সোদপুরের বাসিন্দা ধর্মেন্দ্র চৌধুরী। ঢালাই কর্মীর কাজ করেই দিন গুজরান। সাধারণত স্থানীয় ভাবেই কাজ করেন ধর্মেন্দ্রবাবু। তবে এবার তারাতলায় কাজ করতে যাওয়ার প্রস্তাব পেয়েছিলেন। রাজিও হয়েছিলেন এক বাক্যে। ৭ দিন কাজ, ৭ হাজার টাকা আয়, খাওয়াদাওয়া ফ্রি! এমন প্রস্তাব কী আর ফেলা যায়? তবে পরিস্থিতির চাপে পড়ে, পিছতে হল ধর্মেন্দ্র চৌধুরীকে!
বাড়ি ফিরে কাজের কথা বলতেই ‘গজগজ’ করা শুরু করেছিলেন স্ত্রী, বাবাকে যেতে বারণ করেছিল ছোট্টো মেয়েও! স্ত্রীয়ের কথা না শুনলেও মেয়ের বারণ ফেলতে পারেননি ধর্মেন্দ্র। সোদপুরেই থেকে গেলেন তিনি, আর তাতেই শেষ পর্যন্ত প্রাণে বেঁচে গেলেন ঢালাই কর্মী ধর্মেন্দ্র।
আরও ভিডিও
তিনি যাননি তারাতলায়, তবে যাঁদের সঙ্গে তাঁর কাজ করার কথা ছিল, মর্মান্তিক বিপর্যয়ে তাঁরা আজ মৃত। চোখের জল বাঁধ মানছে না ধর্মেন্দ্রর। এসএসকেএম হাসপাতাল থেকে বন্ধুদের দেহ নিয়ে যেতে এসেছিলেন সোদপুরের ধর্মেন্দ্র। তারাতলায় ঢালাইয়ের কাজে বিস্তর গলদ ছিল বলেই ধারণা, অভিজ্ঞ ধর্মেন্দ্রর। বন্ধুদের মৃত্যুতে তাঁর সব রাগ গিয়ে পড়েছে ঠিকাদারের উপর!
কাঁদতে কাঁদতে ধর্মেন্দ্রর বলছিলেন, ‘আমার মেয়েটা লক্ষ্মী মেয়ে আছে’, সেই লক্ষ্মীর কৃপাতেই বেঁচে গেলেন ধর্মেন্দ্র। সুরেন্দ্রনাথ কলেজ থেকে পড়াশোনা করেছেন ধর্মেন্দ্রর স্ত্রী, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসেন তিনি নিয়মিত। মা-মেয়েকে নিয়ে স্বামী স্ত্রীর সুখের সংসারে। সেই সংসারেই বিপর্যয় হয়ে দেখা দিয়েছে তারাতলা। বন্ধু হারিয়ে বাকরুদ্ধ ধর্মেন্দ্র চাইছেন দোষীদের শাস্তি।
সর্বশেষ খবর
-
কলকাতায় আফ্রিকার ‘রাজা’র গর্জন, মাসাইমারার জঙ্গলে দাপিয়ে বেড়ানো সিংহ এবার আলিপুরে?
-
ইস্টবেঙ্গলকে টাকা দিতে আপত্তি জানিয়ে ফেডারেশনকে চিঠি ইমামির, ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি জমা দেবে কীভাবে?
-
খুন করবে ইরান! প্রাণ বাঁচাতে খাবারের গাড়িতে লুকোন ট্রাম্প, ফাঁস ‘পালানো’র কাহিনি
-
নাবালিকার সঙ্গে প্রেম, যুবকের বাড়িতে সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় চরম সিদ্ধান্ত যুগলের!
-
বন্দুকের নলের ডগায় সুনীল শেট্টির জীবন! হাড়হিম করা কোন ঘটনার সাক্ষী অভিনেতা?