Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
Doban

নদীকে আগলে রেখেছে পাহাড়, নিরিবিলিতে ছুটি কাটানোর গন্তব্য হোক দোবান

শীতের শেষবেলায় পর্যটকের ভিড়ে ঠাসা দোবান।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৫, ১৯:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৫, ১৯:৪০

options
link
নদীকে আগলে রেখেছে পাহাড়, নিরিবিলিতে ছুটি কাটানোর গন্তব্য হোক দোবান zoom
Advertisement

অরূপ বসাক: অগোছালো ছন্দে এগিয়ে গিয়েছে নদী। চারপাশ থেকে তাকে আগলে রেখেছে পাহাড়। শান্ত প্রকৃতি যেন সবুজ চাদরের আবরণে নিজেকে ঢেকে নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে রয়েছে। কালিম্পংয়ের দোবান উপত্যকাই নীরবতাই যেন আট থেকে আশির আকর্ষণের কারণ। তাই শীতের শেষবেলায় পর্যটকের ভিড়ে ঠাসা দোবান।

নেপালি ভাষায় ‘দো’ মানে দুই। আর ‘বান’ শব্দের অর্থ বন্ধন। রংপো এবং ঋষি নদীর ঠিক মাঝখানে অবস্থিত এই উপত্যকা। কালিম্পং মহকুমায় অন্তর্গত দোবান। তবে পূর্ব সিকিম হয়েই এখানে যেতে হয়। শহরের কোলাহল থেকে দূরে শান্তির আশ্রয়ে যাঁরা থাকতে চান, তাঁদের জন্য আদর্শ এই অফবিট ডেস্টিনেশন।

Advertisement

দোবানে গেলে দেখার চেয়েও বেশি অনুভব করবেন। নিস্তব্ধতার শান্তি। কান পাতলেই শুনতে পাবেন অজানা কোনও পাখির ডাক। যেন আপনাকেই বড় ভালোবেসে কাছে ডাকছে। পায়ের জুতোটা খুলে একবার যখন নরম ঘাসের উপর পা রাখবেন, শরীর সম্পূর্ণ শীতল হয়ে যাবে।পাথরের বুক চিরে বয়ে গিয়েছে স্বচ্ছ স্ফটিকের মতো জল। চাইলে তাতেই পা ডুবিয়ে নিতে পারেন। নিজেকেই দেখতে পাবেন প্রকৃতির এই আয়নায়। দিন গড়িয়ে রাত নামলেই মাথার উপরে শোভা পাবে চাঁদ। জ্যোৎস্না মেখে আরও মোহময়ী হয়ে ওঠে পাহাড়ের এই নিস্তব্ধতা। জোনাকির মতো শোভা পায় তারাগুলি।

কীভাবে যাবেন?
একাকিত্বের এই সাম্রাজ্যে পৌঁছতে গেলে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে প্রায় ৮৫ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে যেতে হবে। তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় লাগতে পারে তাতে। গাড়ি বুক করে নিতে পারেন কিংবা শেয়ারেও যেতে পারেন। রংপোতে পৌঁছনোর পর সেখান থেকে সার্ভিস জিপে রেনক যাওয়ার পথে রোরাথাং ব্রিজে নেমে পড়তে হবে। তারপর প্রায় ২ কিলোমিটার নদীর চর ধরে হাঁটতে হবে। একটি কাঠের সাঁকো পেরিয়ে দোবানে পৌঁছতে পারবেন। হাঁটতে না চাইলে রংপো থেকেও সরাসরি গাড়ি বুক করে যাওয়া যায় নদীর কোলে।

কোথায় থাকবেন?
উপত্যকার ঠিক মাঝে অনেকটা জায়গাজুড়ে কিছু কটেজ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। আগে থেকে বুক করে যাওয়াই ভাল। তাতে নিশ্চিন্তে থাকতে পারবেন। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.