Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
Sikkim

জ্বলন্ত মশাল আর মুখোশ নৃত্য, সিকিমের ‘রাংকে ভূত’ নিয়ে পর্যটকদের উন্মাদনা তুঙ্গে

কথায় বলে, পাহাড়ি উপত্যকায় নাকি অপশক্তির আনাগোনা সবচেয়ে বেশি। ভ্রমণপিপাসু মানুষদের জন্য এই মেলা এক দুর্লভ অভিজ্ঞতা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৭, ২০২৬, ১৯:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৭, ২০২৬, ১৯:০২

options
link
জ্বলন্ত মশাল আর মুখোশ নৃত্য, সিকিমের ‘রাংকে ভূত’ নিয়ে পর্যটকদের উন্মাদনা তুঙ্গে zoom
পর্যটকদের কাছে এই উৎসব কেন এক অমোঘ আকর্ষণ?
Advertisement

কথায় বলে, পাহাড়ি উপত্যকায় নাকি অপশক্তির আনাগোনা সবচেয়ে বেশি। কুয়াশাচ্ছন্ন নিস্তব্ধ উপত্যকা আর রহস্যময় গিরিখাতের অলিপথ থেকে অতীতে একাধিকবার অশরীরী আত্মার অস্তিত্বের রোমাঞ্চকর হাড়হিম নজির মিলেছে। তবে সেই নিবিড় অন্ধকারকে চিরতরে দূর করতেই পাহাড়ের কোলে যুগ যুগ ধরে পালিত হয়ে আসছে এক অনন্য সনাতন আচার। যে রীতির মূল বিশ্বাসই হল অশুভকে পুড়িয়ে শুভ শক্তির আবাহন। এবারও সেই আলোয় ভাসল দক্ষিণ সিকিমের সুন্দর শহর নামচি। বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আজ ১৭ জুলাই শুক্রবার শেষ হল ঐতিহ্যবাহী দু’দিনের ‘রাংকে মেলা ২০২৬’।

ছবি: সংগৃহীত

কী এই ‘রাংকে ভূত’?
স্থানীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ‘রাংকে ভূত’ আদতে অপশক্তি ও অশুভ আত্মাকে বিতাড়িত করার এক সনাতন আচার। ‘ভূত’ শব্দটির অর্থ আত্মা হলেও, এই উৎসবের মূল বার্তা হল ইতিবাচকতা ও শান্তির জয়। পাহাড়ি জনজীবনের দুঃখ-কষ্ট দূর করে শুভ শক্তিকে বরণ করে নেওয়াই এর উদ্দেশ্য। ২০২৬ সালের এই উৎসবের মূল ভাবনা অতীত ঐতিহ্য। এবং সেই ঐতিহ্যে বিশ্বকে অনুপ্রাণিত করা।

Advertisement

এই উৎসবের শিকড় লুকিয়ে রয়েছে ইতিহাসের গভীরে। আয়োজকদের মতে, রাংকে মেলার সূচনা কয়েক শতাব্দী আগে। ঐতিহাসিক তথ্য বলে, আঠারো শতকে সিকিমের তৎকালীন রাজা (চোগিয়াল) নামচির লাসো কাজির মাধ্যমে নির্দেশ দেন প্রজা সাধারণের কল্যাণে এই প্রথা টিকিয়ে রাখতে। সেই আদেশ মেনেই আজও এই উৎসব পরম শ্রদ্ধায় পালিত হয়।

ছবি: সংগৃহীত

পর্যটকদের কাছে কেন এটি অনন্য আকর্ষণ?
ভ্রমণপিপাসু মানুষদের জন্য এই মেলা এক দুর্লভ অভিজ্ঞতা। সূর্যাস্তের পর অন্ধকার পাহাড়ি রাস্তায় মশাল মিছিলের দৃশ্য এক রোমাঞ্চকর পরিবেশ তৈরি করে। লোকশিল্পীদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক, ভয়াল অথচ অদ্ভুত সুন্দর মুখোশ এবং লোকসংগীতের মেলবন্ধন পর্যটকদের অন্য এক জগতে নিয়ে যায়। সিকিমের খাঁটি লোকসংস্কৃতি ও রূপকথাকে খুব কাছ থেকে প্রত্যক্ষ করার এমন সুযোগ আর কোথাও পাওয়া যায় না। আর তাই প্রতি বছরই এই আলো-আঁধারির ঐতিহ্যবাহী মিছিল দেখতে হাজারও পর্যটক ভিড় জমান নামচিতে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.