অধিকৃত কাশ্মীরে অব্যাহত রর্বরতা। এবার ১৬ প্রতিবাদীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠল পাক সেনার বিরুদ্ধে। আহত হয়েছেন প্রায় ৩৭ জন। তবে মনে করা হচ্ছে, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। পাক সেনার বিরুদ্ধে জনরোষ যে ভয়ংকর আকার নিচ্ছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এহেন নৃশংসতার ছবি দেখে স্তম্ভিত গোটা বিশ্ব।
আগামী ২৭ জুলাই অধিকৃত কাশ্মীরে নির্বাচন করাচ্ছে পাক সরকার। সেই নির্বাচনের ফল সরকারের বিরুদ্ধে যেতে পারে এই আশঙ্কায় সন্ত্রাসী সংগঠনগুলিকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে নেমে পড়েছে সেনা। নিষিদ্ধ করা হয়েছে নাগরিক সমাজের জোট ‘জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি’ (জেএএসি)-কে। এরই প্রতিবাদে গত মঙ্গলবার ধর্মঘটের ডাক দেয় জেএসি। ছিল বেশকিছু বিক্ষোভ কর্মসূচিও। বিক্ষোভ শুরু হতেই মঙ্গলবার নিরস্ত্র জনতাকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় সেনা। এই হামলাতেই এক চিকিৎসক, মহিলা-সহ অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু হয়। এরপর থেকেই সেখানে চলছে দফায় দফায় বিক্ষোভ। বৃহস্পতিবার ৩০ মৃত্যুর প্রতিবাদে ফের উত্তাল হয় অধিকৃত কাশ্মীর। অভিযোগ, বিক্ষোভ দমাতেই নির্বিচারে গুলি চালায় পাক সেনা। তাতেই অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, অধিকৃত কাশ্মীরের পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর আকার নিয়েছে যে আমেরিকা, ব্রিটেন এবং কানাডার মতো প্রথম সারির দেশগুলি তাদের নাগরিকদের জন্য জরুরি ‘ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি’ বা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
এবার কালনায় ‘ডিম থেরাপি’, ক্ষুব্ধ জনতার হামলায় লুটিয়ে পড়া তৃণমূল প্রধানকে ঘিরে ‘চোর’ স্লোগান
-
মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে পুত্রবধূকে লাগাতার ধর্ষণ শ্বশুরের! বাপের বাড়ি যেতেই ফোনে তিন তালাক স্বামীর
-
‘বহিষ্কৃত’ ঋতব্রত কীভাবে বিরোধী দলনেতা? হাই কোর্টে সওয়াল কল্যাণের
-
অথিতির যৌনগন্ধী মন্তব্যে চরমে বিতর্ক! এবার সঞ্চালক প্রণীতের বিরুদ্ধে দায়ের এফআইআর
-
রাত বাড়লেই বাড়ছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা; কেন হয়, দমন করা যায় কীভাবে?