Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৪ জুন ২০২৬
AI

এআই চাকরি খাবে ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বারদেরও! নয়া সমীক্ষায় আরও ‘ভয়ের’ ছবি

২০৩২ সালের মধ্যে ৯০ শতাংশ চাকরিই গ্রাস করবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২, ২০২৬, ১৩:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২, ২০২৬, ১৩:২৩

options
link
এআই চাকরি খাবে ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বারদেরও! নয়া সমীক্ষায় আরও ‘ভয়ের’ ছবি zoom
প্রতীকী ছবি।

মাত্র কয়েক বছর আগেও ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ শব্দটা ছিল কল্পবিজ্ঞানেরই অংশ। এখন তা ঘোর বাস্তব। ২০২২ সালে চ্যাটজিপিটির আত্মপ্রকাশের পর থেকেই পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। প্রসঙ্গত, প্রথম থেকেই বিতর্ক ঘনিয়েছে চ্যাটজিপিটিকে ঘিরে। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ বলতে থাকে, অচিরেই এই চ্যাটবট চাকরি কাড়বে বহু মানুষের। এমন কথা কার্যত মেনেও নেন ওপেনএআই সংস্থার সিইও স্যাম অল্টম্যান। পরে অবশ্য তিনি এও বলেন, এআই নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিও করবে। কিন্তু নতুন যে ছবিটা ফুটে উঠছে তা ভয়ংকর! বলা হচ্ছে, ২০৩২ সালের মধ্যে ৯০ শতাংশ চাকরিই গ্রাস করবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা! বাদ যাবেন না ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বাররাও!

এক নতুন প্রতিবেদনে কগনিজেন্ট জানিয়েছে যে, জেনারেটিভ এআই প্রত্যাশার চেয়ে অনেক আগেই কর্মক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে শুরু করে। যা আগে ৯ বছর সময় নেবে বলে ধারণা করা হয়েছিল, তা ৩ বছরেরও কম সময়ে ঘটে গিয়েছে। আগামী বছর ছয়েকের মধ্যেই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তবে মনে করা হচ্ছিল, সব ধরনের চাকরিতে এআই প্রভাব ফেলতে পারবে না। কিন্তু যত সময় যাচ্ছে সেটাও ভুল প্রমাণিত হচ্ছে। কগনিজেন্টের প্রধান গবেষক ওলি ও’ডোনোঘুয়ে বলছেন, ”কেউ নিরাপদ নয়।” তিনি বলেছেন, ”ইলেকট্রিশিয়ান কিংবা প্লাম্বারদেরও এআই আমলে নিজেদের বদলাতে হবে। তবে, প্লাম্বারদের এরপরও নিজের হাতে কাজ করতে হবে। যদিও অনেক কিছু এর মধ্যে এআই-ই করে দেবে।” বিষয়টা পরিষ্কার করতে তিনি জানাচ্ছেন, ”রেঞ্চটা ঘোরানোর কাজটা প্লাম্বারকেই করতে হবে নিঃসন্দেহে। তবে প্লাম্বিংয়ের প্রকৃত প্রক্রিয়া পালটে যাবে। এর মানে হল, প্লাম্বার পাইপটি মেরামত করবেন ঠিকই। তবে সমস্যা নির্ণয় এবং সহায়ক পদক্ষেপগুলি, এমনকী পরবর্তী পদক্ষেপগুলিও… ক্রমশই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে।” সব মিলিয়ে আতঙ্কের ছবিই ফুটে উঠছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.