Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৫ জুলাই ২০২৬
YouTube

লক্ষ লক্ষ ইউজারকে সম্মতি ছাড়াই অন্যের নগ্ন ছবি তৈরির এআই ওয়েবসাইটে পাঠাচ্ছে ইউটিউব, এক্স!

স্বাভাবিক ভাবেই এমন অভিযোগ ঘিরে ঘনাচ্ছে বিতর্ক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২৬, ১৭:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২৬, ১৭:১৪

options
link
লক্ষ লক্ষ ইউজারকে সম্মতি ছাড়াই অন্যের নগ্ন ছবি তৈরির এআই ওয়েবসাইটে পাঠাচ্ছে ইউটিউব, এক্স! zoom
সাংঘাতিক অভিযোগ এক্স ও ইউটিউবের মতো অতি জনপ্রিয় দুই প্ল্যাটফর্মের বিরুদ্ধে।

সাংঘাতিক অভিযোগ এক্স ও ইউটিউবের মতো অতি জনপ্রিয় দুই প্ল্যাটফর্মের বিরুদ্ধে। দাবি, এআইয়ের সাহায্যে নারীদের অনুমতিহীন নগ্ন ছবি তৈরির ওয়েবসাইটে ইউজারদের পাঠিয়ে দিচ্ছে এই দুই মঞ্চ! ‘ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক ডায়ালগ’-এর সাম্প্রতিক একটি গবেষণাপত্রে এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনা হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মাত্র চার মাসে ইউটিউব এবং এক্স প্ল্যাটফর্ম দুটি ব্যবহারকারীদের ৫৭ লক্ষেরও বেশি বার বিভিন্ন এআই ওয়েবসাইটে পাঠিয়েছে। যেগুলিতে পোশাকহীন ছবি তৈরির টুল পাওয়া যায়। নারীদের সম্মতি ছাড়াই অন্তরঙ্গ বা নগ্ন ছবি তৈরির সুযোগ মেলে এখানে। প্রশ্ন উঠছে, এই সব টুলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কী করে মূলধারার সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এমন ডিপফেক টুল খুঁজে দিচ্ছে!

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ওই গবেষণাপত্রে সম্মতি ছাড়া অশ্লীল ‘ডিপফেক’ তৈরির জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত ১০টি অ্যাপ ও ওয়েবসাইট এবং ব্যবহারকারীরা কীভাবে সেগুলোর সন্ধান পান, তা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। দেখা গিয়েছে, ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে মার্চ ২০২৬-এর মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর মাধ্যমে ওই ধরনের ওয়েবসাইটগুলোতে ৫৭ লাখেরও বেশিবার ভিজিট হয়েছে। এর মধ্যে ইউটিউবের মাধ্যমে ১৮ লাখ ২০ হাজার ভিজিট হয়েছে, অন্যদিকে ১ কোটি ৩০ লাখেরও বেশি ভিজিট হয়েছে ‘এক্স’-এর সূত্রে।

রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ইউজাররা ‘আনড্রেস অ্যাপ’ বা ওই জাতীয় শব্দ লিখে অনুসন্ধান করলেই ওই ধরনের টুলের প্রচারমূলক ভিডিও দেখা যেত। এমনকী, অ্যাপগুলোর লিঙ্ক এবং বিনামূল্যে ক্রেডিট পাওয়ার সুযোগসহ প্রোমো কোডও দেওয়া থাকত। অর্থাৎ কার্যতই এই পরিষেবাগুলো ব্যবহার করা আরও সহজ হয়ে উঠত। গবেষকদের মতে, ইউটিউবের নিজস্ব পলিসিতে যেখানে অশ্লীল বিষয়বস্তু নিষিদ্ধ, সেটা মাথায় রাখলে এক্ষেত্রে অবশ্যই তা লঙ্ঘিত হচ্ছে। তাঁদের যুক্তি, সম্মতি ছাড়া তৈরি করা অন্তরঙ্গ ছবি বা ভিডিও প্রস্তুতকারী ওয়েবসাইট ও টুলগুলোর ক্ষেত্রেও এই নিয়মগুলো প্রযোজ্য হওয়া উচিত। স্বাভাবিক ভাবেই এমন অভিযোগ ঘিরে ঘনাচ্ছে বিতর্ক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.