সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কবলে চিন। মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে শক্রবার সেদেশের উত্তর-পশ্চিমের গানসু প্রদেশের একাধিক এলাকা ভেসে গিয়েছে হড়পা বানে। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১০ জনের। পাশাপাশি, নিখোঁজ ৩৩ জন। প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের নির্দেশে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ। অন্যদিকে, ভারী বৃষ্টির জেরে গুয়াংজু শহরের দাউয়ান গ্রামে নেমেছে ধস। ভেঙে গিয়েছে বহু বাড়ি। ঘটনায় মৃত্যু ৭ জনের।
বিগত কয়েকদিন ধরেই চিনের বিভিন্ন অংশে প্রবল বৃষ্টিপাত হচ্ছে। যার ফলে বন্যা, ভূমিধস এবং হড়পা বানে বিপর্যস্ত দেশটি। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধারকাজ। বহু বছরের মধ্যে চিনকে এমনভাবে প্রকৃতির চোখরাঙানির মুখে পড়তে হয়নি বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। গত সপ্তাহেই উত্তর চিনে বন্যায় মৃত্যু হয়েছে ৬০ জনের। একটানা দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩১টি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে অন্ধকার ডুবে যায় ১৩৬টি গ্রামে। উদ্ধারকাজে ব্যবহৃত হয় হেলিকপ্টারও।
প্রসঙ্গত, বছরের এই সময়টায় প্রচণ্ড বৃষ্টিপাত হয় বেজিংয়ে। ২০১২ সালের জুলাই মাসে বন্যায় ৭৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল, যেটি এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা। কিন্তু এবারের পরিস্থিতি আরও ভয়ংকর হয়ে উঠেছে। বেজিংয়ে এবং চিনের অন্য প্রদেশে দুর্যোগ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন জিনপিং। তিনি পুলিশ, দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী-সহ সমস্ত জরুরি বিভাগে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
সর্বশেষ খবর
-
লাথি খেয়ে কচুবনে, বাড়ি দখলের অভিযোগে এবার ডিম খেলেন জয়প্রকাশ
-
‘চুপ থাকব না শেষ দেখে ছাড়ব’, বিবাহবিচ্ছেদ মামলায় স্বামী-শ্বশুরের জোড়া আইনি নোটিসকে চ্যালেঞ্জ সেলিনার
-
৩০০ টাকা রোজ মাইনের চাকুরে থেকে কোটিপতি, উল্কাগতিতে উত্থান সুরেন্দ্রনাথ কলেজ কাণ্ডে ধৃত পরিতোষের
-
তোলাবাজি থেকে যৌনহেনস্তা! ১৩ দিনের পুলিশি হেফাজতে স্বরূপ বিশ্বাস, এজলাসে তুমুল হই হট্টগোল
-
কালীঘাটের বৈঠকে সেই ‘আদি’রাই, এলেন না ‘বিদ্রোহীরা’, দল বাঁচাতে পারবেন মমতা?