সুমন করাতি, হুগলি: খো খো বিশ্বকাপ জয় করে বাড়ি ফিরলেন সুমন বর্মন। হুগলির চুঁচুড়া মিলনপল্লীর এলাকার বাসিন্দারা তাঁর অপেক্ষাতেই ছিলেন। এদিন তিনি এলাকায় আসতেই শুরু হয়ে যায় সেলিব্রেশন। ফুল,মালা দিয়ে বরন করে নেওয়া হয় তাঁকে। হুডখোলা গাড়িতে তাঁকে তুলে ঘোরানো হয় এলাকায়। ব্যান্ডপার্টি নিয়ে প্রতিবেশীরা কার্যত মিছিল করে তাঁকে বাড়ি নিয়ে ফেরেন।
আজ শুক্রবার বেলায় সুমন বাড়ি ফেরেন। তাঁর সঙ্গে ছিল ভারতের জাতীয় পতাকা। গলায় ঝোলানো ছিল বিশ্বকাপ জেতা মেডেল। প্রতিবেশীদের মধ্যে এই উছ্বাস দেখে অভিভূত সুমন। একসময় তিনি আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন। সংসারে যথেষ্ঠ অভাব আছে। সে কারণে সুমন একটা চাকরি চান। তিনি জানিয়েছেন, বাবা-মা কষ্ট করে বড় করেছেন।এবার তাঁদের কষ্ট লাঘব করতে হবে।
এবার ১৩-১৯ জানুয়ারি দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী স্টেডিয়ামে বসেছিল প্রথম খো খো বিশ্বকাপের আসর। পুরুষ বিভাগে ২০টি দেশ অংশ নিয়েছিল। মহিলাদের প্রতিযোগিতায় ১৯ দেশ অংশ নেয়। ভারতের পুরুষ ও মহিলা দুই দলই খো খো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়। বিশ্বজয়ী ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন বাংলার ছেলে সুমন। হুগলির চুঁচুড়ানিবাসী দিনমজুরের পুত্র সুমনের মাথাতেও উঠেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নের শিরোপা। কিন্তু সাফল্য এলেও পেটে ভাত জুটবে কিনা, সংশয় চুঁচুড়ার বর্মন পরিবারের।
একটা দশ ফুট বাই দচ ফুট ঘরে পাঁচ জনের পরিবার সুমনদের। ছেলেকে ঠিকমতো খেতে দিতে পারেননি।সেই ছেলেই বিশ্বকাপ জিতে ফিরেছেন। ছেলেকে সামনে দেখে এদিন কেঁদে ফেলেছেন তাঁর বাবা-মাও। সুমনের দিনমজুর বাবা রামদেব কাজের সূত্রে কেরলে ছিলেন।পরিচারিকার কাজ করেন মা সুজাতা।
সর্বশেষ খবর
-
দুই বউকেই থাকতে দিতে হবে ঘরে, আজব দাবিতে ২০০ ফুট উঁচু মোবাইল টাওয়ারে যুবক!
-
বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় ভারত কোথায়? সংসদে লিখিতভাবে জানাল মোদি সরকার
-
‘কারও নামে বদনাম করিনি’, মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরই নেতাজি নিয়ে সুরবদল অনন্ত মহারাজের
-
ইউক্রেনের ব্যাঙ্কের সঙ্গে বিবাদ! যুদ্ধের মাঝে রাশিয়ায় বড় দায়িত্বে ভারতের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি
-
‘সময় ঠিক করুন, সব প্রশ্নের জবাব দেব’, স্পিকারকে চিঠি দিয়ে বিরোধীদের পালটা চাপ শাহের