বর্ধমান থেকে কৈলাস-মানস সরোবরের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছিলেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। চা-পানের ১৫ মিনিটের বিরতি নেপালের মহাপ্রলয় থেকে তাঁর প্রাণ বাঁচিয়েছে।
চোখের সামনে প্রকৃতির রুদ্ররূপ দেখে বাড়ি ফিরেছেন বর্ধমানের কল্যাণকুমার তা। চর্মচক্ষে ধরা দেওয়া ভয়াবহ সেই দৃশ্যগুলো কিছুতেই মুছতে পারছেন না। তা যতটা জীবন্ত তাঁর কাছে, ততটাই সতর্ক তাঁর মন।
আরও ভিডিও
Advertisement
নিজে নিরাপদে ফিরে বারবার বলছেন, ‘‘প্রকৃতির এই রূপ না দেখতে পেলেই ভালো হতো। কিন্তু প্রকৃতি শোধ তো তুলবেই। তার আগে তো আমরাই প্রকৃতির উপর অত্যাচার করেছি। এখনও সতর্ক না হলে আমাদেরও এখানেও নেপালের মতো হবে।”
Advertisement
সর্বশেষ খবর
-
‘ইসলামই শ্রেষ্ঠ’, মন্তব্য কর্নাটকের মন্ত্রীর, হিন্দু ধর্মকে হেয় করার অভিযোগ বিজেপির
-
ঠোঁটে সারাক্ষণ কৃষ্ণনাম, সাধু বেশে আশ্রয় নিয়ে একের পর এক মঠে লুট! তারপর…
-
নেপালের দুর্যোগে ভাসবে উত্তরপ্রদেশ? ফুঁসছে নারায়ণী-গণ্ডক, প্লাবনের শঙ্কায় সতর্কতা একাধিক জেলায়
-
পাথর হয়েছিল পিত্তথলিতে, অস্ত্রোপচার হল অ্যাপেনডিক্স! কাঠগড়ায় এনআরএস হাসপাতাল
-
হবু স্ত্রী ইউরোপের রাজকন্যা! বিলাওয়াল ভুট্টোর বিয়ে নিয়ে জল্পনা, কী বলছে পাকিস্তান পিপলস পার্টি?