দেখতে দেখতে দশবছর পূর্ণ হল রিলায়েন্স জিও পরিষেবার। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরেই যাত্রা শুরু করেছিল জিও। আজ রাজ্যের শীর্ষস্থানীয় মোবাইল অপারেটর মুকেশ আম্বানির সংস্থা। এক আশ্চর্য ম্যাজিক যেন। আজ বাকি সকলকে পিছনে ফেলে দিতে পেরেছে রিলায়েন্স জিও। পশ্চিমবঙ্গে এই মুহূর্তে ৪৫.২% বাজার-অংশীদারিত্ব তাদের। পাশাপাশি ৪৯.১% সিএজিআর।
বাণিজ্যিক যাত্রা শুরুর পর থেকে গত এক দশকে রিলায়েন্স জিও পশ্চিমবঙ্গের ওয়্যারলেস টেলি যোগাযোগ বাজারে আমূল পরিবর্তন এনেছে। ২০১৬ সালের আগস্ট মাসে কোনও গ্রাহক না থাকা সত্ত্বেও, জিও তার কার্যক্রম শুরুর প্রথম মাসেই (সেপ্টেম্বর ২০১৬) ৫.৪ লক্ষ গ্রাহক অর্জন করে। এবং ২০২৬ সালের জুন নাগাদ এই সংখ্যা ২৬৪.৯ লক্ষে পৌঁছে গিয়েছে। ২০২৬ সালের জুন মাস পর্যন্ত তথ্য অনুযায়ী, জিও এই সার্কেলে বাজারের শীর্ষস্থানে রয়েছে এবং সেখানকার মোট ৫৮৬.৬ লক্ষ ওয়্যারলেস সংযোগের মধ্যে ৪৫.২% তাদের দখলে রয়েছে।
আরও পড়ুন:
এখানে দেখা যেতে পারে বাকিদের পারফরম্যান্স। এয়ারটেলের গ্রাহক সংখ্যা ২০১৬ সালের আগস্টে ১৫১.৭ লক্ষ থেকে বেড়ে ২০২৬ সালের জুনে ১৯৩.৮ লক্ষে এসে পৌঁছেছে। ভোডাফোন ও আইডিয়ার সম্মিলিত গ্রাহক-ভিত্তি বা ‘ভোডাফোন আইডিয়া’-র সংখ্যা ২৩৭.৬ লক্ষ থেকে কমে ১০১.৬ লক্ষে নেমে এসেছে। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের জুলাই মাসে এই সংখ্যাটি সর্বোচ্চ ২৮৭.৩ লক্ষে পৌঁছেছিল। বিএসএনএল-এর গ্রাহক সংখ্যা ১৭.২ লক্ষ থেকে বেড়ে ২৬.৩ লক্ষে দাঁড়িয়েছে (৪.৪% সিএজিআর)। ‘অন্যান্য’ ক্যাটাগরি—যার অন্তর্ভুক্ত ছিল টাটা, রিলায়েন্স কমিউনিকেশনস, এয়ারসেল, টেলিনর, ভিডিওকন এবং পরবর্তীকালে বাজার থেকে সরে যাওয়া অন্যান্য অপারেটর, সেগুলোর গ্রাহকসংখ্যা ২০১৬ সালের আগস্টে ৯৯.৯ লক্ষ থেকে কমতে কমতে ২০১৮ সালের এপ্রিল নাগাদ শূন্যে নেমে আসে। আসলে বাজার এরপরই মাত্র চারটি অপারেটরের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বভারতীর উপাচার্যের বাসভবন ‘পূর্বিতা’ সংস্কার ঘিরে বিতর্ক, সাংবাদিক বৈঠকে সাফাই ভিসির
-
হিন্দি সিরিয়ালের প্রস্তাব ফিরিয়েছেন! ‘গোয়েন্দা গিন্নি’র দ্বিতীয় সিজন চাইছেন ইন্দ্রাণী
-
পচা মাছ-মাংসের মাঝেই বিপদ কাজুবরফিতেও, চকচকে রাংতাই বিকল করবে লিভার-কিডনি!
-
কোথায় মহিলা ‘কমরেড’রা? আন্দোলনে থাকলেও সংগঠনে নেই বহু তরুণ তুর্কি, নয়া উদ্বেগ সিপিএমে
-
পুলিশ-রাজনৈতিক নেতাদের নাম করে অসহায় মহিলাকে হুমকি! ভবানীপুরে পুলিশের জালে ‘গবেষক’