Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৯ জুন ২০২৬
Rahul Banerjee Death

‘রাহুলদার মৃত্যুতে সহ-অভিনেত্রীর কী দোষ?’, দুঃসময়ে শ্বেতার ঢাল হয়ে সরব অভিনেত্রী তিতিক্ষা

রাহুলের মৃত্যুর পর শ্বেতার 'নীরবতা' নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। লাগাতার কটাক্ষ, সমালোচনার শিকারও হতে হচ্ছে অভিনেত্রীকে। এমতাবস্থায় বন্ধু, সহশিল্পীর ঢাল হয়ে নিন্দুকদের সংবেদনশীল হওয়ার পাঠ তিতিক্ষা দাসের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২২, ২০২৬, ১৩:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২২, ২০২৬, ১৩:২৪

options
link
‘রাহুলদার মৃত্যুতে সহ-অভিনেত্রীর কী দোষ?’, দুঃসময়ে শ্বেতার ঢাল হয়ে সরব অভিনেত্রী তিতিক্ষা zoom
দুঃসময়ে শ্বেতার ঢাল হয়ে সরব অভিনেত্রী তিতিক্ষা। ছবি- ফেসবুক

রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর (Rahul Banerjee Death) পর গত তিন সপ্তাহ ধরে লোকচক্ষুর আড়ালে শ্বেতা মিশ্র (Sweta Mishra)! ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের যে দৃশ্য শুট করতে গিয়ে মর্মান্তিক পরিণতি ঘটে রাহুলের, সেই দৃশ্যে অভিনয় করছিলেন শ্বেতাও। কিন্তু অভিনেতার মৃত্যুর পর শ্বেতার ‘নীরবতা’ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। এরমাঝেই অভিনেত্রীর ফ্যান পেজ থেকে ভাগ করে নেওয়া বেশ কিছু পোস্ট দেখে শ্বেতাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করান নেটভুবনের নীতিপুলিশেরা। লাগাতার কটাক্ষ, সমালোচনার শিকারও হতে হচ্ছে তাঁকে। এমতাবস্থায় বন্ধু, সহশিল্পীর ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন তিতিক্ষা দাস।

Rahul Banerjee's co-star sweta mishra is facing criticism for his death
শ্বেতা মিশ্র, রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়

মঙ্গলবারই সোশাল মিডিয়ায় এক বিবৃতি জারি করে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন শ্বেতা। ফ্যানপেজগুলির দৌড়াত্ম্যের মাঝে সম্প্রতি এক পোর্টালের তরফে টেলি অভিনেত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে ব্যক্তিগতজীবন, কঠিন সময় নিয়ে মন উজাড় করে কথা বলেছিলেন তিনি। আর সেই কথোপকথন সোশাল পাড়ায় দাবানল গতিতে ছড়িয়ে পড়তেই ফের নেতিবাচকভাবে চর্চার শিরোনামে ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের অভিনেত্রী। সেসব দেখেই চুপ করে থাকতে পারেননি শ্বেতার বন্ধু তিতিক্ষা দাস। অভিনেত্রীর প্রশ্ন, “রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে তাঁর সহ-অভিনেত্রীর কী দোষ?”

Advertisement

“রাহুলদার সহ-অভিনেত্রীর কোনও দোষ থাকতে পারে? কেবল ‘রিচ’ বাড়ানোর জন্য কিছু ব়্যান্ডম অ্যাকাউন্ট শ্বেতার চরিত্র নিয়ে যেভাবে টানাটানি করছে, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। একটু শান্তভাবে, ঠান্ডা মাথায় ভাবুন, আপনারা রাহুলদাকে বিচার পাইয়ে দিতে গিয়ে অন্য কারও সাথে খারাপ করছেন না তো?”

