেওয়া যাবে না। অনেকে যুক্তি দিচ্ছেন, বিশ্বজুড়ে ধর্মীয় স্থানগুলিতে রহস্যজনকভাবে আগুন লাগছে। যার মধ্যে রয়েছে আমেরিকাও। সেখানে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক গির্জায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। সব মিলিয়ে রহস্য ক্রমেই ঘনাচ্ছে। এখন দেখার এই নিয়ে কোনও তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয় কিনা। তবে এখনও পর্যন্ত এই অগ্নিকাণ্ডে ষড়যন্ত্রের কোনও প্রমাণ মেলেনি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
কেক-বেলুনে ঋতিকার জন্মদিন পালন, সোশাল মিডিয়ায় হিরণের নতুন পোস্টে ফের চর্চায় বিয়ে বিতর্ক
-
‘রক্ত-শোক ভোলার নয়’, বিয়ের আসরে মার্কিন হামলার নিন্দায় ইরান, ‘নীরব বিশ্ব’কে তোপ
-
প্রশাসনিক ভবনে বিক্ষোভে ‘না’, নোটিস প্রত্যাহারের দাবিতে উত্তেজনা কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ে
-
‘সংখ্যালঘু স্বাধীনতা রক্ষায় ব্যর্থ’, মাদ্রাসার জন্য মন্দির ভাঙায় পাকিস্তানকে তোপ ভারতের
-
দরজা খুলতেই আপত্তিকর দৃশ্য, সব ঘরেই স্বল্পবসনাদের ভিড়! ঝাড়গ্রামের হোটেলে হচ্ছেটা কী!