যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযানে ঝাড়খণ্ডের সারান্ডা থেকে পালিয়েছিলেন মাওবাদী নেত্রী শকুন্তলা মাহাতো ওরফে পুষ্পা। বঙ্গে তাঁর আত্মগোপন নিয়ে চর্চার মাঝেই লালবাজারে গিয়ে আত্মসমর্পণ করলেন মাও বঙ্গ ব্রিগেডের সদস্য, সিপিআই (মাওবাদী)-র জোনাল কমিটির এই সদস্য। তাঁর মাথার দাম ছিল ১০ লক্ষ টাকা। এহেন শীর্ষ মাওবাদী নেত্রীর আত্মসমর্পণ (Maoist Leader Surrender) যে কলকাতা পুলিশের বড় সাফল্য তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
৪৬ রাউন্ড গুলি ও আগ্নেয়াস্ত্র-সহ কলকাতা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন একদা সারান্ডার জঙ্গলের ত্রাস। একাধিক মাও অভিযানের মাস্টারমাইন্ড এই নেত্রী। আত্মসমর্পণের সময় তিনি বলেন, ‘আমাদের দলের যারা এখনও বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছেন তাঁরা চেষ্টা করুন মূল স্রোতে ফিরে আসার। বর্তমান সরকার অনেক ভালো কাজ করছে। অস্ত্র ছেড়ে উন্নয়নে শামিল হওয়াই সকলের জন্য মঙ্গলের।’
আরও ভিডিও
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের তরফে মাওবাদীমুক্ত ভারতের টার্গেট মেনে বড় পরিসরে শুরু হয় অভিযান। একের পর এক মাওবাদী নেতা-নেত্রী গ্রেফতার, যৌথ বাহিনীর গুলিতে মৃত্যু, আত্মসমর্পণের পর অবশেষে হিংসার রাস্তা ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরলেন জঙ্গল দাপিয়ে বেড়ানো শকুন্তলা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
পঙ্গু করে রেখেছিলেন মমতা, বিশ্বযুদ্ধ থেকে পাক লড়াইয়ে ‘সফল’ বাহিনীর গরিমা ফেরাবেন শুভেন্দু
-
ট্রাম্প এবার দয়ালু, কেপ ভার্দে তারকা ভোজিনহার ইচ্ছা পূরণে কঠোর আইন ভাঙছে আমেরিকা
-
কবে রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্সের ফলপ্রকাশ? দিনক্ষণ ঘোষণা বোর্ডের
-
‘নিট’ প্রশ্ন ফাঁস রুখতে টেলিগ্রামই কেন নিষিদ্ধ? চরম বিতর্কে অবস্থান স্পষ্ট করল কেন্দ্র
-
অনলাইনে দিতেই হবে হাজিরা, বাংলাদেশে নেটওয়ার্ক পেতে গাছে চড়ে বসলেন প্রধান শিক্ষক