Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Kashmir

পহেলগাঁও কাণ্ডের আতঙ্ক কাটিয়ে ফের কাশ্মীরমুখী বাঙালি, বিক্রি শুরু হতে না হতেই শেষ ট্রেনের টিকিট

আপনিও পুজোয় কাশ্মীর সফরের প্ল্যান করেছেন নাকি?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩০, ২০২৫, ০৯:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩০, ২০২৫, ০৯:০৩

options
link
পহেলগাঁও কাণ্ডের আতঙ্ক কাটিয়ে ফের কাশ্মীরমুখী বাঙালি, বিক্রি শুরু হতে না হতেই শেষ ট্রেনের টিকিট zoom
Advertisement

সুব্রত বিশ্বাস: পহেলগাঁও-এ জঙ্গি হামলার স্মৃতি এখনও টাটকা। তবে আতঙ্ক কেটেছে অনেকটাই। তাই অধিকাংশ বাঙালির পুজোর ডেস্টিনেশন এবার কাশ্মীরই। মঙ্গলবারই শুরু হল পুজোর মরশুমের প্রথম রেলের টিকিট বিক্রি। শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই শেষ পঞ্চমীর টিকিট বিক্রি। রাতভর লাইন দিয়েও টিকিট পেলেন না অসংখ্য ভ্রমণপিপাসু বাঙালি।

ফেয়ারলি প্লেসে রাতভর জেগেও টিকিট পেলেন না কোন্নগরের পুলিন সামন্ত। তিনি বলেন, “প্রথম দিকেই ছিলাম। দার্জিলিংয়ে যাওয়ার জন্য টিকিট কাটতে আসি। কিন্তু কোনও ট্রেনেই টিকিট পেলাম না। এদিন কাউন্টার খোলা মাত্র কাশ্মীরগামী ট্রেনের টিকিট বুকিং শেষ।” পূর্ব রেলের টিকিট সংরক্ষণ বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, জম্মু তাওয়াই এক্সপ্রেসের এসি প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির টিকিটের অবস্থা নো-রুমের পর্যায়ে চলে গিয়েছে এদিন। এসি থ্রি টিয়ারে ওয়েটিং লিস্ট ২১৫তে এসে দাঁড়িয়েছে। স্লিপারে ওয়েটিং লিস্ট ২০৭। হিমগিরি এক্সপ্রেস এসি ফার্স্ট ক্লাসের কোনও টিকিট নেই, এক কথায় নো-রুম। এসি টুতে ২৩৭ ওয়েটিং লিস্টে এসে দাঁড়ায়। এসি থ্রিতেও টিকিট নেই, মানে সেই নো-রুম। ওই ট্রেনে স্লিপারও ওয়েটিংয়ের ১৬৫তে এসে দাঁড়ায় শেষবেলায়।

Advertisement

পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর আতঙ্কে ছিল বাঙালি। পুজোর হাওয়া লাগতেই সেই ভয় উবে গিয়েছে। পূর্ব রেলের প্রিন্সিপ্যাল চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার উদয়শঙ্কর ঝা জানিয়েছেন, “ভারত সরকার আতঙ্কবাদীদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নিয়ে মানুষের মনে আস্থা জুগিয়েছে। এই ধরনের হামলার পুনরাবৃত্তি হবে না। এই আত্মবিশ্বাস জাগিয়েছে মানুষের মনে। তাই মানুষ ছুটছে কাশ্মীরেই।” পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বরাবরই বাঙালিকে টানে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

মঙ্গলবার পঞ্চমীর দিনের ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হতেই সব শেষ প্রথম কয়েক মিনিটেই। কোনও ট্রেনে ওয়েটিং লিস্টের টিকিটও দেওয়া যায়নি। ফলে নো-রুমের পর্যায়ে চলে যায় সব শ্রেণির টিকিট। দার্জিলিং মেল, সরাইঘাট এক্সপ্রেস, কামরূপ এক্সপ্রেস, তিস্তা তোর্সা এক্সপ্রেস- এসি থেকে স্লিপার সবই নো-রুমে চলে যায় এদিন। এনজেপি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে এক্সিকিউটিভ ক্লাস, সিসি ক্লাসের টিকিটও নো-রুমে চলে যায়। এনজেপি শতাব্দী এক্সপ্রেসের অবস্থা তথৈবচ। তবে পুরীর সমুদ্রই বা কম যায় কীসে। প্রভু জগন্নাথের মাহাত্ম্য সব সময় বাঙালিকে কাছে টানে। পুরী এক্সপ্রেসের সব ক্লাসের টিকিট এদিন নো-রুমে পর্যবসিত হয়ে গিয়েছে। একই দিনে জগন্নাথ এক্সপ্রেসের এসি প্রথম শ্রেণিতে ওয়েটিং ১৯, এসি দ্বিতীয় শ্রেণিতে ওয়েটিং ৬১তে এসে দাঁড়ায় এদিন। স্লিপারের অবস্থা নো-রুম। পুরীর বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে পঞ্চমীর দিনের টিকিট যে পর্যায়ে এসেছে তা, ইসি ক্লাসে ওয়েটিং ২২ এসে দাঁড়ায়। এসি চেয়ারকারে ওয়েটিং লিস্টের ৪২-এ এসে শেষ হয়।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.