সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গ্রীষ্ম হোক বা শীত, সিকিম সবসময়েই পর্যটকদের পছন্দের তালিকায়। হিমালয়ের কোলে এই স্বর্গরাজ্যে বছরভর ভ্রমণবিলাসীদের আনাগোনা লেগে থাকে। আর এই শীতেই যদি আপনি ছাঁদনাতলায় বসেন, তাহলে মধুচন্দ্রিমার জন্য সিকিমের এই কয়েকটি গন্তব্য বেছে নিতে পারেন অনায়াসে। খুব একটা গ্যাঁটের কড়ি খরচও হবে না আবার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝে রোম্যান্সও জমে উঠবে।
চালামথাং
দক্ষিণ সিকিমের এই ছোট্ট গ্রাম যেন প্রকৃতির স্বর্গরাজ্য। শীতকালীন মরশুমে আরও এক অন্য রূপধারণ করে চালামথাং। হোক কনকনে হাড় কাঁপানো ঠান্ডা, তবুও সিকিমের এই ছোট্ট গ্রাম যেন ভুলিয়ে দেয় শহুরে সমস্ত স্ট্রেস। চালামথাংয়ের প্রধান আকর্ষণ প্রায় ১৬০ বছরের পুরনো এক কুটির। বাঁশ, ঘাস আর গাছের ডালে তৈরি এই কুটির সগর্বে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে রয়েছে পাহাড়ের ঢালে। পার্বত্যবাসের নির্মাণশৈলী উপভোগ করার পর চলে যেতে পারেন বান জাখরি গিরিকন্দর। নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে গাড়ি ভাড়া করে এখানে ঘণ্টা চারেকের মধ্যে পৌঁছে যাবেন।

ইয়ুমথাং
উত্তর সিকিমের ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম। লাচুং থেকে সোজা চলে যাতে পারেন ইয়ুমথাংয়ে। তুষারাবৃত উপত্যকায় বলিউড তারকার মতো রোম্যান্স করতে চাইলে ইয়ুমথাং ভ্যালি সেরা অপশন। এখান থেকে ঘুরে নেওয়া যায় জিরো পয়েন্ট। লাচুংও দারুণ সুন্দর। ইয়ুমথাংয়ের বুক চিরেই বয়ে গিয়েছে পার্বত্য নদী। সেই রূপও নয়নাভিরাম। তবে উত্তর সিকিমের এই গ্রামে যেতে চাইলে লেখানকার অনুমতি আবশ্যক। গ্যাংটক থেকে ৪-৫ ঘণ্টার রাস্তা। শেয়ার ট্যাক্সিতে চলে যেতে পারেন।
জঙ্গু
এটিও উত্তর সিকিমে। এখান থেকে লিংজা জলপ্রপাত, লিংডেম উষ্ণ প্রস্রবণ, লিংথেম বৌদ্ধমঠ, তিংভং গ্রামে অনায়াসে ঘুরে আসতে পারেন। লেপচা জনজাতির বাস এখানে। যেমন শান্ত, নিরিবিলি, তেমনই প্রকৃতি এই গ্রামকে ঢেলে সাজিয়ে। গ্যাংটক থেকে ভায়া মঙ্গন হয়ে জঙ্গু যেতে হবে।

ইয়াকসম
সিকিমের পশ্চিমপ্রান্তে অবস্থিত এই পাহাড়ি গ্রাম। ইয়াকসমও পর্যটকদের কাছে বেশ পছন্দের। আর শীতকাল হলে তো কথাই নেই। ট্রেক করতে চাইলে ইয়াকসম দারুণ অপশন। গোয়েচা লা ট্রেক অনেকে এখান থেকেই শুরু করেন। এখানে অবস্থিত পুরনো বৌদ্ধ মন্দির থেকে চারদিকের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ৩৬০ ডিগ্রি ভিউ পাবেন।

গুরুদোংমা
শেষপাতে উত্তর সিকিমের এই লেকের কথা না বললেই নয়। শীতকালে বরফের চাদরে ছাকা থাকে গুরুদোংমার হ্রদ। গ্যাংটক থেকে ভায়া লাচেন হয় এখানে যেতে হয়। শেয়ার ট্যাক্সি বুক করেও যেতে পারেন এখানে। তবে জেনে রাখা ভালো, সিকিমের এই গন্তব্যগুলিতে যাওয়ার জন্য কিন্তু আগাম অনুমতি প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে হোমস্টে কিংবা হোটলের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাঁরাই ব্যবস্থা করে দেন অধিকাংশ সময়ে।
সর্বশেষ খবর
-
হাদি হত্যা নিয়ে মমতার বক্তব্য ‘পলিটিক্যাল স্টান্টবাজি’! গুরুত্ব দিতে নারাজ তারেকের সরকার
-
ডিমের ভয়! আলাদত চত্বরে লুঙ্গি তুলে দৌড় ধৃত তৃণমূল নেতার
-
তৃণমূলের বিরুদ্ধে গান গাওয়ায় প্রাণনাশের হুমকি! উদয়নের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শিল্পীর
-
মেয়র পদের পর খেলার মাঠও ছাড়ছেন ফিরহাদ, ইস্তফা ভলিবল সংস্থার প্রেসিডেন্ট পদ থেকে
-
‘জয় শ্রীরাম’, ‘জয় বুলডোজার বাবা’, মঞ্চে পা রাখতেই যোগীর উদ্দেশে স্লোগান জনতার