Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
Bigg Boss Bangla voice

‘বিগ বস-এর ঘরে…’, কণ্ঠ শুনলেই ঘুম ওড়ে প্রতিযোগীদের! ব্যারিটোন ভয়েসের নেপথ্যে কে?

বরাবরই সকলের মনে একটাই কৌতূহল- 'বিগ বস'-এর ঘরে যে গুরুগম্ভীর কণ্ঠ শোনা যায় কিংবা যার গলার আওয়াজ শুনেই প্রতিযোগীদের ঘুম ওড়ে নিত্যনতুন টাস্ক কিংবা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়ার ভয়ে, সেই কণ্ঠস্বরের নেপথ্যে কে?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২৬, ১৯:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২৬, ১৯:০৭

options
link
‘বিগ বস-এর ঘরে…’, কণ্ঠ শুনলেই ঘুম ওড়ে প্রতিযোগীদের! ব্যারিটোন ভয়েসের নেপথ্যে কে? zoom
'বিগ বস'-এর ঘরে কণ্ঠ শুনলেই ঘুম ওড়ে প্রতিযোগীদের! ব্যারিটোন ভয়েসের নেপথ্যে কে?
Advertisement

‘দূর্গ জয়, সহজ নয়’- ‘বিগ বস বাংলা’র দূর্গে টিকে থাকা কতটা দুর্গম? চলতি মরশুমে হাড়ে হাড়ে টের পাবেন পনেরো প্রতিযোগী। রবিবাসরীয় মজলিশের সুবাদেই শোয়ের শুভসূচনা হয়ে গেল। প্রায় একদশক বাদে নতুন মরশুম নিয়ে হাজির ‘বিগ বস বাংলা’। ‘প্রিন্স অফ ক্যালকাটা’র সঞ্চালনায় ঘরে কখন, কী ঘটে? টানটান উত্তেজনা দর্শকমহলে। কিন্তু বরাবরই সকলের মনে একটাই কৌতূহল- ‘বিগ বস’-এর ঘরে যে গুরুগম্ভীর কণ্ঠ শোনা যায় কিংবা যার গলার আওয়াজ শুনেই প্রতিযোগীদের ঘুম ওড়ে নিত্যনতুন টাস্ক কিংবা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়ার ভয়ে, সেই কণ্ঠস্বরের নেপথ্যে কে?

“কোনও লিখিত-পড়িত ‘নন ডিসক্লোসার ক্লজ’ (চুক্তি) কোনও দিনই ছিল না। তবুও, বলিনি। তবে প্রথম ২টো সিজনে (২০১৩ ও ২০১৬) যারা প্রতিযোগী ছিলেন, তাঁরা যখন শোয়ের শেষে আমায় দেখে ফেলেন, তখন…” 

শুরু হল ‘বিগ বস বাংলা’

শোয়ের নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক প্রতিযোগীকে উঠতে-বসতে নির্দেশ দেওয়া থেকে শুরু করে যে কণ্ঠ শুনেই সকালে ঘুম ভাঙে প্রতিযোগীদের, আবার রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগেও সেই কণ্ঠই শুভরাত্রি জানান দেয়, এহেন ব্যারিটোন ভয়েসের নেপথ্যে কে? এযাবৎকাল সেটা ফাঁস না হলেও সদ্য নিজেই সেকথা জানিয়েছেন শিল্পী। তিনি আর কেউ নন, বিশিষ্ট বাচিকশিল্পী তথা অভিনেতা সোহন বন্দ্যোপাধ্যায়। গত দু’বার ‘বিগ বস বাংলা’র ঘরে তাঁর কণ্ঠ শোনা গেলেও কোনওদিনই সেটা প্রকাশ্যে আনেননি তিনি। তবে রবিবাসরীয় রাতের মজলিশের সেই অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন সোহন। তিনি জানিয়েছেন, প্রথম ও দ্বিতীয় মরশুমে ‘বিগ বস’-এর কণ্ঠ ছিল তাঁরই।

Advertisement

সোহন বন্দ্যোপাধ্যায় এক দীর্ঘ পোস্টে উল্লেখ করেছেন, খুব ঘনিষ্ঠ বৃত্ত ছাড়া হাজার চাপেও এতদিন কথাটা সরাসরি স্বীকার করিনি- ভাবে-বাচ্যে এড়িয়েছি। না, কোনও লিখিত-পড়িত ‘নন ডিসক্লোসার ক্লজ’ (চুক্তি) কোনও দিনই ছিল না। তবুও, বলিনি। তবে প্রথম ২টো সিজনে (২০১৩ ও ২০১৬) যারা প্রতিযোগী ছিলেন, তাঁরা যখন শোয়ের শেষে আমায় দেখে ফেলেন, তখন তাঁদের পক্ষে বুঝে নেওয়াটা খুব একটা অস্বাভাবিক কিছু ছিল না। আর তাই, আমাদের তথাকথিত ‘ছোট ইন্ডাস্ট্রিতে’ কথা চালাচালি হওয়াও কিছু আশ্চর্যের নয়। সেই সব সূত্রেই কেউ কেউ কয়েক বছর ধরে জানেন বা আন্দাজ করতেই পারেন- আমিই ছিলাম ‘বিগ বস বাংলা’র ২০১৩ ও ২০১৬ সালে নামভূমিকার অভিনেতা। এটা নিয়ে অনেকের কৌতুহল ছিল- আজ সরাসরি জানিয়ে দিলাম।

বিশিষ্ট বাচিকশিল্পী তথা অভিনেতা সোহন বন্দ্যোপাধ্যায়।

বাচিকশিল্পী তথা অভিনেতা সোহনের সংযোজন, “যাই হোক, যে কথাটা বলার জন্য লিখছি, সেটা হল- ‘বিগ বস বাংলা’র এই নবতম সংস্করণের অংশ আমি নই। ‘বিগ বস’- এর ভূমিকায় বাচিক অভিনয়টা (তার মনস্তাত্ত্বিক প্রয়োগ-সহ) আমি অতীতে করলেও, এবারে করছি না। হ্যাঁ, প্রযোজনা সংস্থা আমার সঙ্গে বহুদিন ধরেই যোগাযোগ রাখছিলেন, তাঁরা চেয়েওছিলেন আমি যেন এবারেও ওই ভূমিকায় থাকি, কিন্তু মাঝের দশ বছরের ব্যবধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়াল। আমার পরিচিতি, কাজের সংখ্যা, আর্থিক দাবি, পারিবারিক পরিবেশ, ইত্যাদি অনেকটাই পালটে গিয়েছে। দু’পক্ষেরই আন্তরিক চেষ্টা সত্ত্বেও সবকিছু খাপ খাওয়ানো সম্ভব হল না। তাই নিজের খুব প্রিয় একটি কাজকে এবারে ‘না’ বলতে বাধ্য হলাম। এবারে অন্য শিল্পী বিগ বস-এর চরিত্রায়ন করবেন। তাঁর এবং পুরো শোয়ের জন্য আমার তরফ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা রইল।” তাহলে চলতিবারে এই অশরীরী ‘বিগ বস’-এর ভূমিকায় কে? সেটা অবশ্য অন্তরালেই রেখেছেন নির্মাতারা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.