Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
WIFI

শামুকের গতির WiFi নিয়ে নাজেহাল? এই সহজ পদ্ধতিতেই হবে মুশকিল আসান

ওয়াইফাই যেন রাস্তার মতো। একসঙ্গে অনেক গাড়ি চলতে শুরু করে ট্র্যাফিক জ্যাম হয়। এক্ষেত্রেও তাই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০২৬, ১৯:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০২৬, ১৯:২৯

options
link
শামুকের গতির WiFi নিয়ে নাজেহাল? এই সহজ পদ্ধতিতেই হবে মুশকিল আসান zoom
ছবি: এআই নির্মিত।
Advertisement

ইন্টারনেট যদি ধীরগতিতে চলে, তাহলে কার আর ভালো লাগে? কাজের সময় কিংবা অবসরে বিনোদনের মুহূর্তেও নেটপ্রবাহ যেন প্রবল হয়, এটা তো আমরা সকলেই চাই। কিন্তু চাইলেই কি সবসময় সব মেলে? বাড়ির ওয়াইফাই আচমকাই ‘শামুক’ হয়ে গেলে মাথাগরম হওয়াটা স্বাভাবিক। বিশেষ করে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ থাকলে তো কথাই নেই। বসের ধমক খাওয়ার সময় সত্যিই অসহায়ের মতো অনুভূতি হতে পারে। মাথায় যেন আগুন জ্বলে ওঠে। তবে রেগে না গিয়ে সামান্য একটু কায়দা করতে পারলেই কিন্তু হবে মুশকিল আসান। আসুন, জেনে নেওয়া যাক।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এক্ষেত্রে মাথায় রাখতে হবে ওয়াইফাই যেন রাস্তার মতো। একসঙ্গে অনেক গাড়ি চলতে শুরু করে ট্র্যাফিক জ্যাম হয়। এক্ষেত্রেও তেমনই হয়। অর্থাৎ লেনের সংখ্যা (অর্থাৎ আপনার ব্যান্ডউইথ) অপরিবর্তিত থাকলে কোনও সমস্যাই হওয়ার কথা নয়। আসলে কোনো নির্দিষ্ট সময়ে যত বেশি গাড়ি (বা ডেটা) চলাচল করবে, ততই গতি ধীর হবে ইন্টারনেটের। আর তাই এই ধরনের পরিস্থিতিতে একই সময়ে ব্যবহৃত ডিভাইসের সংখ্যা কমিয়ে আনাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। তবে যদি বুঝতে পারেন বাড়ির অন্য কেউ আপনার সম্পূর্ণ ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করছে না, তবে সমস্যাটি আসলে আপনার কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইস সংক্রান্ত। হয়তো সেখানে কোনও সফটওয়্যার বা গেমের আপডেট ডাউনলোড হয়ে চলেছে। কিংবা শো সিঙ্ক হচ্ছে। আর তাতেই তৈরি হচ্ছে সমস্যা।

Advertisement

আবার নির্দিষ্ট কোনও ঘরে ওয়াইফাইয়ের গতি কমে যাওয়া বা সিগন্যাল দুর্বল মনে হওয়ার পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে। এর মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ কারণটি হল দূরত্ব। রাউটার বা হাব থেকে আপনি যত দূরে থাকবেন, সিগন্যাল ততই দুর্বল হবে। সুতরাং সব মিলিয়ে দেখলে, পুরু দেয়াল, মেঝে, বড় আকারের আসবাবপত্র, পুরনো ডিভাইস, এমনকী একই সময়ে কতজন মানুষ অনলাইনে আছেন সবটাই ফ্যাক্টর হয়ে ওঠে ধীরগতির ওয়াইফাইয়ের ক্ষেত্রে। তাই যথাসম্ভব ডিভাইসের সংখ্যা কমালে সুফল মিলবেই।

এছাড়াও উপায় আছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্ভব হলে ‘ওয়্যারড কানেকশন’ বা তারযুক্ত সংযোগ ব্যবহার করাটা এসব ক্ষেত্রে উপকারী হতে পারে। সেক্ষেত্রে সিগন্যাল নিয়ে কোনও প্রতিযোগিতার বালাই থাকে না। তাই টিভি, গেম কনসোল বা ডেস্কটপ কম্পিউটারের মতো যেসব ডিভাইস এক জায়গায় স্থির থাকে, সেগুলোর জন্য এটি একটি চমৎকার বিকল্প। এর ফলে বাড়ির অন্যান্য ডিভাইসের জন্য ওয়াই-ফাই সিগন্যাল ব্যবহারের সুযোগ বাড়বে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.