Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৬ জুলাই ২০২৬
Myanmar’

উত্তাল বঙ্গোপসাগর ডিঙোনোর চেষ্টা, মায়ানমার উপকূলে দুই নৌকাডুবি, মৃত্যু ৫০০ রোহিঙ্গা শরণার্থীর!

রাষ্ট্রংসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম জানিয়েছে, মৃতদের মধ্যে মহিলা, শিশুরাও রয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২৬, ২০:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২৬, ২০:৫২

options
link
উত্তাল বঙ্গোপসাগর ডিঙোনোর চেষ্টা, মায়ানমার উপকূলে দুই নৌকাডুবি, মৃত্যু ৫০০ রোহিঙ্গা শরণার্থীর! zoom
২০২৫ সালে সমুদ্রপথে ৯০০ রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে। ছবি এআই দ্বারা নির্মিত।

মায়ানমার উপকূলে ভয়াবহ নৌকাডুবি। বঙ্গোপসাগরে রোহিঙ্গা শরণার্থী বোঝাই দু’টি নৌকা ডোবায় অন্তত ৫০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাষ্ট্রংসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম জানিয়েছে, মৃতদের মহিলা, শিশুরাও রয়েছে। নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে উত্তাল সমুদ্র ডিঙোনোর বিপজ্জনক চেষ্টাতেই বিপদ ঘটেছে।

রাষ্ট্রসংঘের শরণার্থী সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা জানিয়েছে, দু’টি নৌকাই জুন মাসের শেষ দিকে যাত্রা শুরু করেছিল। একটি মায়ানমারের রাখাইন রাজ্য এবং অন্যটি বাংলাদেশের কক্সবাজারের শরণার্থী শিবির এলাকা থেকে রওনা হয়। যাত্রীরা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে সমুদ্রপথে পালানোর চেষ্টা করছিলেন। হতাহতের সংখ্যা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। যদিও বিপুল সংখ্যক প্রাণহানির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রসংঘ। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে রোহিঙ্গাদের নিয়ে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে ভয়াবহ সামুদ্রিক দুর্ঘটনাগুলির মধ্যে এটি অন্যতম বলেই মনে করা হচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, একটি নৌকাতে আনুমানিক ২৫০ জন যাত্রী ছিলেন। সেটি সমুদ্রপথে রওনা কিছু পরেই ডুবে যায়। অন্য নৌকাটি গত ৮ জুলাই মায়ানমারের আয়েয়ারওয়াডি উপকূলের কাছে ডুবে গিয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাতে আনুমানিক ২৮০ জন যাত্রী ছিলেন। এখনও পর্যন্ত মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা নিশ্চিত করা যায়নি। রাষ্ট্রসংঘের আশঙ্কা মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে।  

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে মায়ানমারে নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গারা নিরাপত্তা ও জীবিকার সন্ধানে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডে পৌঁছানোর আশায় ছোট ছোট কাঠের নৌকায় চড়ে বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রা করে থাকেন। মায়ানমারে সহিংসতা এবং বাংলাদেশের ঘনবসতিপূর্ণ শরণার্থী শিবিরের কঠিন জীবনযাপন তাঁদের এমন ঝুঁকি নিতে বাধ্য করছে। রাষ্ট্রসঙ্ঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে সমুদ্রপথে পালানোর সময়ে কমবেশি ৯০০ রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.