Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Sean Banerjee

ঋজু-বিতর্কের মাঝে ‘ঠগ, বিশ্বাসঘাতক’ বলে শনকে কটাক্ষ! মুখ খুলতে বাধ্য হলেন অভিনেতা

আচমকাই কেন চর্চায় শন বন্দ্যোপাধ্যায়?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৫, ২০২৫, ২০:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৫, ২০২৫, ২০:৪৮

options
link
ঋজু-বিতর্কের মাঝে ‘ঠগ, বিশ্বাসঘাতক’ বলে শনকে কটাক্ষ! মুখ খুলতে বাধ্য হলেন অভিনেতা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পান থেকে চুন খসলেই সেলেবমহলের ব্যক্তিত্বদের নিয়ে নেটভুবনে বিষোদগার নতুন নয়! সম্প্রতি ‘ভারচুয়াল হেনস্তা’র অভিযোগে নেটবাসিন্দাদের রোষানলে পড়েছিলেন ঋজু বিশ্বাস। শেষমেশ ক্ষমা চেয়ে সংশ্লিষ্ট বিতর্কে যতিচিহ্ন টানার আর্জি জানান ‘বউ কথা কও’ অভিনেতা। এবার ‘ঠগ, বিশ্বাসঘাতক’ বলে শন বন্দ্যোপাধ্যায়কে কাঠগড়ায় দাঁড় করাল নেটপাড়া। অভিনেতাকে ঘিরে নানা কটু কথার ভিড় সোশাল মিডিয়ায়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে মুখ খুলতে বাধ্য হন শন।

সম্প্রতি বৃন্দাবন ঘুরতে গিয়ে সেখান থেকে বেশ কিছু ছবি, রিল ভিডিও পোস্ট করেছিলেন অভিনেতা। সেসব পোস্ট নিয়েই নেটপাড়ায় তুমুল চর্চা! বিশেষ করে নিন্দুকদের আতসকাচে শনের ব্যক্তিগতজীবন। জনৈক নেটবাসিন্দার মন্তব্য, ‘আট বছরের সম্পর্ক, একত্রবাস ভেঙে এক মডেল আপনার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছে। সব জেনে আপনিও তার সঙ্গে সম্পর্কে জড়ালেন? কর্মফল সকলকে ভোগ করতে হয়। আপনারা কোনওদিন সুখী হবেন না!’ কেউ বা আবার ‘ঘরভাঙানি’ বলেও কটাক্ষ করেছেন! এহেন কটাক্ষ-সমালোচনায় বিরক্ত হয়ে এবার নিজেই মুখ খুললেন অভিনেতা।

Advertisement

সোশাল মিডিয়ায় এক দীর্ঘ পোস্টে শন বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “আমি সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে কয়েকটি রিলস এবং ছবি পোস্ট করেছি যেখানে আমার ব্যক্তিগত জীবন, বিশেষ করে সম্পর্ক নিয়ে প্রচুর মন্তব্য করা হয়েছে। অতীতেও আমাকে এই ধরনের মন্তব্য সহ্য করতে হয়েছে কিন্তু আমি সেগুলি উপেক্ষা করেছিলাম। তবে বিষয়টি এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে আমি কথা বলতে বাধ্য হচ্ছি। আমরা এমন এক পৃথিবীতে বাস করি, যা ঘৃণা-দ্বন্দ্বে ভারাক্রান্ত। একে অপরের প্রতি সমব্যথী হওয়ার ন্যুনতম প্রচেষ্টাটুকু নেই। সবসময়ে সকলের সঙ্গে নম্র ব্যবহার করেছি কিন্তু আজ উপলব্ধি করলাম, বেশি ভালো হওয়াও সবসময়ে ঠিক নয়। এতে মানুষ মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার ধৃষ্টতা দেখায়। মানুষের উচিত শব্দচয়ন ঠিক করে এই পৃথিবীকে আরও সুন্দর করে তোলা।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.