বাংলার ম্যাটিনিতে উত্তম কুমার একাই একশো। বেঁচে থাকলে এবছর একশোয় পা দিতেন ঠিকই, তবে প্রয়াণের সাড়ে চার দশক পেরলেও বাঙালির কাছে তাঁর বিকল্প এখনও ধরা দেয়নি। আজও মহানায়ক বাঙালির ‘একমেবাদ্বিতীয়ম’ ম্যাটিনি আইডল। উত্তম স্মরণে সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়।
উত্তমদা সম্পর্কে আর নতুন করে কীই বা বলব, বিগত বছরগুলোতে যা বলার সবই বলা হয়ে গিয়েছে। সত্যি বলতে এই বৃষ্টিভেজা দিনে এত স্মৃতিচারণ মনকে যেন আরও ভারী করে তোলে। তবে উত্তমদার সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা সব সময়ই মনে রাখার মতো। অনেক ছবি করেছি একসঙ্গে। ‘বসু পরিবার’, ‘কল্যাণী’, ‘রাইকমল’, ‘নবজন্ম’, ‘মরুতীর্থ হিঙ্গলাজ’, ‘নিশিপদ্ম’ আরও অনেক ছবি।
আরও পড়ুন:
ওঁর সঙ্গে অভিনয় করে কার না ভালো লেগেছে! আমারও অবশ্যই লেগেছে। আমাদের নির্দিষ্ট কোনও ‘জুটি’ না থাকলেও, অনেকগুলো কাজ করেছি একসঙ্গে। সত্যিকারের জাত অভিনেতা ছিলেন, যিনি প্রতিটি চরিত্র বুঝে অভিনয় করতেন। এই সব স্মৃতিচারণা করতে ভালো লাগে না, কারণ আমি বিশ্বাস করতে পারি না উনি আর নেই।

তিনি তো আজও আমার কাছে জীবন্ত, তা হলে স্মৃতিচারণা কিসের? বাংলা ছবির ইন্ডাস্ট্রিকে উনি যা দিয়েছেন তেমন তো আর কেউ দিতে পারেনি। একসঙ্গে কাজ করার সময় তো দুজনেই দুজনের থেকে শিখতাম। নেই আর বলি কী করে, যে কোনও একটা ছবি দেখতে বসলেই তো উনি জীবন্ত হয়ে যান। ওঁর মতো প্রতিভাবান অভিনেতার সঙ্গে কাজ করতে সব সময়ই ভালো লাগত।

আমার নিজের হয়তো গ্ল্যামার বা রূপ ছিল না, শুধুই অভিনয়ের জোরে টিকে থেকেছি। আর সেই কাজে উত্তমদার থেকে সহযোগিতাও পেয়েছি বরাবর।মানুষ হিসেবেও উনি অসাধারণ ছিলেন। ওঁর পরিবার, বাবা, মায়ের সঙ্গে আমার দারুণ সম্পর্ক ছিল, ভীষণ শ্রদ্ধা করতাম ওঁদের। তাই উত্তমদার সঙ্গে আমার অন্যরকম একটা সুন্দর পারিবারিক সম্পর্ক ছিল, যা অভিনয়ের ক্ষেত্রেও দারুণ প্রভাব ফেলত। কে তাঁকে ‘মহা হিরো’ বা ‘মহানায়ক’ বলল বা কী নাম দিল তাতে আমার কিছু যায় আসে না। আমি শুধু জানি শিল্পী হিসেবে সত্যি ওঁর কোনও তুলনা ছিল না।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
হাত চ্যাটপ্য়াট না করেও নরম হবে আটা, রুটি বানানোর আগে মাথায় রাখুন ৫ কৌশল
-
শিনকু লা টানেল ঘিরে আশার আলো! লাদাখের সঙ্গে যোগাযোগ গড়বে নতুন স্থায়ী রাস্তা
-
‘আমি কখনও গর্ভপাত করিনি,’ নারী শরীর নিয়ে ‘অসংবেদনশীল’ মন্তব্য! কটাক্ষে বিদ্ধ ওরি
-
ব্রাজিল ম্যাচের আগেই রাজ্যে কিংবদন্তি কাফু, দার্জিলিং ও কলকাতায় একাধিক কর্মসূচি
-
আর ট্রেন লেট নয়, পুরুলিয়ার আদ্রা-জয়চণ্ডীপাহাড় বাইপাস রেলপথে ২৭২ কোটি খরচে কাজ