তিতিক্ষার মন্তব্য, “শ্বেতা আমার খুব ভালো বন্ধু, আজ পর্যন্ত কাজ করা আমার অন্যতম প্রিয় সহশিল্পী এবং ও এমন একজন মানুষ যাকে আমি অন্ধের মতো বিশ্বাস করতে পারি। ওর মতো খাঁটি এবং প্রতিভাবান মানুষ সত্যিই খুব বিরল। যে ঘটনা ঘটেছে, সেটা অত্যন্ত দুঃখজনক। আপনাদের সত্যিই মনে হয় এটে রাহুলদার সহ-অভিনেত্রীর কোনও দোষ থাকতে পারে? কেবল ‘রিচ’ বাড়ানোর জন্য কিছু ব়্যান্ডম অ্যাকাউন্ট শ্বেতার চরিত্র নিয়ে যেভাবে টানাটানি করছে, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। একটু শান্তভাবে, ঠান্ডা মাথায় ভাবুন, আপনারা রাহুলদাকে বিচার পাইয়ে দিতে গিয়ে অন্য কারও সাথে খারাপ করছেন না তো?” শুধু তাই নয়, কারও অনুমতি ব্য়তীত তাঁর ছবি কিংবা কথা প্রকাশ্যে আনা যে অনৈতিক সেকথাও মনে করিয়ে দেন তিতিক্ষা দাস। ‘দুই শালিক’ সিরিয়ালের অভিনেত্রীর সংযোজন, “রাস্তায় যে কোনও জায়গায় দাঁড়িয়ে একজন কারও সাথে কথা বলতেই পারে। আপনারা তার অনুমতি ছাড়া ছবি তুলে পোস্ট করে সেটা কি ঠিক করছেন? আপনাদের সবাইকে অনুরোধ করব, একটু অন্যের দিকটাও ভেবে দেখা প্র্যাকটিস করুন। হয়তো পাবলিক ফিগার হলে সহজ টার্গেট হয়। কিন্তু দিনের শেষ সকলেই তো মানুষ। তাই খারাপ লাগা থাকেই। দয়া এই সময়ে এসব করবেন না। বিশ্বাস করুন, শ্বেতা এমনিতেই খুব কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।”

পোর্টালের ভাইরাল ওই পোস্টে উল্লেখ ছিল- রাহুলের মৃত্যুর পর রোজ রাতে শ্বেতাকে ঘুমের ওষুধ খেতে হচ্ছে। রাস্তায় বেরোতেও নাকি ভয় পাচ্ছেন। শ্বেতা নাকি এও বলেন যে- সকলে মিলে তাকে দোষারোপ করলে, তিনি বাঁচবেন কি করে? তিনি তো ক্রিমিনাল নন। এমনকী শ্বেতা এর ‘শেষ দেখে ছাড়বেন’ বলেও উল্লেখ রয়েছে ওই পোস্টে। আর এহেন মন্তব্য ভাইরাল হওয়াতেই ফুঁসে উঠেছিলেন শ্বেতা মিশ্র। তিনি জানিয়েছিলেন, “সম্প্রতি যে আর্টিকেলটি প্রকাশিত হয়েছে, তা আমার অনুমতি ছাড়াই প্রকাশ করা হয়েছে এবং সেখানে আমার ছবিও আমার অজান্তে ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু আর্টিকেলে এমন কিছু কথা তুলে ধরা হয়েছে, যা আমি ওইভাবে বলিনি। আমি কখনোই বলিনি যে ‘আমার কেরিয়ার শেষ’। আমি শুধু বলেছিলাম, আমি সেই বিষয়টি নিয়ে ভয় পাই না। আমার কাছে কেরিয়ার মানে প্রতিভা, দক্ষতা এবং অধ্যবসায়ের সমন্বয়, এবং ঈশ্বরের কৃপায় আমি কিছু হারানোর ভয় পাই না। তাই সবাইকে অনুরোধ, পুরো বিষয়টি একটু সংবেদনশীলতার সঙ্গে দেখবেন।” এবার শ্বেতার হয়ে নিন্দুকদের সংবেদনশীল হওয়ার পাঠ তিতিক্ষা দাসের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.