Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
North Bengal

সৌন্দর্যায়নে নয়া পালক! কলকাতার পর আলিপুরদুয়ারেও তৈরি হবে বিশ্ব বাংলা গেট

শহরের তিন প্রবেশ দ্বারে তৈরি হবে এই বিশ্ব বাংলা গেট।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৫, ১২:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৫, ১২:২০

options
link
সৌন্দর্যায়নে নয়া পালক! কলকাতার পর আলিপুরদুয়ারেও তৈরি হবে বিশ্ব বাংলা গেট zoom
Advertisement

রাজ কুমার, আলিপুরদুয়ার: কলকাতার পর এবার আলিপুরদুয়ারেও তৈরি হচ্ছে বিশ্ব বাংলা গেট। পর্যটক টানতে উত্তরবঙ্গের এই শহরকে আরও আকর্ষণীয় করে সাজিয়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই মতো শহরের তিন প্রবেশ দ্বারে তৈরি হবে এই বিশ্ব বাংলা গেট। আলিপুরদুয়ার পুরসভার চেয়ারম্যান বাবলু কর জানিয়েছেন, ”শহরের তিন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা অর্থাৎ শোভাগঞ্জ মোড়, কালজানি ব্রিজ ও দমকল কেন্দ্রের সামনে এই তিন গেট বসানো হবে।” আজ বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে তিনটি গেটের নকশা কেমন হবে তা প্রকাশ করা হয়। উৎসবের আবহে যা আলিপুরদুয়ারের মানুষের কাছে বড় উপহার বলেই মত।

বাবলু কর জানিয়েছেন, “আলিপুরদুয়ারে তিন দিকে যে ঢোকার পথ রয়েছে সেখানে এই গেটগুলি বসানো হবে।” তাঁর কথায়, ”ইতিমধ্যেই এই গেট নির্মাণের জন্য ই টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে । ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসের আগেই এই গেটগুলি শহরের মানুষকে উপহার দেওয়া যাবে।” তবে এই তিনটি গেট তৈরিতে কত টাকা খরচ হবে, তা অবশ্য স্পষ্টভাবে জানাননি বাবলু কর। তিনি বলেন, ”এখনই এই গেট তৈরিতে খরচ কত হতে পারে তা আমরা বলছি না। কারণ তাহলে ঠিকাদাররা সেই অনুযায়ী দাম দিয়ে টেন্ডার জমা দেবেন। টাকা যাই লাগুক পুরসভা তার নিজস্ব তহবিল থেকেই এই কাজ করবে।”

Advertisement

আজ বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে পুরসভার তরফে এই তিনটি গেটের নকশা প্রকাশ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমস্ত কাউন্সিলর থেকে ইঞ্জিনিয়াররা। তবে শুধু গেটই নয়, পর্যটকদের কাছে আলিপুরদুয়ার শহরকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে আরও একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে আলিপুরদুয়ার পুরসভার। যার মধ্যে রয়েছে ঝিল সংস্কার, নতুন পার্ক তৈরিও। উৎসবের আবহে পুরসভার এহেন পদক্ষেপে খুশি স্থানীয় মানুষজন।

স্থানীয় এক বাসিন্দা দিলীপ রায় বলেন, ”পর্যটনের শহর বলে আলিপুরদুয়ারকে সবাই চেনে। শহরকে যেভাবে সাজিয়ে তোলার সিদ্ধান্ত তা নিঃসন্দেহে ভালো উদ্যোগ।” তবে তাঁর পরামর্শ, শহরে ঝিলের পাশে থাকা এলাকাগুলোতে পার্ক, রেস্টুরেন্ট, হাঁটার পথ, হোম স্টে, ছোটদের খেলার জায়গা সহ নানান উদ্যোগ নেওয়া উচিৎ। এতে কর্মসংস্থান আরও বাড়বে বলেই মত দিলীপ রায়ের।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.