Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Indian

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের সামনে নাচ! আমেরিকা থেকে বিতাড়িত হওয়ার মুখে দুই ভারতীয়

মার্কিন অভিবাসন দপ্তরের নজরে পড়ার পর গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে তারা। খতিয়ে দেখা হচ্ছে অভিযুক্ত রাজুর ভিসা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৮, ২০২৬, ২০:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৮, ২০২৬, ২০:৪৮

options
link
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের সামনে নাচ! আমেরিকা থেকে বিতাড়িত হওয়ার মুখে দুই ভারতীয় zoom
স্মৃতিসৌধের সামনে নাচ দুই ভারতীয়ের।

রিলের নেশায় আমেরিকা থেকে নির্বাসিত হওয়ার মুখে দুই ভারতীয় বংশোদ্ভূত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিসৌধের সামনে নাচের ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল সোশাল মিডিয়ায়। এই ঘটনায় বিতর্ক চরম আকার নিতেই অভিযুক্ত দুই ভারতীয়ের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে মার্কিন অভিবাসন দপ্তর।

জানা যাচ্ছে, এই ঘটনা আমেরিকার ওয়াশিংটন ডিসি শহরের। এখানেই রয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্মৃতিসৌধ। সম্প্রতি এই স্মৃতিসৌধের সামনে এক যুবক ও যুবতীর নাচের ভিডিও ভাইরাল হয় সোশাল মিডিয়ায়। ঘটনার পরই মাথাচাড়া দেয় বিতর্ক। স্মৃতিসৌধের সামনে এমন আচরণ আসলে ‘শহিদদের অপমান’ বলে সরব হন মার্কিন নাগরিকরা। কেউ লিখেছেন, ‘এই স্থান ত্যাগ ও নীরবতার জায়গা, কোনও টিকটকের মঞ্চ নয় ফলে এখানে এমন আচরণ কোনওভাবেই বরদাস্ত করা উচিত নয়।’ তৃতীয় এক ব্যক্তি লিখেছেন, ‘ভারত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ২৫ লক্ষের বেশি সেনা পাঠিয়েছিল। আমার দাদাও তাঁদের মধ্যে একজন। তিনি পায়ে গুলি খেয়েছিলেন। এই স্মৃতিস্তম্ভ তাঁদের স্মরণে তৈরি। এটা কোনও টিকটকের সেট নয়।’

Advertisement

স্মৃতিসৌধের সামনে এক যুবক ও যুবতীর নাচের ভিডিও ভাইরাল হয় সোশাল মিডিয়ায়। ঘটনার পরই মাথাচাড়া দেয় বিতর্ক। স্মৃতিসৌধের সামনে এমন আচরণ আসলে ‘শহিদদের অপমান’ বলে সরব হন মার্কিন নাগরিকরা।

গোটা ঘটনায় তৎপর হয়েছে মার্কিন অভিবাসন দপ্তরও। জানা যায়, মধু ও রাজু নামে শনাক্ত হওয়া ওই দুই জন নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসায় আমেরিকায় বসবাস করছেন। ২০২৫ সালের জুন থেকে তারা ক্লাউড নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছিলেন। এমনকী জানা যায় রাজু এমএডি ডালাস নামে একটি নৃত্য স্টুডিও পরিচালনা করতেন। সমালোচনা চরম আকার নিতেই এই স্টুডিওর ওয়েবসাইট ও সোশাল মিডিয়া পেজগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

মার্কিন অভিবাসন দপ্তরের নজরে পড়ার পর গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে তারা। খতিয়ে দেখা হচ্ছে অভিযুক্ত রাজুর ভিসা। অভিবাসন আইন অনুযায়ী, ভিসাধারী ব্যক্তি যদি নির্দিষ্ট কিছু অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত হন কিংবা ভিসার শর্তাবলীর অমান্য করেন নির্বাসনের মুখে পড়তে পারেন অভিযুক্ত। এমনিতে নাচ অপরাধ না হলেও স্মৃতিস্তম্ভের সামনে শান্তি ও শ্রদ্ধার পরিবেশ নষ্ট করে এমন কার্যকলাপ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সেই অপরাধেও বহিষ্কারের মুখে পড়তে পারেন এই দুই ভারতীয় বংশোদ্ভূত। যদিও সূত্রের খবর, নিজেদের আচরণের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন ওই দুই ভারতীয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.